1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@gmail.com : Masud Khan : Masud Khan
  4. mstkfofa@gmail.com : Nx fhqt8p : Nx fhqt8p
  5. wpsvc_fkmdmu@gmail.com : wpsvc_fkmdmu :
  6. xtw18387+1aaa@outlook.com : xtw183871aaa :
ধূলখোলা ইউনিয়নে নদীভাঙন রোধে জরুরি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি বসতভিটা ও ফসলি জমি রক্ষায় সরকারের দ্রুত পদক্ষেপ চান স্থানীয়রা - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
চকরিয়া পাঁচ দিনব্যাপী বৃক্ষরোপন ও বৃক্ষমেলা ও উদ্বোধন দিনাজপুরকে হারিয়ে কক্সবাজারের জয়, শ্রেষ্ঠ বিতার্কিক সাংবাদিক কন্যা সোহানা কবির ভেড়ামারা মহিলা সরকারি কলেজ এ নতুন অধ্যক্ষ যোগদান উপলক্ষে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান স্বাধীনতার ৫৩বছর পর দুর্গম পাহাড়ে শিক্ষার আলোঃ স্বেচ্ছাশ্রমে চলতে পাঠদান,জাতীয়করণের দাবি স্থানীয়দের ফুলে সাজানো গাড়িতে বাড়ি পৌঁছে দেওয়া হলো অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষককে বিরলে অপরাধ দমনে পুলিশের অভাবনীয় সাফল্য: ধরাশায়ী ঘাতকরা, মাদক নিয়ন্ত্রণে ‘জিরো টলারেন্স’ হাটহাজারীতে মাদকবিরোধী র‍্যালি ও সুধী সমাবেশ প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট নিয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত সংবেদনশীল ও দায়িত্বশীল গণমাধ্যম গঠনে খুলনায় মিডিয়া অংশীজনদের সংলাপ ছাতকে জিআইএস-ভিত্তিক গ্রামীণ সড়ক মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নে কর্মশালা

ধূলখোলা ইউনিয়নে নদীভাঙন রোধে জরুরি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি বসতভিটা ও ফসলি জমি রক্ষায় সরকারের দ্রুত পদক্ষেপ চান স্থানীয়রা

reporter মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন
calendar প্রকাশিত: ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৫২ অপরাহ্ণ

বরিশালের হিজলা উপজেলার ধূলখোলা ইউনিয়নে নদীভাঙন রোধে জরুরি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। নদীর অব্যাহত ভাঙনে বসতভিটা, কৃষিজমি, রাস্তাঘাটসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা হুমকির মুখে পড়েছে। ভাঙন অব্যাহত থাকলে অনেক পরিবার তাদের শেষ সম্বলটুকুও হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন।

স্থানীয়রা জানান, নদীবেষ্টিত ধূলখোলা ইউনিয়নের মানুষের জীবন-জীবিকা নদীর সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তবে নদীর তীব্র স্রোত ও পাড় ভাঙনের কারণে প্রতিবছরই নতুন নতুন এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। নদীতীরবর্তী অনেক স্থানে ভাঙনের ঝুঁকি বাড়ায় মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

নদীভাঙনে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন কৃষক ও নদীতীরবর্তী বসবাসকারী পরিবারগুলো। ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ায় কৃষিনির্ভর পরিবারগুলো তাদের আয়ের প্রধান উৎস হারাচ্ছেন। একই সঙ্গে বসতভিটা হারিয়ে অনেক পরিবারকে অন্যত্র আশ্রয় নেওয়ার আশঙ্কায় দিন কাটাতে হচ্ছে।

এদিকে নদীভাঙনের কারণে স্থানীয় সড়ক ও যোগাযোগব্যবস্থাও হুমকির মুখে পড়েছে। গুরুত্বপূর্ণ সড়ক নদীর ভাঙনের কবলে পড়লে ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বিচ্ছিন্নভাবে বালুর বস্তা বা অন্যান্য সাময়িক ব্যবস্থা গ্রহণ করে নদীভাঙনের স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। ভাঙনপ্রবণ এলাকা চিহ্নিত করে প্রয়োজন অনুযায়ী স্থায়ী নদীতীর সংরক্ষণ ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি।

তারা বলেন, নদীভাঙন প্রতিরোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। দ্রুত কারিগরি সমীক্ষা চালিয়ে ভাঙনপ্রবণ এলাকায় জিওব্যাগ, ব্লক ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি নদীতীর সংরক্ষণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা দরকার।

স্থানীয়দের দাবি, ধূলখোলা ইউনিয়নের নদীভাঙনকে জরুরি সমস্যা হিসেবে বিবেচনা করে সরকার দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করুক। পাশাপাশি নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসন ও ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তার ব্যবস্থা করা হোক।

স্থানীয়দের আশঙ্কা, এখনই কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া না হলে নদীভাঙনে আরও বসতভিটা, কৃষিজমি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হতে পারে। তাই ধূলখোলা ইউনিয়নকে নদীভাঙনের হাত থেকে রক্ষায় দ্রুত সরকারি উদ্যোগের দাবি জানিয়েছেন তারা।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com