1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@gmail.com : Masud Khan : Masud Khan
ডুবন্ত বোরো, অচল যন্ত্র: হাওর কৃষিতে নীরব বিপর্যয় - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
কুড়িগ্রামে পুনঃখনন করা খাল ঘিরে কৃষি ও কর্মসংস্থানে নতুন গতি গাছ ফেলে বাস থামিয়ে ৫৭ লাখ টাকা লুট, ছুরিকাঘাতে বিকাশকর্মী আহত টেকনাফে ৫ লাখ ৬০ হাজার ইয়াবাসহ দুই মিয়ানমার নাগরিক গ্রেপ্তার কেসিসির টেন্ডার সিন্ডিকেটে ভাঙনের ইঙ্গিত, দুদকের অনুসন্ধান চলমান কাশিয়ানীতে স্কুলে ছাত্রী-যুবককে গাছে বেঁধে নির্যাতনের মূল হোতা গ্রেফতার বায়না করা ২০ শতাংশ জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা নরসিংদীর পলাশে ছাত্রদল নেতা গুলিবিদ্ধ, ঢামেকে অস্ত্রোপচার আবাদী জমির আইলে চরম ঝুঁকি, ২ কিমি কাদা মাড়িয়ে স্কুলে যাচ্ছে শিশুরা বৃষ্টিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে মিজান পরিবহনের বাস, আহত অন্তত ১৫–২০ কাজিরহাট চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার প্রধান আসামি সিদ্দিক শ্রী ঘরে

ডুবন্ত বোরো, অচল যন্ত্র: হাওর কৃষিতে নীরব বিপর্যয়

reporter অমিত তালুকদার, সুনামগঞ্জ
calendar প্রকাশিত: ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১:৪৯ অপরাহ্ণ

অতিবৃষ্টির প্রভাবে সুনামগঞ্জের হাওরাঞ্চলের বিস্তীর্ণ নিচু জমির বোরো ধান পানির নিচে তলিয়ে গেছে। ফলে চলতি মৌসুমে ধান কাটায় বড় ধরনের অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। কৃষি যান্ত্রিকীকরণের সুবিধা থাকা সত্ত্বেও পানিবন্দি জমিতে ধান কাটার মেশিন চলাচল করতে না পারায় বাধ্য হয়ে শ্রমিকের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছেন কৃষকরা। কিন্তু একই সময়ে শ্রমিক সংকট তীব্র হওয়ায় ফসল ঘরে তোলা নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

স্থানীয় কৃষকরা জানান, হাওরের অধিকাংশ জমিতে হাঁটু থেকে কোমরসমান পানি জমে আছে। এতে কম্বাইন হারভেস্টারসহ আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার অসম্ভব হয়ে পড়েছে। ফলে ধান কাটতে হচ্ছে হাতে যা সময়সাপেক্ষ ও ব্যয়বহুল। এ অবস্থায় পর্যাপ্ত শ্রমিক না পেলে পরিপক্ব ধান নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি বাড়ছে।

কৃষক পরিবারের দাবি, শ্রমিক সংকট কাটাতে জরুরি ভিত্তিতে আগামী ১০ থেকে ১৫ দিনের জন্য জেলার সব নদীতে বালু ও পাথর উত্তোলন কার্যক্রম বন্ধ রাখতে হবে। পাশাপাশি তিনটি শুল্ক স্টেশন সাময়িকভাবে বন্ধেরও আহ্বান জানিয়েছেন তারা। তাদের যুক্তি, এসব খাতে নিয়োজিত বিপুল সংখ্যক শ্রমিক সাময়িকভাবে কৃষিকাজে যুক্ত হলে ধান কাটা দ্রুত সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।

হাওরপারের কৃষকদের অভিযোগ, প্রতিবছরই বোরো মৌসুমে শ্রমিকের চাহিদা বাড়লেও এবার পরিস্থিতি ভিন্ন অতিবৃষ্টির কারণে সময় সংকুচিত হয়ে পড়েছে, আর পানি জমে থাকায় কাজের গতি কমে গেছে। “এখনই দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে চোখের সামনে ফসল নষ্ট হবে,”বলছেন অনেক কৃষক।

কৃষি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, হাওরাঞ্চলের এই সংকট মোকাবেলায় সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি। স্থানীয় প্রশাসন, কৃষি বিভাগ ও জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়ে শ্রমিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা না গেলে উৎপাদিত ধানের একটি বড় অংশ ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, স্বল্পমেয়াদি বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ যেমন বিকল্প শ্রমিক সরবরাহ, অস্থায়ীভাবে বালু-পাথর উত্তোলন স্থগিত এবং জরুরি সহায়তা গ্রহণ করা গেলে কৃষকের ক্ষতি অনেকটাই কমানো সম্ভব হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com