1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@gmail.com : Masud Khan : Masud Khan
চাঁদা না দিলে বাড়ে চুরি-ছিনতাই! নিরাপত্তার নামে নৌযান থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
নড়াইলে কৃষক দলের বৃক্ষ রোপন কর্মসূচির উদ্বোধন নেপাল ৪০ দেশের আন্তর্জাতিক সম্মেলনে আমন্ত্রিত হলেন ইরফান উদ্দিন ইরো নান্দাইলে সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের মরণোত্তর চেক হস্তান্তর ও শিক্ষা বৃত্তি প্রদান পাঁচবিবির আটাপুর ইউনিয়নে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধন করলেন ইউপি চেয়ারম্যান আবু চৌধুরী সখীপুরে বেড়েছে জোঁকের উপদ্রব, চরম ভোগান্তিতে কৃষক চাঁদা না দিলে বাড়ে চুরি-ছিনতাই! নিরাপত্তার নামে নৌযান থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ গণভোট অবৈধ হলে বিএনপির সরকারও অবৈধ, তারেক রহমান অবৈধ প্রধানমন্ত্রী: হালুয়াঘাটে সারজিস ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা)-এর উদ্যোগে চকরিয়ায় বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ বাংলাদেশ গার্মেন্টস ওয়াশিং টেকনোলজিস্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে মৃত লাইফ মেম্বারদের পরিবারের মাঝে বীমার অর্থ প্রদান কুতুবপুরে শ্রমিক দল নেতার নিয়ন্ত্রনে অবৈধ গ্যাস সংযোগের হিড়িক

চাঁদা না দিলে বাড়ে চুরি-ছিনতাই! নিরাপত্তার নামে নৌযান থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ

reporter ছাতক (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি
calendar প্রকাশিত: ২৫ জুলাই, ২০২৬, ৭:৫৩ অপরাহ্ণ

সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার লাফার্জ ফেরিঘাট এলাকা থেকে পেপার মিলস বাজার পর্যন্ত সুরমা নদীর তীরে নোঙর করা বিভিন্ন নৌযান থেকে নিরাপত্তার অজুহাতে প্রকাশ্যে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, চাঁদা দিলে নৌযান নিরাপদ থাকে, আর চাঁদা না দিলে চুরি, ছিনতাই, মারধর ও নানা ধরনের হয়রানির ঝুঁকি বেড়ে যায়।
স্থানীয়ভাবে ‘বডি’ নামে পরিচিত মালবাহী নৌযান, কার্গো, ট্রলারসহ বিভিন্ন নৌযান থেকে দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ চক্র নিরাপত্তা প্রহরীর বেতনের কথা বলে প্রতি নৌযান থেকে ২০০ টাকা করে আদায় করছে বলে অভিযোগ করেছেন নৌযান শ্রমিকরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই এলাকায় প্রতিদিন শত শত মালবাহী নৌযান, কার্গো ও ট্রলার নোঙর করা হয়। এ সুযোগে একটি চক্র নিরাপত্তা প্রহরী নিয়োগের কথা বলে নিয়মিত অর্থ আদায় করছে। অভিযোগ রয়েছে, প্রহরীর বেতনের জন্য প্রতি নৌযান থেকে ২০০ টাকা করে চাঁদা আদায় করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ওই এলাকায় পাথরবাহী ট্রাক থেকেও চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সংশ্লিষ্টদের দাবি, সরকারি টেন্ডার বা বৈধ ইজারা ছাড়া কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর টোল বা মাশুল আদায়ের আইনগত সুযোগ নেই। কিন্তু সেই নিয়ম উপেক্ষা করে একদল লাঠিয়াল ও লাইনম্যান নৌযান ঘাটে ভিড়লেই ২০০ টাকা করে আদায় করছে। এ ঘটনায় আজিম উদ্দিন, তাজির উদ্দিন, শ্রমিক নেতা এলেমানসহ কয়েকজনের নাম উঠে এসেছে। স্থানীয়দের হিসাবে, এভাবে প্রতিদিন প্রায় ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা এবং মাসে প্রায় ৬ থেকে ৭ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এ অবস্থায় নদীপথ ব্যবহারকারী ব্যবসায়ী, মাঝি, নৌযান শ্রমিক ও বডি মালিকেরা অবিলম্বে এ ধরনের অবৈধ অর্থ আদায় বন্ধে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ, নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
তবে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে আজিম উদ্দিন ও তাজির উদ্দিন অর্থ আদায়ের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, এখানে চুরি-ডাকাতি প্রতিরোধে ভলগেট মালিক সমিতির উদ্যোগে নিরাপত্তা প্রহরী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তাঁর বেতন পরিশোধের জন্য নৌযানের ধরন অনুযায়ী ৫০, ১০০ ও ২০০ টাকা নেওয়া হয়।
অন্যদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারকে নির্ধারিত রাজস্ব পরিশোধের পরও নিরাপত্তার নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায় সম্পূর্ণ অবৈধ। তাদের দাবি, চাঁদা দিলে চুরি-ডাকাতি কমে যায় এবং চাঁদা না দিলে অপরাধ বেড়ে যায়-এমন পরিস্থিতি প্রকৃতপক্ষে একটি কৌশলগত চাঁদাবাজির ইঙ্গিত দেয়। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে।
এদিকে ঘটনাটির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ছাতক থানা পুলিশ ও নৌপুলিশের পৃথক দুটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
এ বিষয়ে সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ছাতক-দোয়ারাবাজার সার্কেল) শেখ মোরছালিন বলেন, বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com