বরিশাল জেলার ৭ নং ভাসান চর ইউনিয়নে হাজী কান্দা গ্রামে ২ নং ওয়ার্ডে মহিউদ্দিনের কন্যা মাহাদিয়া সপ্তম শ্রেণীর পড়ুয়া ছাত্রী যৌন হয়রানি অভিযোগ উঠেছে। মামলা সূত্রে জানা যায় মহিউদ্দিনের কন্যা ভাসান চর ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সপ্তম শ্রেণীর পড়ুয়া ছাত্রী। দীর্ঘদিন মহিউদ্দিনের কন্যাকে একই গ্রামের আমির হোসেন হাওলাদারবিভিন্ন রকমের খারাপ ভঙ্গিমা করেন। এই ঘটনার ধারাবাহিকতায় গত ৭/৭২০২৫ তারিখ অনুমান ৬টা ২০ মিনিট মেয়ের বাবা তাহার ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল নিয়ে বাহিরে চলে যান। মেয়ের মা আকলিমা একজন ইউপি সদস্য সে তাহার নিজের কাজের জন্যও ইউনিয়ন পরিষদেচলে যান। আমির হোসেন হাওলাদার মহিউদ্দিনের মেয়ে খালি বাড়িতে আছে বলে দেখতে পায়। তখন মহিউদ্দিনের কন্যা বাথরুমে গেলেলম্পট আমির হোসেন মহিউদ্দিনের । কন্যাকে দরজা নক করেন। তখন মহিউদ্দিনের কন্যায় জিজ্ঞাসা করেন কে। আমির হোসেন দ্রুত তাকে দরজা খুলতে বলে তখন মাহাদিয়া বাথরুম থেকে বের হলে আমির হোসেন হাওলাদার, জোরাজুরি করিয়া তাকে যৌন কামনা চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যে মাহাদিয়াকে জঙ্গলের দিকে টেনে নিয়ে যায়। আমার মেয়ে তখন আত্মরক্ষা সম্মানের লম্পট আমির হোসেনের সাথে দস্তা দস্তি করায় করায় আমির হোসেনের লুঙ্গি খুলে যায়। অতঃপর মহিউদ্দিনের দিনের কন্যা মাহাদিয়া আত্মসম্মানের রক্ষার্থে দস্তা দোস্তি করলে আমির হোসেনের লুঙ্গি খুলে পড়ে যায় । উলঙ্গ অবস্থায় আমির হাওলাদার বাড়ির পাশে একটি বিল্ডিং এর চিলা কোঠার মধ্যে পালিয়ে থাকে। তখন মাহাদিয়া ডাক চিৎকার দিলে বাড়ি এলাকার লোকজন দৌড়ে এসে লম্পট আমির হোসেন অবস্থায় দেখতে দৌড়ে এসে লম্পট আমির হোসেন হাওলাদার কে উলঙ্গ অবস্থায় দেখতে পায়। এই ঘটনা সূত্রে মেয়ের বাবা মহিউদ্দিন বাদি হয়ে ৮ ই আগস্ট একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ সূত্রে ঘটনা সত্যতা পেয়ে। কাজিরহাট থানার অফিসার ইনচার্জ মিজানুর রহমানের নির্দেশে ক্রমে ৯ আগস্ট লম্পট আমির হোসেনকের পুলিশ গ্রেপ্তার করেন। এবং মেয়ের বাবা মহিউদ্দিন বাদী হয়ে ঐদিন একটি মামলা দায়ের করেন। অতঃপর লম্পট আমির হোসেনকে আদালতে প্রেরণ করেন