কক্সবাজারের চকরিয়ায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও পরিবহনের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান জোরদার করা হয়েছে। প্রশাসনের অভিযানের কারণে অবৈধ বালু উত্তোলনকারীরা কৌশল পরিবর্তন করে মধ্যরাত থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত বালু উত্তোলন ও পরিবহনের চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) ভোর ৬টার দিকে চকরিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শফিউল আলমের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানকালে কৈয়ারবিল ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের জনৈক ফোরকানের বালুমহল থেকে বালুভর্তি একটি ডাম্পার পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে সেটি আটক করা হয়। তবে অভিযানের খবর পেয়ে সংশ্লিষ্ট বালু ব্যবসায়ী ও পরিবহনকারীরা পালিয়ে যায় বলে জানা গেছে।
পরে অভিযানের দল ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের দিকে যাওয়ার পথে কুমারীছড়া এলাকায় অবৈধভাবে বালুভর্তি আরও দুটি ডাম্পার দ্রুত পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় আগে থেকে অভিযানের জন্য অবস্থান করা ভূমি অফিস, পুলিশ ও আনসার সদস্যরা ডাম্পার দুটি আটক করেন।
পরবর্তীতে সাহারবিল ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের শাহপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত একটি স্যালু মেশিন ধ্বংস করে নদীতে ডুবিয়ে দেওয়া হয়।
সাহারবিল থেকে ফেরার পথে চকরিয়া পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাটাখালী ব্রিজের দক্ষিণ পাশে নদীতে বসানো আরও দুটি স্যালু মেশিনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এর মধ্যে একটি স্যালু মেশিন জব্দ এবং অপরটি ধ্বংস করে নদীতে ডুবিয়ে দেওয়া হয়েছে।
অভিযানে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল মনছুর, পুলিশের কর্মকর্তা ও সদস্য, আনসার সদস্য এবং ভূমি অফিসের বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও পরিবহন বন্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।