1. [email protected] : Ghoshana Desk :
  2. [email protected] : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. [email protected] : Masud Khan : Masud Khan
আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানিতে দুর্নীতির অভিযোগ, শত কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতির দাবি - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
গাজীপুরে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ইমাম সম্মেলন অনুষ্ঠিত সোনারগাঁয়ে মাদক নিরাময় কেন্দ্রে নির্যাতন চালিয়ে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বরিশালে মহাসড়ক অবরোধ। চাটমোহরে ঘোড়া ফজলুর বিরুদ্ধে মামলা। পাঁচ মাদক সেবীর কারাদন্ড মেসার্স মাসকুরা ট্রেডার্সের জেসমিনের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগীদের মানববন্ধন, টাকা ফেরত ও শাস্তির দাবি চৌদ্দগ্রামে জামায়াতে ইসলামীর কর্মীর যুবদলে যোগদান খুলনায় হেলদি সিটি ফোরামের উদ্যোগে বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬ পালিত দীপেন দেওয়ানকে পার্বত্যমন্ত্রী পদে পুনর্বহালের দাবিতে বাঙ্গালহালিয়াতে মানববন্ধন গফরগাঁওয়ে বজ্রপাতে নিহত ১ জলঢাকায় তীব্র দাবদাহে বিপর্যস্ত জনজীবন

আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানিতে দুর্নীতির অভিযোগ, শত কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতির দাবি

reporter নিজস্ব প্রতিবেদক
calendar প্রকাশিত: ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৭:২০ অপরাহ্ণ

আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানি লিমিটেড (এপিএসসিএল)-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাইদ একরাম উল্লার বিরুদ্ধে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, পটুয়াখালীতে বাস্তবায়নাধীন ১৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ প্রকল্পসহ একাধিক প্রকল্পে কাজ অসম্পূর্ণ রেখেই ঠিকাদারদের বিল পরিশোধ করা হয়েছে, যার ফলে প্রতিষ্ঠানটির শত কোটি টাকার বেশি আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।

সূত্র জানায়, সাইদ একরাম উল্লা বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডে (পিডিবি) পরিচালক (ক্রয়) হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে অনিয়মের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) দায়ের হওয়া একটি মামলার আসামি। মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন থাকায় তিনি পেনশন সুবিধা উত্তোলন করতেও সক্ষম হননি বলে দাবি করা হচ্ছে।

অভিযোগ রয়েছে, সাবেক বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত সাইদ একরাম উল্লা প্রথমে বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি (প্রা.) লিমিটেড এবং পরবর্তীতে আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পান। এই নিয়োগের পর থেকেই অনিয়ম আরও বেড়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা অভিযোগ করেন।

২০২৫ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর বিদ্যুৎ বিভাগের অডিট টিম এপিএসসিএলে অডিট পরিচালনা করে গুরুতর আর্থিক অনিয়মের প্রমাণ পায় বলে দাবি করা হয়। অডিট আপত্তিগুলো বিদ্যুৎ বিভাগের অডিট দপ্তরে সংরক্ষিত রয়েছে বলেও সূত্র জানিয়েছে।

পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ধানখালী ও পাঁচজুনিয়া মৌজায় কয়লাভিত্তিক ১৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য অধিগ্রহণকৃত জমিতে বালু ভরাট, ঢাল ও বাঁধ নির্মাণ, সীমানা প্রাচীর এবং আবাসন প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে প্রকল্প পরিচালক কামরুজ্জামান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকের বিরুদ্ধে।

এছাড়া সাইট অফিস নির্মাণ, গভীর নলকূপ স্থাপন এবং পুনর্বাসন প্রকল্পের আওতায় নির্মিত আবাসিক ঘর, স্কুল ও কমিউনিটি হলের কাজ অসম্পূর্ণ রেখেও ঠিকাদারদের সম্পূর্ণ বিল পরিশোধ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। শুধু এসব অনিয়মেই প্রায় ৬৫ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের।

আরও অভিযোগ রয়েছে, নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না করলেও ঠিকাদারদের কাছ থেকে চুক্তি অনুযায়ী বিলম্ব জরিমানা (LD) আদায় করা হয়নি। এর ফলে এপিএসসিএলের প্রায় ৪০ কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে।

এদিকে এপিএসসিএলের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একাংশ অভিযোগ করেছেন, রাজনৈতিক বিবেচনায় নির্দিষ্ট সংগঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পদোন্নতি দেওয়া হলেও অন্যদের দীর্ঘদিন ধরে পদোন্নতি বঞ্চিত রাখা হয়েছে। এতে প্রতিষ্ঠানের ভেতরে চরম হতাশা ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।

অন্যদিকে কোম্পানির সচিব মোহাম্মদ আবুল মনসুরের বিরুদ্ধেও নিয়োগ সংক্রান্ত গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। ভুয়া সনদে নির্বাহী পরিচালক (অর্থ) পদে নিয়োগ পাওয়া নন্দন চন্দ্র দে’র বিষয়ে গঠিত তদন্ত কমিটি তার চুক্তি বাতিল ও অর্থ ফেরতসহ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করলেও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে এখনো দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ বিষয়ে আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানি লিমিটেড ও বিদ্যুৎ বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com