1. [email protected] : Ghoshana Desk :
  2. [email protected] : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. [email protected] : Masud Khan : Masud Khan
হরিনের মাংসসহ একজনকে আটকের পর ৭০ হাজার টাকা নিয়ে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
গাজীপুরে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ইমাম সম্মেলন অনুষ্ঠিত সোনারগাঁয়ে মাদক নিরাময় কেন্দ্রে নির্যাতন চালিয়ে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বরিশালে মহাসড়ক অবরোধ। চাটমোহরে ঘোড়া ফজলুর বিরুদ্ধে মামলা। পাঁচ মাদক সেবীর কারাদন্ড মেসার্স মাসকুরা ট্রেডার্সের জেসমিনের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগীদের মানববন্ধন, টাকা ফেরত ও শাস্তির দাবি চৌদ্দগ্রামে জামায়াতে ইসলামীর কর্মীর যুবদলে যোগদান খুলনায় হেলদি সিটি ফোরামের উদ্যোগে বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬ পালিত দীপেন দেওয়ানকে পার্বত্যমন্ত্রী পদে পুনর্বহালের দাবিতে বাঙ্গালহালিয়াতে মানববন্ধন গফরগাঁওয়ে বজ্রপাতে নিহত ১ জলঢাকায় তীব্র দাবদাহে বিপর্যস্ত জনজীবন

হরিনের মাংসসহ একজনকে আটকের পর ৭০ হাজার টাকা নিয়ে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ

reporter মোঃ রবিউল হোসেন খান, খুলনা ব্যুরো
calendar প্রকাশিত: ১৮ মে, ২০২৬, ৬:০২ অপরাহ্ণ

খুলনা ডুমুরিয়া মাদারতলায় ১৫ কেজি হরিনের মাংসসহ সুফল মন্ডল (২৮) নামে এক ব্যক্তিকে আটকের পর ৭০ হাজার টাকা ঘুষ নিয়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগে ডুমুরিয়ার মাদারতলা ফাঁড়ি পুলিশের দুই সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। রোববার দুপুরে খুলনা জেলা পুলিশ সুপার তাজুল ইসলাম সাক্ষরিত এক প্রেরিত বার্তায় এ তথ্যটি নিশ্চিত করা হয়। সাথে সাথে অভিযুক্ত দুই পুলিশ সদস্যকে শিরোমনি খুলনা পুলিশ লাইনে সংযুক্ত হতে বলা হয়েছে। উল্লেখ্য, গত ১২ মে বেলা ২ টার দিকে ডুমুরিয়া মাদারতলা এলাকার পরিতোষ মন্ডলের ছেলে সুফল মন্ডলকে মাদারতলা ফাঁড়ির অদুরে টাওয়ার এলাকায় ১৫ কেজি হরিনের মাংসসহ আটক করে ফাঁড়ির দুই পুলিশ সদস্য। তারা হলেন- কং নম্বর ৮৩৯ মো: মাইনুল ইসলাম ও কং- নম্বর ৫৪২ মো: মাুছাব্বির হোসেন। কোন অফিসার ব্যতিরেকে তারা মামলার ভয় দেখিয়ে আটক সুফলের কাছ থেকে নগদ ৭০ হাজার টাকা ঘুষ গ্রহণ ও মাংস ভাগবাটোয়ারা করে নিয়ে তাকে ছেড়ে দেয় বলে অভিযোগ ওঠে। এনিয়ে এলাকায় ব্যাপক সমালোচনার ঝড় ওঠে। তোপের মুখে পড়ে যায় পুলিশের দুই সদস্য। এক পর্যায়ে গত শুক্রবার রাত সাড়ে ১১ টার দিকে সুফলের কাছ থেকে নেওয়া ৪০ হাজার টাকা ফেরত দিতে বাধ্য হন পুলিশের ওই দুই কনেস্টবল। আরোও ১০ হাজার টাকা গত শনিবার রাতে দেওয়ার কথা ছিল বলে জানিয়েছেন সুফলের কাকা প্রকাশ মন্ডল। এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ফাঁড়িতে কর্মরত অধিকাংশ পুলিশ সদস্য ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। তারা বলেন উর্ধবতন কতৃপক্ষ বিষয়টি জানতে চাইলে তারা প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য দিবেন। এবিষয়ে মাদারতলা ফাঁড়ির ইনচার্জ এস আই নাজির হোসেন বলেন, ঘটনার বিষয়ে আমার কোন কিছু জানা ছিল না। পরে বিষয়টি শুনেছেন এবং থানার তদন্ত ওসিকে অবগত করেছেন। খবর পেয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ ( ভারপ্রাপ্ত) ওসি তদন্ত আছের আলী শনিবার রাতে ক্যাম্প পরিদর্শনে যান। তিনি বলেন অপরাধ তো অপরাধই। এবিষয়ে খুলনা জেলা পুলিশ সুপার তাজুল ইসলাম জানান, অভিযুক্ত দুই পুলিশ সদস্যকে সাময়িকভাবে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com