নিউজ ডেস্ক
আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, নৌকা মার্কায় ভোট দিন। নৌকায় ভোট দিয়ে স্বাধীনতা এসেছে। উন্নয়ন হচ্ছে। একমাত্র নৌকাই পারে দেশকে এগিয়ে নিতে। নৌকাই একটা মার্কা যে উন্নয়ন দিয়েছে, পানির সমস্যা সমাধান করেছে। ওরা যেন দেশকে ধ্বংস করতে না পারে। দেশকে এগিয়ে নিতে একমাত্র নৌকা মার্কাই পারে।
শনিবার (১৪ অক্টোবর) বিকালে রাজধানীর বিমাবন্দর এলাকার কাওলার সিভিল এভিয়েশন মাঠে আওয়ামী লীগের জনসভায় তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, জানি না বিএনপি নির্বাচনে আসবে কিনা? কারণ তাদের নেতা কে? তারা নির্বাচন বানচাল করার ষড়যন্ত্র করবে। দেশবাসীকে সজাগ থাকতে হবে। উন্নয়ন করতে চাইলে নৌকায় ভোট দিন। কেউ কি বিএনপির কথায় নাচবে? তাদের কথায় চলবে? তারা তো উন্নয়ন করে না। তারা ধ্বংস করে।
বিএনপি-জামায়াত ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে, তারা দেশের উন্নতি সহ্য করে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে জিয়া বা খালেদা জিয়ার কোনো অবদান নেই। বরং তারা ভোট চুরি করে ক্ষমতা দখল করেছে। আর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে যে দেশের উন্নতি হয়, এটা আজ আমরা প্রমাণ করেছি। গত ২৯ বছরে যারা ক্ষমতায় ছিল, তারা দেশের মানুষের জন্য কী করেছে? কিছুই করেনি। যা করেছে আওয়ামী লীগই করেছে।
খালেদা জিয়ার সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, খালেদা জিয়া পাকিস্তানের ধারাবাহিকতা নিয়ে চলতে চেয়েছিল। জাতির পিতার হত্যাকারীকে ভোট চুরি করে পার্লামেন্টে বসিয়েছিল। আর আল বদর, রাজাকার, যুদ্ধাপরাধী, যারা এ দেশে গণহত্যা চালিয়েছে, মা বোনকে ধরে নিয়ে পাকিস্তানের হানাদার বাহিনীর ক্যাম্পে দিয়েছে, তাদের ক্ষমতায় বসিয়েছিল। জিয়াও বসিয়েছিল, এরশাদও, খালেদা জিয়াও। কাজেই দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে এদের কোনো অবদান নেই। তারা সেটা করতেও চায় না। এটাই হচ্ছে সব থেকে দুর্ভাগ্যের বিষয়।
তিনি বলেন, ১৯৯৬ সালে ভোট চুরির অপরাধে খালেদা জিয়াকে আন্দোলনের মাধ্যমে মাত্র দেড় মাসে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছিল। জনগণের আন্দোলনের মাধ্যমে আমরা এ দেশের মানুষের ভোটের অধিকার নিশ্চিত করেছি। নির্বাচনী ব্যবস্থার সংস্কার করেছি। আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই এ দেশের মানুষের জন্য সংগ্রাম করেছে।
ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি বজলুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এস এম মান্নান কচির সঞ্চালনায় এতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ও মহানগরের নেতারা অংশ নেন।