খুলনার পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রসূতি ওয়ার্ড ও অপারেশন থিয়েটার আজ চরম সংকটাপন্ন অবস্থায় রয়েছে। অ্যানেস্থিশিয়া চিকিৎসকের অনিয়মিত উপস্থিতির কারণে উপকূলীয় এই জনপদের সাধারণ ও দরিদ্র গর্ভবতী মায়েদের জীবন আজ মারাত্মক ঝুঁকি ও অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। ডিজিটাল যুগে বায়োমেট্রিক অ্যাটেনডনেস দেখলে বিষয়টি ভালো ভাবে জানা যাবে। খুলনা থেকে যাতায়াত এবং অফিশিয়াল অ্যাটাচমেন্টের সুযোগ নিয়ে অভিযুক্ত চিকিৎসক সপ্তাহের চার দিন ফুলতলা ও এক দিন কয়রা হাসপাতালে দায়িত্ব পালন করছেন। পাইকগাছা হাসপাতালে তিনি নামমাত্র সপ্তাহে কেবল এক দিন উপস্থিত থাকেন, যার ফলে বাকি ছয় দিনই অপারেশন থিয়েটার (OT) সম্পূর্ণ বন্ধ থাকে। পাইকগাছার এই প্রান্তিক ও সাধারণ মানুষের আর্থিক সামর্থ্য খুবই সীমিত হওয়ায় জরুরি মুহূর্তে অতিরিক্ত ঝুঁকি নিয়ে খুলনার বেসরকারি ক্লিনিকে কিংবা বিভিন্ন স্থানে চড়া মূল্যে চিকিৎসা করাতে গিয়ে নিঃস্ব হতে হচ্ছে। উপকূলের অসহায় প্রসূতি মায়েদের এই চরম দুর্ভোগ ও অসহায়ত্ব লাঘবে স্থানীয়দের আহাজারি আজ চরমে পৌঁছেছে।
উপকূলের সাধারণ মানুষের জীবনরক্ষাকারী এই চিকিৎসাসেবা অবিলম্বে স্বাভাবিক করতে এবং বিষয়টির গভীরে গিয়ে সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থা নিতে স্বাস্থ্যমন্ত্রীসহ খুলনা জেলা সিভিল সার্জন এবং বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) মহোদয়ের দ্রুত ও কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করছি।