দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক জীবনে সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করে আসা মোঃ তরিকুল ইসলাম (সজিব) নতুন রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের কথা জানিয়েছেন।
তিনি জানান, রাজনৈতিক জীবনের শুরু থেকেই জনগণের কল্যাণ, সামাজিক উন্নয়ন এবং গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করে গেছেন। তিনি ২০২৩ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল পুংগলী ইউনিয়ন শাখার সাধারণ সম্পাদক এবং ২০২৫ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তৃণমূল দল পাবনা জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
তরিকুল ইসলাম অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার সময় তিনি একাধিকবার হামলা, হুমকি ও হয়রানির শিকার হন। ২০২৫ সালে তার তানিয়া গার্মেন্টস অ্যান্ড এন্টারপ্রাইজ”-এ কিছু ব্যক্তি প্রবেশ করে নেশাজাতীয় দ্রব্য সেবন করতে থাকে। আমি বাধা দিলে তারা আমাকে শারীরিকভাবে আক্রমণ করে গুরুতর আহত করে। পরবর্তীতে আমি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা গ্রহণ করি এবং ২৪ মার্চ ২০২৫ তারিখে আদালতে মামলা দায়ের করি (সিআর নং-৮০/২০২৫)।
এরপর ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে দিঘুলিয়া বাজারে যাওয়ার পথে আবারও আসামীগন ও তাদের গ্যাং বাহিনী আমার চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে এবং আমাকে মারধর করে। আমাকে জোরপূর্বক একটি নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে ৬০ হাজার অর্থ দাবি করা হয় এবং পূর্বে দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহারের জন্য বিভিন্ন ধরনের হুমকি প্রদান করা হয়।
শুধু আমি নই, আমার পরিবারের সদস্যরাও হামলা, হুমকি ও হয়রানির শিকার হয়েছেন। ৯ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে আমার বড় ভাই শরিফুল ইসলাম ও চাচাতো ভাই আশিক মন্ডলের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এতে তারা গুরুতর আহত হন , একজনের মাথায় ১৪ টি সেলাই ও আরেক জনের মাথায় ৪ কি সেলাই দিয়ে তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হয় ফরিদপুর উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে। এ ধরনের ঘটনাগুলো আমাদের পরিবারকে চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে ফেলে দেয়।
এছাড়াও বিভিন্ন সময়ে আমার বসতবাড়ি দখলের চেষ্টা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হয়রানি, সামাজিকভাবে অপমান ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে বিএনপি নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে। এসব ঘটনার প্রতিকার চেয়ে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হলেও কাঙ্ক্ষিত ন্যায়বিচার পাননি বলে উল্লেখ করেন তিনি।দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ত্যাগ ও অবদানের পরও নিজেকে অবহেলিত ও নিরাপত্তাহীন মনে করায় জনগণের সেবা, উন্নয়ন এবং ইতিবাচক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের লক্ষ্যে নতুন রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন বলে জানান তরিকুল ইসলাম। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন।
এ সময় তিনি বলেন, “প্রতিহিংসার রাজনীতি নয়, মানুষের কল্যাণ, উন্নয়ন ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের রাজনীতিতেই আমি বিশ্বাস করি। ভবিষ্যতেও জনগণের পাশে থেকে দেশের উন্নয়ন ও সমাজকল্যাণে কাজ করে যেতে চাই