নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার ধামগড় ইউনিয়নের স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ী হাজী সফরউদ্দীন অভিযোগ করেছেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে তিনি ও তাঁর পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতা ও আতঙ্কের মধ্যে জীবনযাপন করছেন। তাঁর দাবি, বন্দর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাজহারুল ইসলাম হিরণ, সাধারণ সম্পাদক লিটন, ধামগড় ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জাহেদ খন্দকার এবং মাসুম রানাসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ধরনের হয়রানি, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও অর্থ আদায়ের অভিযোগ তুলে আসছেন।
ভুক্তভোগীর ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি দীর্ঘদিনের পরিশ্রম ও ব্যবসা-বাণিজ্যের মাধ্যমে নিজের অবস্থান গড়ে তোলেন। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর একটি প্রভাবশালী চক্র তাঁর ব্যবসায়িক সাফল্য ও সম্পদের প্রতি নজর দেয়। তাঁর অভিযোগ, তাঁকে একাধিক মিথ্যা মামলায় জড়ানো হয়, বাড়িঘরে হামলা ও লুটপাট চালানো হয় এবং বিভিন্নভাবে চাপ সৃষ্টি করা হয়।
সফরুদ্দীনের আরও দাবি, বন্দর থানার তৎকালীন অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তারিকুল ইসলাম, এসআই মাহমুদ ও এসআই জলিলের মাধ্যমে তাঁকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হয় এবং পর্যায়ক্রমে তাঁর কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ আদায় করা হয়।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিষয়টি নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদের কাছে জানানো হলেও তিনি কোনো প্রতিকার পাননি।
ভুক্তভোগী সফরুদ্দীন বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছ থেকেও তিনি প্রত্যাশিত সহযোগিতা পাননি। বরং মিথ্যা মামলার মাধ্যমে তাঁকে আরও হয়রানির শিকার হতে হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
এ পরিস্থিতিতে তিনি প্রধানমন্ত্রীর তারেক রহমান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট সৎ ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের কাছে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি ও তাঁর পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করারও দাবি জানান।