গাইবান্ধা জেলা পলাশবাড়ী উপজেলা হাঁস বাড়ি গ্রামে গড়ে ওঠা কোটি কোটি টাকা অর্থ ব্যয় হিন্দু সম্প্রদায় গড়ে তুলেছেন শ্রী শ্রী রাধা গোবিন্দ কালী মন্দির। উক্ত মন্দিরটি নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত ধরে মুসলমান সম্প্রদায়ের সঙ্গে তর্ক-বিতর্কের সৃষ্টি হলেও অবসান হয়নি উভয় পক্ষের মধ্যেও কোনো সমঝোতা। বরং দিনের পর দিন উক্ত মন্দির নিয়ে মুসলমান সম্প্রদায়ের মধ্যেও চলছে উৎকণ্ঠা ও উদ্বেগ। হরিদাস বাবু নামে একজন উক্ত মন্দিরটি প্রতিষ্ঠিত করেন, মন্দিরটি খোলা জায়গায় নির্মাণ করা হলে ১৮ ফুট লম্বা একটি শিব মূর্তি তৈরি করেন খোলা জায়গায় হিন্দু সম্প্রদায় ব্যক্তিরা। ফলে মুসলমানের মধ্যে নেমে আসে সনাতন ধর্ম নিয়ে ভিন্ন ধরনের মন্তব্য বহু জল্পনা কল্পনার মধ্য দিয়েও দিনের পর দিন উৎকণ্ঠা উদ্বেগ বেড়েই চলেছে, খোলাফত আন্দোলন মুসলমান সম্প্রদায় উক্ত মন্দিরটি নিয়ে বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দিলে হাজারো মুসলমান যোগ দেন উক্ত মিছিলটিতে, ফলে গাইবান্ধায় হিন্দু সম্প্রদায় ব্যক্তিরা কিছুটা বিপাকে পড়েছে, জনমনে প্রশ্ন জাগিয়েছে, উক্ত মন্দিরটি কোটি কোটি টাকা ব্যয় নির্মাণ করা হলেও প্রশ্ন রয়েছে হরিদাসবাবু এত টাকা পাইলেন কোথায় থেকে, এত টাকা দিয়ে মন্দির নির্মাণ করা টাকা কোথায় থেকে এসেছে, হরিদাস বাবু কোটি কোটি টাকা কোথায় পেলেন এত টাকা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে সচেতন মহলের মধ্যে, সচেতন মহল দাবী করেন, উক্ত টাকা আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা থাকাকালীনে প্রধানমন্ত্রীর একান্ত ব্যক্তির পরিচয় দিয়ে কোটি কোটি টাকা উপার্জন করেছেন উক্ত মন্দিরে প্রতিষ্ঠাতা হরিদাস বাবু। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান উক্ত মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা একের অধিক একাধিকবার ইতিমধ্য প্রশাসনের নিকট প্রতারণার দায়ে গ্রেফতার হয়েছিলেন, তারই ধারাবাহিকতায় উক্ত মন্দির কে কেন্দ্র করে চলছে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল, হিন্দু সম্প্রদায় দাবি করেন উক্ত মন্দিরের কাজ চলমান থাকিবে, অপরদিকে মুসলমান সম্পদের দাবি করেন শিব মন্দির ভাঙতে হবে, এখন সময়ের দাবি প্রশাসন কিভাবে মুসলমান সম্প্রদায় ও হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে কি সমঝোতা আসবে, নাকি নতুন করে মোড় নিবে উভয় পক্ষের মধ্য। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ব্যক্তি জানান, বাংলাদেশে ৯২% মুসলমান সম্প্রদায়ের লোক বসবাস করেন, অন্যান্য ধর্মাবলম্বী ৮ % লোক বসবাস করেন, হিন্দু ও মুসলমানের মধ্যেও সংঘাত ময় পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে হাড়াতে পারে অনেক জীবন, উক্ত সংঘাতময় পরিস্তিতি সৃষ্টি হওয়ার আগেই প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন সচেতন মহল।