নোয়াগাঁও ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, উন্নত ও জনবান্ধব ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চান চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আবুল কালাম পাটোয়ারী।
তিনি বলেন, নির্বাচিত হলে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, সড়ক সংস্কার, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং মাদক, অনলাইন জুয়া, সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখবেন।
আবুল কালাম পাটোয়ারী বলেন, “নোয়াগাঁও ইউনিয়নকে আধুনিক ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। বিশেষ করে গ্রামীণ অবকাঠামোর উন্নয়ন ও মানুষের যাতায়াতের সুবিধার্থে সড়ক সংস্কারে গুরুত্ব দেওয়া হবে। অপরাধ নিরসনে দল-মতের ঊর্ধ্বে থেকে আইনের কাঠামোগত নিরপেক্ষতা বজায় রেখে কাজ করতে চাই।”
তিনি আরও বলেন, ইউনিয়নবাসীর জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতা নিয়ে মাদক, অনলাইন জুয়া, সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। পাশাপাশি সরকারি বিভিন্ন ভাতা এবং ভিজিএফ-ভিজিডির চাল প্রকৃত হতদরিদ্র ও অসহায় মানুষের তালিকা প্রণয়নের মাধ্যমে সঠিকভাবে বিতরণ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
আবুল কালাম পাটোয়ারী ২ নম্বর নোয়াগাও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ওয়ান-ইলেভেনের সময় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। ওই সময় উপজেলা প্রশাসন ও ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের কাছ থেকে তিনি প্রশংসা পেয়েছেন বলে জানান। এছাড়া তিনি নিজ ওয়ার্ড থেকে একাধিকবার ইউপি সদস্য নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করেছেন।
দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততার কথা উল্লেখ করে আবুল কালাম বলেন, দলের দুঃসময়ে তিনি নির্যাতিত ও নিপীড়িত নেতাকর্মীদের পাশে ছিলেন। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় রাজনৈতিক প্রতিকূলতার কারণে পুলিশের ভয়ে তাকে বাড়িতে রাত কাটাতে পারেননি বলেও তিনি দাবি করেন।
নিজের রাজনৈতিক ও জনপ্রতিনিধি হিসেবে অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে আবুল কালাম আজাদ বলেন, “আমি বিগত সময়ে একাধিকবার ওয়ার্ড মেম্বার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি এবং নোয়াগাঁও ইউনিয়ন পরিষদেরও দায়িত্ব পালন করেছি। দায়িত্ব পালনকালে ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের সঙ্গে আমার একটি সুসম্পর্ক তৈরি হয়েছে। ছোটবেলা থেকেই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সাংগঠনিক কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত আছি।”
তিনি বলেন, রাজনৈতিক ও দলীয় প্রেক্ষাপটে তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের চেষ্টা করেছেন। অতীতের কর্মকাণ্ড ও অভিজ্ঞতা বিবেচনা করে দল তাকে চেয়ারম্যান পদে সমর্থন দেবে—এমন প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।আবুল কালাম আরও বলেন, “আমার বিগত দিনের কর্মকাণ্ড পর্যালোচনা করলে দল আমাকে সমর্থন করবে বলে আমি আশা করি। আমার অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে নোয়াগাঁও ইউনিয়নের অবহেলিত ও বঞ্চিত মানুষের পাশে থাকতে চাই।”
পাশাপাশি ইউনিয়নে বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, দলের নেতাকর্মীদের সুসংগঠিত করে নোয়াগাঁও ইউনিয়নে বিএনপির একটি শক্তিশালী সাংগঠনিক ভিত্তি গড়ে তুলতে চান।