সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে ব্যতিক্রমী এক নজির স্থাপন করলেন,শাহজাদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক,জনাবা সাবরিনা শারমিন।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি এবং মাননীয় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী প্রফেসর ডঃ এম.এ.মুহিত এম.পির সার্বিক দিক নির্দেশনায় শাহজাদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক,জনাবা সাবরিনা শারমিনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে শাহজাদপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস কর্তৃক বাস্তবায়িত গাড়াদহ ইউনিয়নের মশিপুর বাজার সংলগ্ন ছোট ব্রীজ হতে লালপুর পর্যন্ত পুর্ণঃখাল খননের কাজ শেষ করা হয়েছে।
পুর্ণঃখাল খনন কাজ করতে গিয়ে সরকারের কিছু খাস জমি উদ্ধার হয়েছে। অবৈধভাবে দখল করে থাকা ১০টি বাড়ি এবং একটি দোতলা মার্কেট উচ্ছেদ করা হয়েছে ।
পুর্ণঃখাল খননকৃত করতোয়া নদীর সাথে সংযুক্ত হওয়ায় খালে প্রাণের স্রোত ফিরে পেয়েছে। সুষ্ঠুভাবে শতভাগ কাজ সম্পন্ন করেও ২০ লাখ ৫৭ হাজার ৯৪ টাকার সরকারি কোষাগারে জমা দিয়ে নজির স্থাপন করেছেন। পুর্ণঃখাল খননের নন ওয়েজ অংশের টাকা থেকে ৬ ফুট ডায়ার ১৬ টি আর.সি.সি রিং পাইপ ২টি স্থানে বসানো হয়েছে এবং ৭১৪ টি ফলজ ও বনজ বৃক্ষরোপণ করা হয়েছে।
সরিষাকোল গ্রামের বাসিন্দা,মোঃজাহাঙ্গীর হোসেন (৪৫) পুর্ণঃখাল খনন করায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন,এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী’র প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।
মাকড়কোলা গ্রামের বাসিন্দা মোঃফারহান খানঁ ফাহিম (৪৭) বলেন, আমার জীবনে এই খালে প্রথমবারের মতো বর্ষার পানি দেখলাম এর আগে খালটি সম্পূর্ণ বন্ধ ছিল, সরকারের প্রধানের এই সিদ্ধান্তকে আমি সাধুবাদ জানাই।
মশিপুর গ্রামের মোঃ রাহাত খাঁন (৪৮) জানান, ২০বছর আগে এইখালে বর্ষার পানি আসতো, তখন নৌকা যাতায়াত করত। কিন্তু দীর্ঘ ১৬-১৭ যাবৎ খালটি কিছু কিছু অংশ বিভিন্ন জনের দখলে থাকায়, এবং খাল কোন খবর না হয় বর্ষার পানি আসতো না।বর্তমানে খাল পুনঃখনন হওয়ায় তিনি উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন এবং সরকার প্রধান কে ধন্যবাদ জানান। পুর্ণঃখাল খনন এবং অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে এলাকা কে দৃষ্টিনন্দন করায় শাহজাদপুর বাসীর মধ্যে আনন্দ উল্লাস লক্ষ্য করা গেছে।