বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি-র রাজনীতিতে ত্যাগ ও সংগ্রামের এক জীবন্ত নাম সিএম আনোয়ার হোসেন। খিলক্ষেত থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা এই নেতা দলের কাছে শুধু একজন কর্মী নন, নেতাকর্মীদের কাছে তিনি “রক্তাক্ত আনোয়ার”।
মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরে আসা
গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলন থেকে শুরু করে জুলাই আন্দোলন পর্যন্ত রাজপথের প্রতিটি কর্মসূচিতে ফ্রন্টলাইনে ছিলেন তিনি। বিগত আন্দোলন-সংগ্রামে ৩ বার গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। পৈশাচিক হামলার শিকার হয়ে একাধিকবার আইসিইউ পর্যন্ত যেতে হয়েছে। চিকিৎসকরা আশা ছেড়ে দিলেও নেতাকর্মী ও এলাকাবাসীর দোয়ায় তিনি বারবার সুস্থ হয়ে আবার রাজপথে ফিরেছেন।
বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী জনাব আমান উল্লাহ আমান এবং ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক জনাব আমিনুল হক তাকে “রক্তাক্ত আনোয়ার” নামে ডাকেন বলে নেতাকর্মীরা জানান।
সংগঠক ও সমাজকর্মী
সিএম আনোয়ার হোসেন কেবল আন্দোলনকারীই নন, একজন সংগঠকও। তার নেতৃত্বে খিলক্ষেত থানা বিএনপি এখন অন্যতম সুশৃঙ্খল ইউনিট। দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল নিরসন ও অঙ্গ-সংগঠন ঐক্যবদ্ধ রাখতে তিনি নিরলস কাজ করছেন।
এলাকার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় প্রশাসনকে সহযোগিতা এবং যেকোনো কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে তার ভূমিকা প্রশংসিত।
মাদক-চাঁদাবাজের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স
রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক নিরাপত্তায়ও অগ্রণী ভূমিকা তার। এলাকাকে চাঁদাবাজ ও মাদকমুক্ত রাখতে তিনি জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছেন। তার কঠোর অবস্থানের কারণে এলাকায় চাঁদাবাজদের উপদ্রব কমেছে বলে দাবি স্থানীয় ব্যবসায়ীদের। তরুণদের মাদকের হাত থেকে বাঁচাতে যুবসমাজকে নিয়ে কাজ করছেন।
মানবিক আনোয়ার
স্থানীয়রা বলেন, রাজপথে তিনি যতটা কঠোর, সাধারণ মানুষের বিপদে ততটাই মানবিক। দল-মত নির্বিশেষে যে কেউ সমস্যা নিয়ে গেলে সহযোগিতা পান। সংবাদকর্মীদেরও যেকোনো প্রয়োজনে পাশে পাওয়া যায়।
খিলক্ষেতের সর্বস্তরের মানুষের মতে, তিনি শুধু রাজনৈতিক নেতা নন, এলাকার একজন অভিভাবক।
এক নজরে সিএম আনোয়ার হোসেন:
– পদ: খিলক্ষেত থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক
– পরিচয়: রাজপথের লড়াকু সৈনিক, “রক্তাক্ত আনোয়ার”
– লক্ষ্য: দলের স্বার্থে জীবন বাজি রাখা, খিলক্ষেতকে মাদক-চাঁদাবাজ মুক্ত করা
–