নড়াইল জেলা লোহাগড়া উপজেলার ০৮নং দিঘলিয়া ইউনিয়নের চরদিঘলিয়া গ্রামের বাসিন্দা মোঃ লিমন মল্লিকের স্ত্রী মোসাঃ সুমনা ফেরদৌস (৩৬)কে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যার অভিযোগে স্বামী লিমন মল্লিক(৩০)কে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল সোমবার ১৫জুন রাতে তার নিজ বাড়িতে অবস্থানরত অবস্থায় লোহাগড়া থানার দিঘলিয়া ইউনিয়নের কর্তব্যরত বীটপুলিশ এস আই মোঃ রবিউল ইসলাম,এ এস আই ইকবল হোসেন বিষয়টি বিবেচিত করে এলাকার সাধারন মানুষের সাথে কথা বলে স্রতাহাল রিপোর্ট করেন,উপস্থিত ছিলেন চরদিঘলিয়া ওয়াড মেম্বার অমল কৃষ্ণ ঘোষ সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিগন।যে ঘরটিতে রশি দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছে প্রমানিত হয় নিজে নিজে আত্মহত্যা করেনি,হত্যা করে ঝুলিয়ে রেখেছে বলে অনেকেরই ধারনা,তদন্তে উঠে আসে বিছানায় রক্ত দেখতে পায় প্রশাসন।এদিকে পাষন্ড স্বামী লিমন মল্লিক বলেন আমি গাছকাটার কাজ করি দিনমুজুর আমার দ্বিতীয় স্ত্রী সুমনা,তার বাড়ি ঢাকা নারায়ণগঞ্জ জেলাতে।তথ্য বেরিয়ে আসে এর আগে মৃত নারীর দুটি বিবাহ হয়েছিলো এবং সন্তান ও রয়েছে।টিকটকের কারনে প্রথম স্বামী তালাক দিয়ে দেন।লিমন বলেন আমি যখন কাজ করতে যাই বা বাড়ির বাহিরে থাকি আমার চোখফাঁকি দিয়ে টিকটক করে এবং অশ্লীল ভিডিও করে পোষ্ট করে,পাশাপাশি কয়েকটি ছেলের সাথে সম্পর্ক করে, আমি তার চরিত্র ও টিকটকের বিষয়টি হাতেনাতে ধরি এবং ধরার পর ও অস্বীকার করে,এই ঘটনা নিয়ে সুমনাকে মারধর করি,ঘটনার দিন সকালে আমি আমার স্ত্রীকে মারধর করি এবং এটাকে কেন্দ্র করে ঝামেলার সৃস্টি হয়।লিমন আরও বলেন আমি ফোন করে জানিয়ে দিয়েছি আমার শাশুড়িকে আপনার মেয়েকে মেরে ফেলেছি আপনি আমার বাড়িতে এসে নিয়ে যান বলে ফোন কেটে দেয়।এসময় লোহাগড়া থানার অফিসারগন বিষয়টি রহস্যজনক মনে হলে অফিসার ইনচার্জ ওসি মহোদয়কে অবহিত করেন,তাৎক্ষনিক ঘটনাস্থলে ওসি মহোদয় কিছু ফোর্স নিয়ে উপস্থিত হয় ঘটনাস্থলে,উপস্থিত থাকা লোকজনের সাথে কথা বলে জানতে পারেন বা লাশের কিছুটা সনাক্ত করে অনুধাবন করেন আসলেই মৃত্যুটি রহস্যজনক,সকল কিছুর অবসান ঘটিয়ে উপস্থিত লোকজনের সাক্ষী রেখে রাত ১২টার সময় লাশ থানায় নিয়ে যায় এবং ১৬/৬/২৬ইং মঙ্গলবার বেলা ১২টার দিকে লাশ পোস্টমর্টেমের জন্য নড়াইল সদর হাসপাতালে প্রেরন করেন।সন্ধেহ হলে স্বামী লিমন মল্লিককে জেলহাজতে প্রেরন করেন,সামান্য জিজ্ঞাসাবাদে স্বামী লিমন নিজে স্বীকার করেছে তার স্ত্রীকে হত্যা করেছে।মৃত সুমনা ফেরদৌস এর মা সহ আত্মীয় স্বজন লোহাগড়া থানায় দেখতে আসে,মিডিয়াকর্মীদের ক্যামেরার সামনে বলেন আমার মেয়ে আত্মহত্যা করে নাই তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেন,মামলা করবেন কিনা তা এখন তথ্য পাওয়া যাইনি।তবে তারা আইনের প্রতি শ্রোদ্ধা রেখে বলেন আমরা আইনের প্রতি বিশ্বাস ও আস্থা আছে প্রশাসন যেনো সঠিকভাবে তদন্ত করে সত্য ঘটনা বের করতে পারবে।সমাজের সচেতন মহলের দাবি সুষ্ঠ তদন্তে সাপেক্ষ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক যাতে করে এমন কাজ যেনো না করতে পারে বা সাহস না পায়।