সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা ২নং পূর্ব ইসলামপুর ইউনিয়নের রাজনগর নতুন বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ে অদ্য দুপুর ১২:০০ ঘটিকার সময় স্কুলের সকল ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকদেরকে নিয়ে এবং এলাকার গণ্যমান্য মুরুব্বিয়ান যুবক ভাইদের সমন্বয়ে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল অভিভাব সম্মেলন। স্কুল পরিচালনা কমিটির সাবেক সভাপতি জনাব শামীম আজাদের সভাপতিত্বে ও প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলামের পরিচালনায় পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি আরম্ভ করা হয়।
সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার অতিরিক্ত ভুমি অফিসার পলাশ তালুকদার। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সমাজসেবক, শিক্ষানুরাগী ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক দুর্দিনের সভাপতি আলহাজ্ব সাহাব উদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পূর্ব ইসলামপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলমগীর আলম, ৪নং ইসা কলস ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাজ্জাদ হোসেন সাজু, উপজেলা প্রকৌশলী আতাউর রহমান।
সূচনা বক্তব্যের সাবেক সভাপতি শামিম আজাদ বলেন, বিদ্যালয়টি ২০১২ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে আমরা সুনামের সহিত শিক্ষকদের মাধ্যমে পাঠদান কর্মসূচি পরিচালনা করে আসছি কিন্তু দুঃখের বিষয় ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত আমাদের বিদ্যালয়ে পাট দান কর্মসূচি আরম্ভ করে আসার পরও নবম শ্রেণীর স্বীকৃতি না থাকায় শহীদ স্মৃতি টুকের বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের অধীনে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা দিতে হচ্ছে। যার ফলশ্রুতিতে পুরোটা ক্রেডিট ওই স্কুলের অধীনে চলে যাচ্ছে। এতদিন যাবত স্কুলটি এমপি ভুক্তি করা সম্ভব হয়নি তাই আমরা এই অভিভাবক সমাবেশটি আপনাদের উপস্থিত সকলকে সাথে নিয়ে বিশেষ করে উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি জনাব সাহাব উদ্দিন ভাইয়ের পরামর্শক্রমে এই সমাবেশর আয়োজন এবং আমাদের চেয়ারম্যান আলমগীর আলমের সার্বিক সহযোগিতা একান্তভাবে কামনা করছি। প্রধান বক্তা আলহাজ্ব সাহাব উদ্দিন তার বক্তব্যে বিদ্যালয়টির প্রশংসা করেন এবং নবম শ্রেণীর স্বীকৃতির জেনারেল ফান্ড ও রিজার্ভ ফান্ডের জন্য উপস্থিত সকলকেই সহযোগিতার হাত বাড়াতে বলেন এবং তিনি নিজেও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন এন সি পি নেতা ওবায়েদ, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আলিম উদ্দিন, সহ-সভাপতি সুমন আহমদ, ৮ নং ওয়ার্ডের সদস্য মোঃ ইব্রাহিম, ৭ ৮ও ৯নং ওয়ার্ড সদস্যা সাহারা খাতুন, জিয়াউর রহমান মিজান, মিজানুর রহমান মধু সরকার, মোঃ উসমান, হাজী এসএম ছগির, মোখলেসুর রহমান, ইসরাফিল আলী, আব্দুল খালেক, ইছবর আলী, আনিসুর রহমান, ফয়জুর রহমান ফজির, আব্দুর রহিম, সামসু, আব্দুল আহাদ, আনিস মিয়া, মোজাফফর প্রমূখ।
বক্তারা সকলেই তাদের বক্তব্যে বলেন, যেহেতু বিদ্যালয়টি আজ অনেকদিন যাবত আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে এমপিও ভুক্তিকরণে পিছিয়ে পড়েছিল এবং যেহেতু এলাকার সকলেই বিশেষ করে প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে যারা পরিশ্রম করে বিদ্যালয়টিকে আজকের এই অবস্থানে নিয়ে আসছেন, তাদের এই শ্রম হয়তো কিছুদিনের ভিতরেই সুফল বয়ে নিয়ে আসবে।