নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার খাদ্য গুদামে গত ১৭ মে হতে ১২২৯ মেট্রিকটন ধান ও ৩৫৯ মেট্রিকটন চাল সংগ্রহের শুভ উদ্বোধন করেন মাননীয় সংসদ সদস্য জননেতা ফজলে হুদা বাবুল। আগামী ৩১ আগষ্ট ২০২৬ প্রযর্ন্ত তা চলমান থাকবে।বর্তমান সরকার বদলগাছী উপজেলার কৃষকদের উৎপাদিত ধান ন্যায্য মুল্যে ক্রয় করার জন্য বরাদ্দ দেন।প্রতিকৃষক ৩ মেট্রিকটন ধান সরকারি গুদামে সরাসরি বিক্রি করতে পারেন।কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন কৃষক শুধু নামে কামে বদলগাছী ওসি এল এস ডি কর্মকর্তার প্রেম ভালো বাসার ৩/৪ জন ব্যাক্তি। সরকারি গুদাম সুএে জানা যায় এলাকার কৃষকের উৎপাদন কৃত ধান সংগ্রহের নিয়ম নিতি বিষয়ে গুদাম কর্মকর্তা জানেন না। বদলগাছী উপজেলায় আঠাশ,জিরা,সুবলতা,সহ চিকন জাতের ধান ছারা কোন ধান উৎপাদন হয়না, তাহলে মোটা ধান কি ভাবে সংগ্রহ হচ্ছে, তিনি বলেন এলাকায় মোটা ধান উৎপাদন না থাকায় পার্শবতী উপজেলা থেকে সংগ্রহ করেন কিন্তু আমি উপজেলা কৃষি অফিসারের দেওয়া কৃষকের তালিকার নামেই চালান প্রদান করি। উক্ত কৃষকের ধানের তালিকা বিষয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার সাবাব ফারহানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি স্ব,স্ব ইউনিয়ন উপ সহকারী কৃষি অফিসারদের দায়িত্ব দিয়েছি তাদের সঙ্গে কথা বলেন। সরেজমিনে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জানা গেছে যাদের ১/২ ও ৩ বিঘা জমি ধান আবাদ সেই সব কৃষের নাম ঐ তালিকায়, কিন্ত ঐ সমস্ত কৃষক ও জানেনা তার নামে ধান গুদামে বিক্রি হলো।মিঠাপুর ইউনিয়নের কান্দা গ্রামের বিকুল হোসেন পিতা জালাল উদ্দীন সহ কয়েকজনের নাম তালিকায় দেখা গেলে ও তারা জানে না বলে জানান।
সরকারি গুদামে সংগ্রহ কৃত ১২২৯ মেট্রিকটন ধান সরকারি চাল উৎপাদন করার জন্য উপজেলার চাতাল মালিকদের মোয়াক্কালের ফলের মতো দেখিয়ে বিভিন্ন অটো চাতালে ক্র্যাসিং করার জন্য সরকারী ভাবে কিয়া রিং,ও ক্র্যাসিং খরচ প্রদান করা হয় । ক্র্যাসিং ও কিয়ারিং পার মনে কত টাকা প্রদান করা হয়, জানতে চাইলে ওসিএল,এস,ডি কর্মকর্তা আতিকুর রহমান দৈনিক ইনকিলাব ও দৈনিক ঘোষণা সংবাদদাতা এনাম কে জানান ঐ বিষয়ে আমি জানিনা।কে জানেন বল্লে তিনি বলেন জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রণ অফিস।
কোন কোন মিলে ধান ক্র্যাসিং করতে দিয়েছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, সরদার অটো রাইস মিল নওগাঁ, আল রাজি চাল কল নওগাঁ সদর, খোতেজা চাল কল নওগাঁ, নিউ সরদার চাল কল মহাদেব পুর,শাকিলা চাল কল রানীনগর। উক্ত বিষয় গুলো নিয়ে বদলগাছী উপজেলার হামিম চাল কল মালিকএবং চাতাল মালিক সমিতির সভাপতি ফাইন সাংবাদিকদের জানান খাদ্য নিয়ন্ত্রণ অফিসের বিবেকহীনতায় বদলগাছী উপজেলার ৩২ টি সহ, নওগাঁর মোট তিন হাজার দুই শত হ্যাসিং মিলে কোন ধান ক্র্যাসিং করতে দেননা গুদাম কর্মকর্তা। তিনি আরও বলেন বদলগাছীর ৩২ টি চাল কলের মধ্যে
উপজেলার ১৬টি রাইসমিল চাতাল মালিকের কাছ থেকে চলতি অর্থবছরে ৩৫৯ মেট্রিকটন চালের এলোটম্যান্ট দেন সরকার।হামিম চাতালের মালিক ফাইন বেদনাভরা হৃদয়ে জানান গুদামজাত ঐ ধান গুলো আমাদের চাতালে দিলে অনেক অনেক শ্রমিকের মানউন্নয়ন করা যেত।কারন তিনি বলেন সরকার ৬০ কেজি ধানের ৩৯ কেজি চাল সরকারের গুদামে দিতে হয়। এবং গুড়া, খুদ,ব্রান্ড,গুলো লাভ দেখি।একাধিক মিল মালিকের কাছে কথা বলে জানা যায় গুদাম হতে ধান মিলে আনা এবং ক্র্যাসিং বিল সরকারের। কিন্ত কি বলিব দুঃখের কথা, মোয়াক্কালের ফলের মতো দেখা ছারা বদলগাছী উপজেলার চাতাল মালিকদের কপালে কিছু জোটে না।
খাদ্য গুদাম ও খাদ্য নিয়ন্ত্রণ অফিস সুএে তালিকায় জানা গেছে বদলগাছী উপজেলার মেসার্স শেখ চাল কল, মির্জাপুর।মেসার্স ভাই ভাই চাল কল কোমারপুর। মেসার্স হাকিম চাল কল চাংলা।মেসার্স চাচা ভাতিজা চাল কল জিয়ল।, মেসার্স মুন্নু চাল কল জিধিরপুর। মেসার্স ঝর্না চাল কল জিধিরপুর। মেসার্স এস,এম,আহসান হাবিব চালকল চাংলা।,মেসার্স মা চাল কল সোহাসা। মেসার্স মতিউর চালকল কোমারপুর। মেসার্স আই,কে, চালকল কোমারপুর।মেসার্স রনি চালকল মির্জাপুর। মেসার্স আল-আমীন চালকল পিন্ডিরা।মেসার্স আকলিমা চালকল জিয়ল।মেসার্স আল ময়েন চালকল জিয়ল।,মেসার্স রিফাত চালকল ঢেংকরা।মেসার্স ফেরদৌস চালকল কোমারপুর। মোট ১৬ টি চালকল চাতাল মালিকদের কাছে তাদের উৎপাদিত চাল ৪৯ টাকা কেজি দরে ৩৫৯ মেট্রিকটন চাল কিনবে সরকার। সরেজমিনে প্রত্যক্ষ ভাবে দেখা যায় অধিকাংশ চাতাল বন্ধের পথে চিমনির মাথায় ঘাঁস চাতালে খরি খর এবং পরিত্যাক্ত, নেই কোন ম্যানেজার লেবার কর্মচারী।ভাই ভাই চাল কল মালিক আতাউর রহমানকে চাতালে দেখে ইড়ি মৌসুমে কত মেট্রিকটন এ্যালোটম্যান্ট পেয়েছেন জানাতে চাইলে তিনি বলেন ২১ মেট্রিকটন।কয়টি চাতাল চালো রয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ভাই ভাই চাল কল, শেখ চাল কল, আহসান হাবীব চাল কল, বিশ্বাস চাল কল মোট চারটি চাতাল স্বচল দেখা যায়। বাঁকী সব চাতালেই কোন ব্যাবসা না থাকায় বন্ধের পথে। ওসি এল,এজডি,আতিকুর রহমানের কাছে অধিকাংশ চাতাল বন্ধ তাদের উৎপাদিত চাল পাবেন কি জানতে চাইলে তিনি বলেন, চাতাল মালিকেরা লেবার না পাইলে চাতাল বন্ধ থাকে।অধিকাংশ চাতালে ঘাস দেখা যায় তারা চাল কি ভাবে দিবে জানতে চাইলে তিনি বলেন তারা কোথায় থেকে দিবে সেটি তাদের বিষয়।
উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মিজানুর রহমান জানান সরকার এলোটম্যান্ট দিয়েছে আমি তাদে সঙ্গে কথা বলেই এলোট দেওয়া হয়েছে চাল কি ভাবে দিবে চাতার মালিকেরা জানে,আমরা চাল নিতে চাই।কোন কোন মিলে ধান ক্র্যাসিং করতে দিয়েছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি নাম গুলো সঠিক বলতে পারবো না,তবে ওসি, এল, এস, ডির সঙ্গে কথা বলেন ভাই। স্হানীয় এলাকার স্বচেতন মহলের সঙ্গে কথা বল্লে যে কর্মকর্তা তার দাপ্তরিক বিষয় গুলো সঠিক না জানে তার জন্য ঐ চেয়ার দেশ ও জাতির বিপদ অকল্যাণ।অপরদিকে বদলগাছী উপজেলার চাতাল মালিকদের পার্শে এবং চাতাল শ্রমিকদের ডাল ভাত খেয়ে বেঁচে থাকা ও জীবন মান উন্নয়নে সরকার সহ মাননীয় সংসদ সদস্য জননেতা ফজলে হুদা বাবুলের নেক দৃষ্টি কামনা করেন বদলগাছী উপজেলার চাতাল মালিক সমি