১৬ সেপ্টেম্বর, নরসুন্দর দিবস। এ দিনটি বিশেষভাবে উৎসর্গ করা হয় সেইসব পরিশ্রমী, দক্ষ ও সৃজনশীল মানুষদের জন্য, যারা আমাদের চুল, দাড়ি ও বাহ্যিক সৌন্দর্য নিয়ে কাজ করেন—তারা হলেন নরসুন্দর।
নরসুন্দর পেশাটি যতটা সাধারণ মনে হয়, ততটাই গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে সুস্থ, পরিষ্কার ও পরিপাটি থাকতে এই পেশার অবদান অনেক। চুল কাটা, শেভ করা, স্টাইলিং—সবকিছুতেই তাদের হাতের ছোঁয়া আমাদের আরও আত্মবিশ্বাসী করে তোলে।
অনেকেই ভাবেন, নরসুন্দর মানেই শুধু চুল কাটা। কিন্তু এর বাইরেও তাদের কাজের পরিসর অনেক বড়। তারা আমাদের চেহারায় পরিবর্তন এনে দেন, মনকে প্রফুল্ল করে তোলেন, এমনকি কারও কারও আত্মপরিচয়ের অংশ হয়ে ওঠেন। বিশেষ কোনো অনুষ্ঠান, বিয়ে বা উৎসবে সাজগোজের সময় তাদের ভূমিকা ভুলে যাওয়া যায় না।
দীর্ঘ সময় ধরে দাঁড়িয়ে থেকে কাজ করা, প্রতিদিন বিভিন্ন মানুষের চাহিদা অনুযায়ী সেবা দেওয়া, আধুনিক স্টাইল সম্পর্কে আপডেট থাকা—এই সবই একজন নরসুন্দরের দৈনন্দিন জীবনের অংশ। তাই তাদের কাজের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা জানানো উচিত বলে মনে করেন আয়েজকরা
জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ সেলুন শ্রমিক ফেডারেশন আয়োজিত মানববন্ধন কেক কাটা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় । এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সেলুন শ্রমিক ফাউন্ডেশন, কেন্দ্রীয় কমিটি র প্রধান উপদেষ্টা, আশীষ বিশ্বাস ,সভাপতি, সাগর দেওয়ান ,সহ-সভাপতি, অনিল রবিদাস ,সহ-সভাপতি, সুমন ,সাধারণ সম্পাদক, লিটন মোল্লা ,সহ সাধারণ সম্পাদক,রিপনশীল ,সাংগঠনিক সম্পাদক, নুরুজ্জামান ,সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, বাবু ,প্রচার সম্পাদক, বিধান ,অর্থ সম্পাদক, সঞ্জীব শীল ,বাণিজ্য সম্পাদক, কমল ,সাংস্কৃতিক সম্পাদক, নিরত, দপ্তর সম্পাদক, হাফিজ , স্বেচ্ছাসেবক সম্পাদক, রুবেল , মহিলা সাংগঠনিক সম্পাদক , তুলিকা গম প্রমুখ।