কাপ্তাইয়ের কৃতী সন্তান, সাবেক জাতীয় ফুটবলার জামাল উদ্দিন। একসময় জাতীয় পর্যায়ে ফুটবলে দাপটের সঙ্গে খেললেও বর্তমানে তিনি কর্মজীবনে কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি ফুটবল রেফারি হিসেবেও দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন তিনি।
রাঙামাটি অঞ্চলের ক্রীড়াঙ্গনে রেফারি হিসেবে জামাল উদ্দিনের রয়েছে ব্যাপক পরিচিতি। মাঠে তাঁর নিরপেক্ষতা, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার কারণে খেলোয়াড় ও ক্রীড়াপ্রেমীদের কাছেও তিনি একজন পরিচিত মুখ।
রোববার (২৩ আগস্ট) কাপ্তাইয়ের কর্ণফুলী মাঠে তাঁর সঙ্গে দীর্ঘ সময় খেলাধুলা নিয়ে আলাপকালে উঠে আসে ফুটবলের অতীত-বর্তমানসহ স্থানীয় ক্রীড়াঙ্গনের নানা বিষয়। এ সময় সাংবাদিকের সঙ্গে তিনি কুশল বিনিময় করেন এবং কাপ্তাইয়ের ফুটবল ও খেলাধুলার উন্নয়ন নিয়ে বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করেন।
জামাল উদ্দিনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কর্মব্যস্ততার মাঝেও তিনি খেলাধুলাকে নিজের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে ধরে রেখেছেন। বিশেষ করে ফুটবলের প্রতি তাঁর ভালোবাসা এখনো আগের মতোই অটুট। মাঠ, খেলোয়াড় ও ক্রীড়াঙ্গনের পরিবেশ তাঁকে সবসময়ই টানে।
কাপ্তাইয়ের সন্তান হিসেবে স্থানীয় তরুণদের খেলাধুলায় এগিয়ে আসার বিষয়ে তিনি আগ্রহী। তাঁর মতে, তরুণ প্রজন্মকে মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। নিয়মিত খেলাধুলার সুযোগ সৃষ্টি করা গেলে কাপ্তাই থেকে আরও অনেক প্রতিভাবান খেলোয়াড় উঠে আসবে।
সাবেক জাতীয় ফুটবলার থেকে বর্তমানে সফল রেফারি—জামাল উদ্দিনের এই দীর্ঘ ক্রীড়াযাত্রা কাপ্তাইয়ের নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।