কুষ্টিয়ার কুমারখালী পৌরসভাটি কাগজেকলমে প্রথম শ্রেণিভুক্ত। তবে এই পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের দুর্গাপুর গ্রামের অর্ধশতাধিক পরিবারকে ভুগতে হচ্ছে জলাবদ্ধতায়। এই গ্রামে নেই পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা। সামান্য বৃষ্টি হলেই জমে যায় পানি। আর ভারী বৃষ্টি হলে শোবারঘর, রান্নাঘর, গোসলখানা-শৌচাগারে উঠে যায় পানি। গ্রামটির কোথাও ৬ মাস, আবার কোথাও ৯ মাস পানিবন্দি থাকতে হয় বাসিন্দাদের।
দেখা গেছে, উপজেলা পরিষদের প্রধান ফটকের সামনে দিয়ে চলে গেছে নির্মাণাধীন পাকা ড্রেন। ড্রেনে পানি জমে থাকলেও তা স্থির। নির্মাণাধীন ড্রেনের প্রায় ২০০ মিটার দূরে অবস্থিত দুর্গাপুর গ্রামের একাংশ। সেখানে আছে পাকা ও আধাপাকা অর্ধশতাধিক ঘরবাড়ি। বাসিন্দাদের চলাচলের জন্য রয়েছে আরসিসি ঢালাইয়ের পাকা সড়কটি ডুবে আছে। গ্রামের বাসিন্দাদের বাড়ির শোবারঘর, রান্নাঘর, শৌচাগার, গোসলখানা, গোয়ালঘরে থই থই পানি। হাঁটুপানি মাড়িয়ে চলাচল করছে নানা বয়সী মানুষ। কেউ ঘরের পানি সেঁচে বাইরে ফেলছেন। এদিন সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত চুলা জ্বলেনি কারও।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, তারা সময়মতো পৌরকর পরিশোধ করে আসছেন। তবে গত ২০ বছরেও পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করেননি পৌর কর্তৃপক্ষ। বছরের ৬-৯ মাস হাঁটুপানি জমে থাকে।