গাজীপুর মহানগর বিএনপির সংগ্রামী সভাপতি জননেতা শওকত হোসেন সরকার গাজীপুর মহানগরের যুবদলের আয়বায়ক মোঃ সাজেদুল ইসলাম
এবং কোনাবাড়ি থানা বিএনপির সংগ্রামী সাধারণ সম্পাদক বাবুল হোসেনের নির্দেশে সকল আন্দোলন ও সংগ্রামে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছেন কোনাবাড়ি যুবদলের মেট্রো থানা সদস্য–সচিব এস এম আজিজুল ইসলাম। দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে তিনি রাজপথে নির্যাতন–নিপীড়নের শিকার হয়ে ঘরছাড়া জীবনযাপন করছেন। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও একের পর এক মিথ্যা মামলার কারণে তাকে বহুবার কারাভোগ করতে হয়েছে। এস এম আজিজুল ইসলাম বলেন, কতদিন যে স্ত্রী–সন্তানের মুখ দেখতে পারিনি, আল্লাহর কাছে কেঁদেছি। খেতে বসলে মনে হতো এই বুঝি পুলিশ আসলো, সন্তানের কাছে গেলেও মনে হতো পুলিশ এসে যাবে। মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাকে অসংখ্যবার জেলে পাঠানো হয়েছে, এসব কোনোদিন ভোলা সম্ভব নয়। তিনি অভিযোগ করেন, স্বৈরাচারী সরকারের দমন–নীপিরনের শিকার হয়েছেন অসংখ্য মানুষ। হাজারো মা তাদের সন্তান হারিয়েছেন, সাধারণ ছাত্র, রিকশাচালক, দিনমজুর থেকে শুরু করে নিরীহ শিশু পর্যন্ত কেউ রক্ষা পায়নি। দুই বছরের বাচ্চাকেও গুলি করে হত্যা করা হয়েছে, স্বৈরাচারী হাসিনা কত মায়ের বুক খালি করেছে। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এস এম আজিজুল ইসলাম বলেন, আমাদের প্রিয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে অন্যায় ভাবে কারাবন্দিত্ব ও শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়ে ছিলেন । আর দেশের বাইরে থেকেও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাহসী নেতৃত্ব দিয়ে আমাদের আন্দোলনকে বাঁচিয়ে রেখেছেন। তাদের দিকনির্দেশনা ও সাহস না থাকলে এ অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হতো না। তিনি আরও বলেন, ৫ আগস্ট ২০২৪ সালের ঐতিহাসিক দিনে সত্য ও ন্যায়ের জয় হয়েছে। জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনতে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি-ই পারে দেশে প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে।