রাজধানীর পল্টনে আজাদ প্রোডাক্টসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে এক জ্যেষ্ঠ সাংবাদিককে লাঞ্ছনা, মারধর, মোটরসাইকেল ভাঙচুর এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি নিয়ে ভুক্তভোগী সাংবাদিক মিজানুর রহমান সুমন নয়া পল্টন মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং-১৩৭৯, তারিখ: ১৯/০৭/২০২৬) করেছেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১৯ জুলাই দুপুর প্রায় ১২টা ৪৫ মিনিটে দৈনিক আমাদের কণ্ঠ পত্রিকার সিনিয়র রিপোর্টার মিজানুর রহমান সুমন একটি সরকারি অফিসে প্রয়োজনীয় কাজে যাওয়ার আগে রাস্তার পাশে তার মোটরসাইকেলটি রাখেন। পরে আজাদ সেন্টারের নিরাপত্তাকর্মী এসে জানান, প্রতিষ্ঠানের মালিক তাকে ডাকছেন। সেখানে গেলে আবুল কালাম আজাদ মোটরসাইকেল রাখার বিষয় নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখান এবং তার সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগীর দাবি, একপর্যায়ে তাকে গালিগালাজ করা হয়, গায়ে হাত তোলা হয়, মোটরসাইকেল ও হেলমেটে আঘাত করা হয় এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে আবুল কালাম আজাদের ছেলে জিয়া মুঠোফোনে বলেন, আমার বাবার বয়স ৭০ বছরের বেশি। বয়সজনিত কারণে তিনি বিষয়টি সঠিকভাবে বুঝতে পারেননি।
এদিকে, অভিযোগের পর ঘটনাটি নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। ভুক্তভোগী ও সচেতন নাগরিকদের দাবি, ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করা হোক এবং অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
উল্লেখ্য, অতীতেও আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে আইনগত জটিলতা ও অভিযোগের খবর বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। তবে এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আদালত ও কর্তৃপক্ষের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তই আইনি সত্য হিসেবে বিবেচিত হবে।
সচেতন মহলের বক্তব্য, আইনের দৃষ্টিতে সবাই সমান। ব্যক্তি যতই প্রভাবশালী হোন না কেন, কোনো অভিযোগ উঠলে তার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং আইনের শাসন নিশ্চিত করাই রাষ্ট্রের দায়িত্ব।