1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. api@wordpress.local : apisystem :
  3. backupadmin@wordpress.com : backupadmin :
  4. admin@hosting.panel : hosting.panel :
  5. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  6. system@openreplay.com : wp-backup :
তফসিল বদল, প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ: আস্থার সংকটে ব্রাকসু - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
দুর্বল ট্রাফিক ব্যবস্থায়,চকরিয়া শহরে তীব্র যানজটের প্রধান কারণ আট বছর ধরে ক্রাচে ভর করে চলছে জীবন : সংসার—সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কায় শ্যামল মোহনগঞ্জে ধর্ষণ মামলা : অভিযুক্ত কারাগারে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ: মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদ ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্রবিহীন পিয়ার পুরের এম আর বি ব্রিকস’ ইটভাটাটি ভেঙে দেওয়া হয় ‎বৃস্টির পানিতে তলিয়ে তামাইয়ের সড়ক, পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা নিয়ে দ্রুত স্থায়ী সমাধানের দাবি এলাকাবাসী এনসিপির ভোলা জেলার নতুন কমিটি ঘোষনার পরই সাংগঠনিক সম্পাদক এর পদত্যাগ ভেড়ামারায় শিক্ষার মানোন্নয়নে আলোচনা সভা ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের সংবর্ধনা প্রদান চাঁপাইনবাবগঞ্জে এসবিআর অভিযানে ১ কেজি ৮২৬ গ্রাম হেরোইনসহ যুবক গ্রেফতার পাশে থাকলে গোবিন্দলের চেহারা পাল্টে দেব’—এমপি শান্ত

তফসিল বদল, প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ: আস্থার সংকটে ব্রাকসু

reporter পারভেজ হাসান, বেরোবি প্রতিবেদক
calendar প্রকাশিত: ৮ জানুয়ারি, ২০২৬, ২:৪৮ অপরাহ্ণ

একের পর এক প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগে চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ব্রাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন। দীর্ঘ আন্দোলন ও আমরণ অনশনের পর শুরু হওয়া এই নির্বাচন প্রক্রিয়া বাস্তবায়নে ব্যর্থ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

প্রতিষ্ঠার ১৭ বছর পর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমবারের মতো ছাত্র সংসদ নির্বাচনের আয়োজন করা হলেও প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বারবার পদত্যাগে অচল হয়ে আছে পুরো প্রক্রিয়া। তৃতীয়বারের মত, গত ১১ নভেম্বর, ২০২৫ প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয় পরিসংখান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শাহজামানকে। ভোটার তালিকা সংশোধন ও তফসিল পরিবর্তন নিয়ে বিভিন্ন মহলের সমালোচনার মুখে ১১ ডিসেম্বর তিনি পদত্যাগ করেন। এটি তৃতীয়বারের মতো ব্রাকসু নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ।

এর আগে ৫ নভেম্বর প্রথম প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক মো. ফেরদৌস রহমানকে দায়িত্ব প্রদানের মাত্র ১৮ ঘণ্টার মধ্যে তিনি পদত্যাগ করেন। এরপর ড. শাহজামানকে নিয়োগ দেওয়া হলে তিনি ২৬ নভেম্বর পদত্যাগ করেন। পরবর্তীতে ১ ডিসেম্বর পদত্যাগ প্রত্যাহার করে দায়িত্বে ফিরলেও আবারও সরে দাঁড়ান তিনি।

এছাড়াও গত নভেম্বর থেকে শুরু হওয়া নির্বাচন প্রক্রিয়ায় তিন দফা তফসিল পরিবর্তন করা হয়েছে। প্রথমে ভোটের তারিখ ২৯ ডিসেম্বর, এরপর ২৪ ডিসেম্বর এবং সর্বশেষ ২১ জানুয়ারি নির্ধারণ করা হয় । ভোটার তালিকায় অসংগতি থাকায় ১ ডিসেম্বর স্থগিত করা হয় নির্বাচন । এরপর ১০ ডিসেম্বর নতুন তফসিল ঘোষণা করা হলেও প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদ শূন্য থাকায় এগোচ্ছে না নির্বাচন কার্যক্রম ।

ব্রাকসু নিয়ে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী ফাহিম আহমেদ বলেন, “আমি মনে করি ব্রাকসু আমাদের অধিকার। শহীদ আবু সাইদ এর ক্যাম্পাসে ছাত্র সংসদ নির্বাচন সবার আগেই হওয়া উচিত ছিল। কারণ এই ক্যাম্পাস থেকেই বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের আগুন ছড়িয়ে পড়েছে। আর ব্রাকসু না হওয়ার পিছনে বা নির্বাচন কমিশনারের বারবার পদত্যাগ নাটক দেখে মনে হচ্ছে প্রশাসন ব্রাকসু চায় না । তাদের নিজের স্বার্থ ও সুবিধার জন্য এমন টালমাটাল শুরু করে সময় নষ্ট করছে। আমরা জাতীয় নির্বাচনের আগেই ব্রাকসু চাই।“

ভিপি পদপ্রার্থী ইইই বিভাগের শিক্ষার্থী আশিকুর রহমান আশিক দৈনিক ঘোষণাকে বলেন, “ব্রাকসু আমাদের অধিকার। ব্রাকসু প্রতিষ্ঠায় আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। প্রধান নির্বাচন কমিশনার এর পদত্যাগ,ভোটার তালিকার ইস্যু কে কেন্দ্র করে ব্রাকসুকে রুখে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে ১১ জানুয়ারী আবারো মাঠে নামবো ইনশাআল্লাহ। ব্রাকসু আদায়ে এক বিন্দু ছাড় নয়। প্রশাসন যদি মনে করে ব্রাকসু না দিয়ে তারা অন্য কারো ম্যান্ডেট পূরণ করবে তাহলে তারা ভুলের মাঝে আছে। শিক্ষার্থীদের ম্যান্ডেট নিয়ে প্রশাসন কে কাজ করতে হবে এবং ব্রাকসু জানুয়ারি তে দিতে হবে।”

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শওকাত আলী দৈনিক ঘোষণাকে বলেন, “ব্রাকসু নির্বাচন শিক্ষার্থীদের জোরালো দাবি এবং সেটি সম্পন্ন করা আমাদের দায়িত্ব। তবে অনেক চেষ্টা সত্ত্বেও শিক্ষকরা প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব নিতে আগ্রহী হচ্ছেন না। প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো গাফিলতি নেই। এক মাসে তিনটি সিন্ডিকেট সভা হয়েছে। কিন্তু শিক্ষকরা রাজি না হলে প্রশাসনের এককভাবে কিছু করার সুযোগ নেই। এমনকি সিন্ডিকেটের অধ্যাপক সদস্যরাও এই গুরুদায়িত্ব নিতে অনীহা প্রকাশ করেছেন। অনেক সময় শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ভাষায় গালিগালাজ ও পারিবারিক চাপের মুখে পড়তে হয়, যার কারণে তারা এই দায়িত্ব নিতে চান না।”

ব্রাকসু নির্বাচন এখন শুধু একটি প্রশাসনিক প্রক্রিয়া নয়, বরং তা পরিণত হয়েছে শিক্ষার্থীদের অধিকার, আস্থা ও অংশগ্রহণের প্রশ্নে। সংকট দ্রুত নিরসন না হলে আরও তীব্র আন্দোলন কর্মসূচীর ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com