শেরপুরের ঝিনাইগাতী থানা পুলিশের অভিযানে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের প্রায় ৬০০ বোতল ভারতীয় মদ আটক করা হয়েছে। জব্দ করা মদের আনুমানিক বাজারমূল্য ১৬ লাখ ৭৫ হাজার টাকা বলে জানা গেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঝিনাইগাতী থানা পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে ভারতীয় বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মদের এ চালান আটক করে। তবে এ ঘটনায় মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত কাউকে আটক করা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি।
এদিকে ঝিনাইগাতীর সীমান্তবর্তী এলাকায় বারবার ভারতীয় মদের চালান আটক হলেও মূল কারবারিরা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, একের পর এক মাদকের চালান আটক হচ্ছে, কিন্তু এসব চালানের পেছনে থাকা মাদক কারবারি ও সরবরাহকারীদের কেন আইনের আওতায় আনা যাচ্ছে না?
স্থানীয়দের দাবি, শুধু মাদকের চালান আটক করলেই চোরাচালান বন্ধ হবে না। এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি, সরবরাহকারী ও মূল হোতাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন। একই সঙ্গে সীমান্তবর্তী এলাকায় নজরদারি আরও জোরদারের দাবি জানিয়েছেন তারা।
উল্লেখ্য, ঝিনাইগাতীতে এর আগেও ভারতীয় মদের বড় চালান আটকের ঘটনা ঘটেছে। ২০২৫ সালের এপ্রিলে গজনী অবকাশের জিরো পয়েন্ট এলাকা থেকে ৫৭০ বোতল ভারতীয় বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মদ জব্দ করেছিল পুলিশ; ওই ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি বলে তখন পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল।
সাম্প্রতিক সময়েও ঝিনাইগাতী সীমান্তে মাদকবিরোধী অভিযানে ভারতীয় মদ জব্দের ঘটনা ঘটছে। গত ২৭ জুলাই গজনী এলাকায় বিজিবি অভিযান চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় ৩২১ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ করে।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, সীমান্ত দিয়ে মাদক প্রবেশের পথ বন্ধ করার পাশাপাশি এসব চালানের সঙ্গে জড়িত মূল মাদক কারবারি ও চোরাচালান চক্রকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।