1. [email protected] : Ghoshana Desk :
  2. [email protected] : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. [email protected] : Masud Khan : Masud Khan
তিস্তার ফুলে ওঠা পানি ডিমলায় ডুবে গেছে শত শত হেক্টর ফসল, দিশেহারা কৃষক - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
গাজীপুরে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ইমাম সম্মেলন অনুষ্ঠিত সোনারগাঁয়ে মাদক নিরাময় কেন্দ্রে নির্যাতন চালিয়ে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বরিশালে মহাসড়ক অবরোধ। চাটমোহরে ঘোড়া ফজলুর বিরুদ্ধে মামলা। পাঁচ মাদক সেবীর কারাদন্ড মেসার্স মাসকুরা ট্রেডার্সের জেসমিনের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগীদের মানববন্ধন, টাকা ফেরত ও শাস্তির দাবি চৌদ্দগ্রামে জামায়াতে ইসলামীর কর্মীর যুবদলে যোগদান খুলনায় হেলদি সিটি ফোরামের উদ্যোগে বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬ পালিত দীপেন দেওয়ানকে পার্বত্যমন্ত্রী পদে পুনর্বহালের দাবিতে বাঙ্গালহালিয়াতে মানববন্ধন গফরগাঁওয়ে বজ্রপাতে নিহত ১ জলঢাকায় তীব্র দাবদাহে বিপর্যস্ত জনজীবন

তিস্তার ফুলে ওঠা পানি ডিমলায় ডুবে গেছে শত শত হেক্টর ফসল, দিশেহারা কৃষক

reporter মোঃ রায়হান পারভেজ নয়ন,ডিমলা (নীলফামারী) 
calendar প্রকাশিত: ৩ মে, ২০২৬, ১:১৪ অপরাহ্ণ

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা ভারী বর্ষণে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার তিস্তা নদীর পানি হঠাৎ বৃদ্ধি পেয়ে বিস্তীর্ণ চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে শত শত হেক্টর কৃষিজমির ফসল পানির নিচে তলিয়ে গিয়ে চরম ক্ষতির মুখে পড়েছেন হাজারো কৃষক।
স্থানীয় সূত্র জানায়, উপজেলার খালিশা চাপানী, টেপাখড়িবাড়ী, পূর্ব ও পশ্চিম ছাতনাই এবং ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়নের তিস্তা তীরবর্তী চরাঞ্চল সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব এলাকার আমন ধান, ভুট্টা, চিনাবাদামসহ বিভিন্ন মৌসুমি ফসল এখন পানির নিচে।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের অনেকেই ঋণ কিংবা জমি বন্ধক রেখে চলতি মৌসুমে আবাদ করেছিলেন। আকস্মিক বন্যায় ফসল হারানোর আশঙ্কায় পরিবারগুলোতে নেমে এসেছে চরম হতাশা ও অনিশ্চয়তা।
কৃষক কাশেম আলী বলেন, তিন দিন ধরে জমির সব ফসল পানির নিচে। ঋণ করে চাষ করেছি, এখন যদি ফসল নষ্ট হয়ে যায়—ঋণ শোধ করবো কীভাবে বুঝতে পারছি না।”একই উদ্বেগের কথা জানান কৃষক আবুল হোসেন। তিনি বলেন, “নদীর পানি দ্রুত বাড়ছে। এখন ফসল গেছে, এরপর বাড়িঘরেও পানি ঢুকে পড়ার ভয় আছে।
অপর কৃষক মতিয়ার রহমান বলেন, এই ফসলই ছিল আমাদের বাঁচার ভরসা। সব শেষ হয়ে গেলে হয়তো জীবিকার জন্য ঢাকায় যেতে হবে।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, প্রায় ২০০ হেক্টর কৃষিজমি ক্ষতির মুখে পড়েছে। তবে পানি না নামা পর্যন্ত প্রকৃত ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা সম্ভব হচ্ছে না।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মীর হাসন আল বান্না বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে ক্ষয়ক্ষতির তালিকা প্রস্তুত করা হবে এবং ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য সরকারি সহায়তা ও প্রণোদনার ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে পানি আরও বাড়তে পারে—এমন আশঙ্কায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি আরও অবনতির দিকে যেতে পারে বলে মনে করছেন তারা।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com