ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়া উপজেলার ২নং আখানগড় ইউনিয়নের দক্ষিণ ধনিপাড়া এলাকায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে বসতবাড়ির সীমানা প্রাচীর ভাঙচুর ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে আপন ৩ (তিন) ভাইসহ তাদের পরিবারের ৭ (সাত) জনের বিরুদ্ধে রুহিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে আখানগড় ধনিপাড়া এলাকার বাসিন্দা মো: আজিমুল ইসলামের সাথে তার ৩ (তিন) ভাই ১.মো:খাদেমুল ইসলাম ২.মো: জাকিরুল ইসলাম ৩.মো: রবিউল ইসলামের সীমানা নির্ধারণ ও পৈতৃক জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে একাধিকবার স্থানীয়ভাবে শালিস বৈঠক হলেও কোনো স্থায়ী সমাধান হয়নি।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি আজিমুল ইসলাম তার পৈতৃক ভোগদখলীয় জমিতে ইটের সীমানা প্রাচীর নির্মাণ শুরু করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে প্রতিপক্ষ খাদেমুল, জাকিরুল, রবিউল ও তাদের লোকজন দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আকস্মিকভাবে নির্মাণাধীন সীমানা প্রাচীর ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়। প্রাচীর ভাঙচুরে বাধা দিতে গেলে উভয় পক্ষের মধ্যে কথাকাটাকাটি ও একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত দুইজন আহত হয়েছেন বলে দাবি ভুক্তভোগী পরিবারের।
ভুক্তভোগী আজিমুল ইসলাম জানান, “আমি আমার নিজস্ব সীমানার ভেতরেই প্রাচীর নির্মাণ করছিলাম। কিন্তু আমার ৩ (তিন) ভাই বেআইনিভাবে দলবল নিয়ে এসে প্রাচীরটি ভেঙে ফেলে এবং আমাদের প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এতে আমার প্রায় ২ (দুই) লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে। আমি এর সঠিক বিচার চাই।”
অন্যদিকে অভিযোগের বিষয়ে মুঠোফানে জানতে চাইলে রবিউল ইসলাম প্রাচীর ভাঙচুরের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, ঐটা আমাদের পৈতৃক সম্পত্তি, আমাদেরকে না জানিয়ে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করছিল তা-ই আমরা সেই সীমানা প্রাচীর ভেঙ্গে দিয়েছি। কারণ শালিস মীমাংসা না করে জোরপূর্বক বিরোধপূর্ণ জায়গায় প্রাচীর দেওয়া হচ্ছিল।
এ বিষয়ে রুহিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জনাব, মিলাদুন নবী জানান, আখানগড় ইউনিয়নের ঘটনাটি নিয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করার জন্য ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”