1. [email protected] : Ghoshana Desk :
  2. [email protected] : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. [email protected] : Masud Khan : Masud Khan
‘উপজেলা প্রশাসন গ্রন্থাগার’ নামের প্রতিবাদে মানববন্ধন, ঐতিহ্য রক্ষার দাবি - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
তেঁতুলিয়ায় মাদ্রাসাছাত্রী অপহরণের ৮ দিন পরও মেলেনি খোঁজ, বাবা-মায়ের আহাজারি গোপালগঞ্জে নানা আয়োজনের মধ্যদিয়ে বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস-২০২৬ পালি খুলনা পিএমজি অফিসের চোরাই গাছ ট্রাকে লোড, রাতে সরানোর ছক ফেনী শর্শদীতে ইউনিয়ন যুবদলের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি দ্বিতীয় দিনে স্কুল ও মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বৃক্ষ রোপন ‘উপজেলা প্রশাসন গ্রন্থাগার’ নামের প্রতিবাদে মানববন্ধন, ঐতিহ্য রক্ষার দাবি যুবসমাজকে বাঁচাতে সীমান্তে বিজিবির সাঁড়াশি অভিযান, ফুলবাড়ীতে বিপুল মাদক জব্দ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রাকের চাকার নিচে প্রাণ হারালেন বাইক চালক কেশবপুরে তথ্য সংগ্রহকালে সাংবাদিকের ওপর হামলা, মণিরামপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ প্রবীণ সাংবাদিকদের মৃত্যুতে বাংলাদেশ প্রবীণ ও কর্মাহত সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদের শোক সভা ঈশ্বরদীতে শিক্ষার্থীকে শাসন করায় শিক্ষিকাকে মারধরের অভিযোগ, থানায় মামলা

‘উপজেলা প্রশাসন গ্রন্থাগার’ নামের প্রতিবাদে মানববন্ধন, ঐতিহ্য রক্ষার দাবি

reporter জয়নাল আবেদিন, বাঞ্ছারামপুর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) 
calendar প্রকাশিত: ২৯ জুন, ২০২৬, ৬:৩৬ অপরাহ্ণ

৩৭ বছরের ঐতিহ্যবাহী বাঞ্ছারামপুর গণপাঠাগারের নাম পরিবর্তনের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি দিয়েছেন ছাত্র-জনতা, কবি-সাহিত্যিক, পাঠক ও সচেতন নাগরিকরা। সোমবার (২৯ জুন) সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বরে ‘ছাত্র-জনতা, কবি-সাহিত্যিক, পাঠক ও সচেতন নাগরিক’ ব্যানারে আয়োজিত মানববন্ধনে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। এ সময় ‘নাম নয়, চাই ঐতিহ্যের সম্মান’, ‘বাঞ্ছারামপুর গণপাঠাগারের মুক্তি চাই’সহ বিভিন্ন দাবিসংবলিত প্ল্যাকার্ড বহন করেন অংশগ্রহণকারীরা।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ১৯৮৭ সালে প্রতিষ্ঠিত বাঞ্ছারামপুর গণপাঠাগার উপজেলার শিক্ষা, সংস্কৃতি ও জ্ঞানচর্চার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর এটি পুনরায় চালু হওয়ায় তারা সন্তোষ প্রকাশ করলেও, জনগণের মতামত উপেক্ষা করে এর নাম ‘উপজেলা প্রশাসন গ্রন্থাগার’ রাখায় তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

বক্তারা বলেন, লাইব্রেরিটি উপজেলা প্রশাসনের অধীনেই পরিচালিত হোক—এ বিষয়ে তাদের কোনো আপত্তি নেই। তবে প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা বজায় রেখেই পাঠাগারের ৩৭ বছরের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের প্রতি সম্মান জানিয়ে এর নাম ‘ফেরদৌস আরা স্মৃতি পাবলিক লাইব্রেরি’ অথবা ‘উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরি’ রাখার জোর দাবি জানান তারা। তাদের মতে, জনগণের দীর্ঘদিনের আন্দোলনের লক্ষ্য ছিল গণপাঠাগারটি পুনরায় চালু করা, নাম পরিবর্তন করা নয়।

বক্তারা আরও বলেন, ১৯৮৭ সালে প্রতিষ্ঠিত পাঠাগারটি ২০১২ সালে নতুন ভবন নির্মাণের জন্য ভেঙে ফেলা হয়। এরপর দীর্ঘ সময় এটি বন্ধ থাকে। ২০১৩ সাল থেকে শিক্ষার্থী, তরুণ সমাজ ও স্থানীয় জনগণ ধারাবাহিকভাবে পাঠাগারটি পুনরায় চালুর দাবি জানিয়ে আসছিলেন। দীর্ঘ আন্দোলনের পর ২০২৫ সালের ২৪ আগস্ট উপজেলা ছাত্রসমাজের আবেদনের প্রেক্ষিতে পাঠাগারটি পুনরায় চালুর সিদ্ধান্ত হয়। সম্প্রতি পাঠাগারটি চালু হলেও অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই এর নাম ‘উপজেলা প্রশাসন গ্রন্থাগার’ রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন বক্তারা।

তারা আরও বলেন, একটি প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক পরিচয় ও ঐতিহ্যবাহী পরিচয় এক বিষয় নয়। প্রশাসনের অধীনে পরিচালিত হলেও পাঠাগারের নাম এমন হওয়া উচিত, যা বাঞ্ছারামপুরের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও জনগণের আবেগের প্রতিফলন ঘটায়।

মানববন্ধন শেষে পাঠাগারের নাম পুনর্বিবেচনার দাবিতে উপজেলা প্রশাসন বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন আন্দোলনকারীরা। স্মারকলিপিতে পাঠাগারের ঐতিহ্য অক্ষুণ্ন রেখে ‘ফেরদৌস আরা স্মৃতি পাবলিক লাইব্রেরি’ অথবা ‘উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরি’—এই দুটি নামের যেকোনো একটি চূড়ান্ত করার আহ্বান জানানো হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com