1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@gmail.com : Masud Khan : Masud Khan
বন্যার পানি নেমেছে, রয়ে গেছে ধ্বংসস্তূপ-ফারুয়া বাজারের ব্যবসায়ীদের চোখে এখন ক্ষতিপূরণের অপেক্ষা - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
ওয়ালটন প্লাজা রুহিয়া শাখা কর্তৃক মৃত ক্রেতার পরিবারকে আর্থিক সুবিধা হস্তান্তর রামগঞ্জ পৌরসভার ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের প্রাক-বাজেট আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত জামালপুরের রশিদপুরে নিজ উদ্যোগে রাস্তা সংস্কার করলেন সোহেল রানা গৌরনদীতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দুই হাজার গাছের চারা বিতরন ভবানীপুর হাইস্কুলে মৃত প্রধান শিক্ষকের স্বাক্ষর জাল করে দুর্নীতির মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগের অভিযোগ ডিএনসির অভিযানে গাঁজাসহ আটক ৪ কোথাও ৬ মাস, কোথাও ৯ মাস পানি প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহরে ইটের টুকরা পড়ার দাবি নিয়ে ফেসবুক পোস্ট, তদন্তে পুলিশ মির্জা ম্যানসনে বিস্ফোরণ: গ্যাস নাকি গাফিলতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ও মাদক প্রতিরোধে আলোচনা সভা

বন্যার পানি নেমেছে, রয়ে গেছে ধ্বংসস্তূপ-ফারুয়া বাজারের ব্যবসায়ীদের চোখে এখন ক্ষতিপূরণের অপেক্ষা

reporter মিন্টু কান্তি নাথ রাজস্থলী ,(রাঙ্গামাটি)
calendar প্রকাশিত: ১৩ জুলাই, ২০২৬, ৪:৩৫ অপরাহ্ণ

বিলাইছড়ির ফারুয়া বাজারে ভয়াবহ বন্যার পর শতাধিক দোকান ও বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত; সরকারি সহায়তা ও ক্ষতিপূরণের দাবিতে এলাকাবাসী, রাঙামাটির পার্শ্ববর্তী বিলাইছড়ি উপজেলার দুর্গম ফারুয়া ইউনিয়নে ভয়াবহ বন্যার পানি ধীরে ধীরে নেমে গেলেও রেখে গেছে ধ্বংসস্তূপ আর দীর্ঘশ্বাস। এক সময়ের প্রাণচঞ্চল ফারুয়া বাজার এখন কাদামাটি, ভাঙাচোরা দোকানঘর, নষ্ট হয়ে যাওয়া মালামাল আর ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নীরব সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।

সাম্প্রতিক টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় ফারুয়া বাজারের অধিকাংশ দোকানপাট পানিতে তলিয়ে যায়। ব্যবসায়ীদের দোকানে থাকা চাল, ডাল, তেল, কাপড়, ঔষুধ, ইলেকট্রনিকসসহ নানা ধরনের পণ্য নষ্ট হয়ে যায়। অনেক দোকানের আসবাবপত্র ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জামও ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।

শুধু ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নয়, বন্যার তাণ্ডবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অসংখ্য বসতঘর। অনেক পরিবার এখনও ঘরবাড়ি পরিষ্কার ও মেরামতের কাজে ব্যস্ত। স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে হিমশিম খাচ্ছেন তারা।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, বছরের পর বছর ধরে গড়ে তোলা তাদের পুঁজি কয়েক ঘণ্টার বন্যায় শেষ হয়ে গেছে। ঋণ নিয়ে ব্যবসা করা অনেকেই এখন দিশেহারা। দ্রুত সরকারি ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন সহায়তা না পেলে নতুন করে ব্যবসা শুরু করা তাদের পক্ষে প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়বে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দুর্গম এলাকার কারণে ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিচালনায় নানা সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তারা ক্ষয়ক্ষতির সঠিক তালিকা তৈরি করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও ব্যবসায়ীদের দ্রুত আর্থিক সহায়তা প্রদানের দাবি জানিয়েছেন। এদিকে স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, ক্ষয়ক্ষতির তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে। তালিকা চূড়ান্ত হওয়ার পর সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।বন্যার পানি নেমে গেলেও ফারুয়া বাজারের মানুষের মনে এখন একটাই প্রশ্ন—এত বড় ক্ষতির পর আদৌ কি তারা ন্যায্য ক্ষতিপূরণ পাবেন? নাকি সবকিছু আবারও নিজেদের কাঁধেই বহন করতে হবে?  স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলেন, বন্যার পানিতে দোকানের প্রায় সব মালামাল নষ্ট হয়ে গেছে। লাখ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। এখন সরকারি ক্ষতিপূরণ ছাড়া ঘুরে দাঁড়ানো খুব কঠিন।”একজন ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দার বলেন, পানি চলে গেছে, কিন্তু আমাদের কষ্ট যায়নি। ঘরবাড়ি, আসবাবপত্র সব নষ্ট হয়েছে। সরকার যেন আমাদের পাশে দাঁড়ায়।”

মোঃ হারুন,বাজার সভাপতি, বলেন, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বন্যায়্ন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী ও পরিবারের তালিকা প্রস্তুত করে জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সে অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্তদের তথ্য সংগ্রহ করে তালিকা প্রস্তুতের কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং খুব শিগগিরই তা উপজেলা প্রশাসনের কাছে জমা দেওয়া হবে।প্রশাসনের আশা, তালিকা যাচাই-বাছাই শেষে সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী ও পরিবারগুলো প্রয়োজনীয় সহায়তা ও ক্ষতিপূরণ পাবেন।বিলাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ জাকির হোসেন বলেন, আমরা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছি। ক্ষয়ক্ষতির তালিকা প্রস্তুতের কাজ চলছে। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার ব্যবস্থা করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com