নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার খুটামারা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের দিগলটারি এলাকায় কৃষিজমির মাটি অবৈধভাবে কেটে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে কচুকাটা বাজার এলাকার রশিদুলের বিরুদ্ধে।
স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে এভাবে কৃষিজমির উর্বর মাটি কেটে বিক্রি করায় একদিকে ফসলি জমির উৎপাদনক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, অন্যদিকে এলাকার গ্রামীণ সড়কও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ট্রাক্টরের মাধ্যমে কৃষিজমির মাটি বিভিন্ন স্থানে পরিবহন করা হচ্ছে। প্রতি ট্রাক্টর মাটি ৮০০ থেকে ১,০০০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে বলেও তারা দাবি করেন। ভারী যানবাহনের চলাচলের কারণে দিগলটারি এলাকার গ্রামীণ সড়ক বেহাল হয়ে পড়েছে। এতে প্রতিদিন দুর্ভোগে পড়ছেন সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী ও কৃষকরা।
অভিযোগের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মীর সঙ্গে অভিযুক্ত রশিদুল অসৌজন্যমূলক আচরণ করেছেন বলেও অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকরা। তাঁদের দাবি, বক্তব্য নিতে গেলে রশিদুল বিভিন্ন আইনের ভয়ভীতি দেখিয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত রশিদুলের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তাঁর কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রকাশ করা হবে।
এ বিষয়ে জলঢাকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জান্নাতুল ফেরদৌস হ্যাপি বলেন, “কৃষিজমি থেকে অবৈধভাবে মাটি কাটার অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হবে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত সড়কের বিষয়টিও খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
স্থানীয়রা অবৈধভাবে কৃষিজমির মাটি কাটা বন্ধ, ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক দ্রুত সংস্কার এবং অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপজেলা প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।