1. [email protected] : Ghoshana Desk :
  2. [email protected] : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. [email protected] : Masud Khan : Masud Khan
ধুলশুরা ইউনিয়নে সহকারী ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ ও দুর্নীতির অভিযোগ - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বরিশালে মহাসড়ক অবরোধ। চাটমোহরে ঘোড়া ফজলুর বিরুদ্ধে মামলা। পাঁচ মাদক সেবীর কারাদন্ড মেসার্স মাসকুরা ট্রেডার্সের জেসমিনের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগীদের মানববন্ধন, টাকা ফেরত ও শাস্তির দাবি চৌদ্দগ্রামে জামায়াতে ইসলামীর কর্মীর যুবদলে যোগদান খুলনায় হেলদি সিটি ফোরামের উদ্যোগে বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬ পালিত দীপেন দেওয়ানকে পার্বত্যমন্ত্রী পদে পুনর্বহালের দাবিতে বাঙ্গালহালিয়াতে মানববন্ধন গফরগাঁওয়ে বজ্রপাতে নিহত ১ জলঢাকায় তীব্র দাবদাহে বিপর্যস্ত জনজীবন ৪ দফা দাবিতে ইস্টার্ন রিফাইনারি শ্রমিকদের টানা বিক্ষোভ, কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি শিশুশ্রম থেকে শিশুদের দুরে রাখা বড় চ্যালেঞ্জ : আব্দুল্লাহ হারুন

ধুলশুরা ইউনিয়নে সহকারী ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ ও দুর্নীতির অভিযোগ

reporter বিশেষ প্রতিনিধি
calendar প্রকাশিত: ১৫ মার্চ, ২০২৬, ২:৪৬ অপরাহ্ণ

নামজারি থেকে জমির রেকর্ড সংশোধন—সব কাজেই ঘুষ দাবি, তদন্তে নানা অনিয়মের তথ্য পাওয়া যায়। মানিকগঞ্জ জেলার ধুলশুরা ইউনিয়নের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা রাকিব হাসানের বিরুদ্ধে ঘুষ, দুর্নীতি ও অনিয়মের একাধিক অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, তিনি ধুলশুরা ও হারুকান্দি—এই দুই ইউনিয়নে দায়িত্ব পালন করছেন এবং ভূমি সংক্রান্ত প্রায় সব কাজেই ঘুষ দাবি করা হয়।

অভিযোগ রয়েছে, নামজারি, জমির রেকর্ড সংশোধনসহ বিভিন্ন কাজে ঘুষ না দিলে সংশ্লিষ্ট ফাইল দীর্ঘদিন টেবিলে পড়ে থাকে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘুষ ছাড়া কোনো কাজ এগোয় না।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, আব্দুল হাকিম গং এর পৈত্রিক সুত্রে পাওয়া ২৫ শতক জমি জাল দলিলের মাধ্যমে জালাল মোল্লার নামে করে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে ওই জমি জামেলা বেগম, শারমিন, মোঃ কাজল মোল্লা, মিলন মোল্লা, এবং কিরন মোল্লার নামে নামজারিও করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে সহকারী ভূমি কর্মকর্তা রাকিব হাসান সাংবাদিকদের মুখ বন্ধ রাখতে মোটা অঙ্কের টাকা প্রস্তাব করেছিলেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

এছাড়া ২০২৩ সালে ধুলশুরা ইউনিয়নের সিকস্তি জমিও টাকার বিনিময়ে নামজারি করে দেওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে দাবি করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, সিকস্তি জমির ক্ষেত্রে শতাংশ প্রতি ২ থেকে ৩ হাজার টাকা নিয়ে নামজারি করা হতো। কোনো কোনো ক্ষেত্রে ৪০ থেকে ৮০ শতাংশ জমির নামজারি টাকার বিনিময়ে সম্পন্ন হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

দুর্নীতির অভিযোগে কয়েকটি দাগ নম্বরও উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে— দাগ: ৩০২১, শ্রেণি: নাল, পরিমাণ: ৬ একর,দাগ: ৩৯১৬ ও ৩৯১৭, শ্রেণি: নাল, পরিমাণ: ৭৯.৫ শতাংশ,দাগ: ৫২৬৩, শ্রেণি: নাল, পরিমাণ: ২৫ শতাংশ।

এছাড়া ভুল রেকর্ড সংশোধনের জন্যও ৪০ হাজার টাকা দাবি করার অভিযোগ রয়েছে। ভুক্তভোগীদের মতে, খতিয়ান ২৬৫–এর একটি রেকর্ড ভুল করে ৪৯২৬ হওয়ায় তা সংশোধনের জন্য এই টাকা চাওয়া হয়।

ভুক্তভোগীরা জানান, “টাকা ছাড়া নায়েব কোনো কাজ করেন না। এমন দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা আমাদের ইউনিয়নে আমরা চাই না।” এ বিষয়ে অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্য সহকারী ভূমি কমিশনারকে জানানো হলে তিনি তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেন। তিনি জানান, জাল দলিলের মাধ্যমে করা জালাল মোল্লার নামজারি বাতিলের জন্য আবেদন করা হয়েছে এবং তা বাতিল হিসেবে গণ্য হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়ম আর হতে দেওয়া হবে না বলেও তিনি আশ্বাস দেন।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com