1. [email protected] : Ghoshana Desk :
  2. [email protected] : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. [email protected] : Masud Khan : Masud Khan
১৭ বছরেও জোড়া লাগেনি স্বপ্ন: মৃত্যুফাঁদে ডুবুরীরখাল সেতু, ঝুঁকিতে হাজারো প্রাণ - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
গাজীপুরে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ইমাম সম্মেলন অনুষ্ঠিত সোনারগাঁয়ে মাদক নিরাময় কেন্দ্রে নির্যাতন চালিয়ে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বরিশালে মহাসড়ক অবরোধ। চাটমোহরে ঘোড়া ফজলুর বিরুদ্ধে মামলা। পাঁচ মাদক সেবীর কারাদন্ড মেসার্স মাসকুরা ট্রেডার্সের জেসমিনের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগীদের মানববন্ধন, টাকা ফেরত ও শাস্তির দাবি চৌদ্দগ্রামে জামায়াতে ইসলামীর কর্মীর যুবদলে যোগদান খুলনায় হেলদি সিটি ফোরামের উদ্যোগে বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬ পালিত দীপেন দেওয়ানকে পার্বত্যমন্ত্রী পদে পুনর্বহালের দাবিতে বাঙ্গালহালিয়াতে মানববন্ধন গফরগাঁওয়ে বজ্রপাতে নিহত ১ জলঢাকায় তীব্র দাবদাহে বিপর্যস্ত জনজীবন

১৭ বছরেও জোড়া লাগেনি স্বপ্ন: মৃত্যুফাঁদে ডুবুরীরখাল সেতু, ঝুঁকিতে হাজারো প্রাণ

reporter  এস এম সোলায়মান গনি,কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
calendar প্রকাশিত: ৩ মার্চ, ২০২৬, ২:২০ অপরাহ্ণ

নাগেশ্বরী উপজেলার ভিতরবন্দ ইউনিয়ন-এর জামতলাপাড়া থেকে কচুয়ারপাড়া-মাদাইখাল সংযোগ সড়কের ওপর নির্মিত ডুবুরীরখাল সেতুটি এখন আর শুধু একটি ভাঙা স্থাপনা নয়—এটি হাজারো মানুষের প্রতিদিনের আতঙ্কের নাম। ১৭ বছর আগে বন্যার তোড়ে বিধ্বস্ত হওয়া সেতুটি আজও পুনর্নির্মাণ হয়নি।
ফলে প্রতিদিন স্কুলপড়ুয়া শিশু, কৃষক, ব্যবসায়ী, অসুস্থ রোগী ও গর্ভবতী নারীরা জীবন হাতে নিয়ে পার হচ্ছেন ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের পাটাতন। যে কোনো সময় বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে কার্যকর উদ্যোগের অভাবে হতাশ এলাকাবাসী।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি উদ্যোগ না থাকায় গ্রামবাসী নিজেরাই ভাঙা সেতুর ওপর কাঠের পাটাতন বসিয়ে অস্থায়ী চলাচলের ব্যবস্থা করেন। কিন্তু সময়ের সাথে সেটি হয়ে উঠেছে নড়বড়ে ও বিপজ্জনক। বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করে।
জানা গেছে, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়-এর অর্থায়নে একই স্থানে দুটি সেতু নির্মাণ করা হয়েছিল। নিম্নমানের নির্মাণকাজ ও স্বল্প বাজেটের কারণে নির্মাণের দুই-তিন বছরের মাথায় সেতুগুলো বন্যার স্রোতে ডেবে যায়। সর্বশেষ ২০০৬ সালে নির্মিত সেতুটি ২০০৮ সালের ভয়াবহ বন্যায় সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হওয়ার পর আর কোনো স্থায়ী পুনর্নির্মাণ হয়নি।
ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী হাসেম আলী বলেন,
“এই সেতু দিয়ে ঠিকমতো হাঁটাও যায় না। রোগী নিয়ে হাসপাতালে যেতে হলে কয়েক কিলোমিটার ঘুরতে হয়। অটোরিকশা তো দূরের কথা, সাইকেলও ওঠে না।”
কৃষক রমেশ চন্দ্র বলেন, “বন্যার সময় পাটাতন কাঁপতে থাকে। মনে হয় এই বুঝি ভেঙে পড়বে। আমাদের ছেলে-মেয়েরা ভয় নিয়েই স্কুলে যায়।”ভিতরবন্দ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শফিউল আলম শফি জানান,“২০০৬ সালে নির্মিত সেতুটি নিম্নমানের কাজের কারণে ভেঙে পড়ে। এখানে একটি টেকসই গার্ডার সেতুর প্রস্তাব উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।”
স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত একটি স্থায়ী ও টেকসই গার্ডার সেতু নির্মাণ করা হলে জামতলা ও কচুয়ারপাড়া এলাকার কয়েক হাজার মানুষের যাতায়াত, কৃষিপণ্য পরিবহন ও ব্যবসা-বাণিজ্য সচল হবে। ১৭ বছর ধরে ঝুলে থাকা এই জনদুর্ভোগের অবসান কবে—এ প্রশ্ন এখন পুরো এলাকার মানুষের মুখে মুখে।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com