1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@gmail.com : Masud Khan : Masud Khan
কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন বিএনপি’র মহাসচিবসহ আরো দুই কেন্দ্রীয় নেতা - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
গাছ লাগালেই নয়, পরিচর্যাও নিশ্চিত করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন জনগণের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করতে চান ২ নং মেদনী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জনাব মোঃ মোখলেছুর রহমান পাটগ্রামে মাদরাসা শিক্ষকের উপর হামলার অভিযোগে, সংবাদ সম্মেলন হালুয়াঘাটে মাদকবিরোধী মোবাইল কোর্ট: ৪ জনের ১ বছরের কারাদণ্ড। শ্যামনগরে কোষ্টগার্ডের অভিযানে নিষিদ্ধ যুবলীগ নেতাসহ আটক ২ গোয়াইনঘাটের গুচ্ছগ্রাম বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বেসরকারি বিদ্যালয়ে এনসিসি ব্যাংকের বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচি ঠাকুরগাঁওয়ে ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, থানায় মামলা পটুয়াখালী জেলা ইসলামী আন্দোলন’র সম্মেলন অনুষ্ঠিত; কাজী সরোয়ার সভাপতি, ওয়াহিদুজ্জামান সেক্রেটারী নির্বাচিত সড়ক দুর্ঘটনা বিষয়ক প্রতিবেদনে বর্ষসেরা পুরস্কার পাচ্ছেন দৈনিক ঘোষণার স্টাফ রিপোর্টার মোঃ সজীব

কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন বিএনপি’র মহাসচিবসহ আরো দুই কেন্দ্রীয় নেতা

reporter নিজস্ব প্রতিবেদক
calendar প্রকাশিত: ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, ৬:৫৮ অপরাহ্ণ

নিউজ ডেস্ক

বাংলাদেশের অন্যতম রাজনৈতিক দল বিএনপি’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন।

বৃহস্পতিবার বিকেলে জামিনের কাগজপত্র ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পৌঁছালে মুক্তি পেয়ে বেরিয়ে আসেন দলটির এই দুই শীর্ষ নেতা।

একইদিনে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন বিএনপি’র আরেক কেন্দ্রীয় নেতা শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি।

সকাল থেকেই কেরাণীগঞ্জে কারাগারের সামনে ভিড় করছিলেন দলটির নেতাকর্মীরা। কারামুক্ত হওয়ার পর নেতাদের শুভেচ্ছা জানান তারা।

গত বছরের ২৮ই অক্টোবর বিএনপির মহাসমাবেশের কর্মসূচির পরপর গ্রেফতার হয়ে সাড়ে তিন মাস বন্দি ছিলেন মির্জা ফখরুল ও আমীর খসরু।

আর, এ্যানিকে গ্রেফতার করা হয়েছিল অক্টোবরের ১০ তারিখে।

২৮ অক্টোবরের কর্মসূচি ও তার ধারাবাহিকতায় সহিংসতায় জড়িত থাকার অভিযোগে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে ১১টি মামলায় আসামি করা হয়। এসব মামলার মধ্যে ১০টিতে তিনি আগেই জামিন পেয়েছিলেন।

স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ১০ মামলার আসামি। এর মধ্যে নয়টিতে জামিনপ্রাপ্ত ছিলেন।

সর্বশেষ প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলার মামলায় বুধবার আদালত তাদের দু’জনের জামিন মঞ্জুর করেন।

সরকারের পদত্যাগ ও নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন করার দাবিতে ২৮শে অক্টোবর মহাসমাবেশ করেছিল বিএনপি।

ওই সমাবেশের পর সংঘর্ষের বিভিন্ন ঘটনায় পর দিনই ২৮টি মামলা হয়।

এসব মামলায় বিএনপির শীর্ষস্থানীয় বেশির ভাগ নেতাকে আসামি করা হয়েছে। একেকজনের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।

প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলা ও ভাঙচুর, সরকারি কাজে বাধা, পুলিশ হত্যা, অগ্নিসংযোগ, পুলিশের অস্ত্র ছিনিয়ে নেয়া, হাসপাতালে আগুনসহ নানা অভিযোগ আনা হয় তাদের বিরুদ্ধে।

গ্রেফতার হন বিএনপির মহাসচিব-সহ শীর্ষস্থানীয় নেতারা।

এছাড়া, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, রুহুল কবির রিজভী, আব্দুল আউয়াল মিন্টু, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরী, আমান উল্লাহ আমান, শাহজাহান ওমর, মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, মাহবুব উদ্দিন খোকন-সহ শীর্ষস্থানীয় সব নেতার বিরুদ্ধেই ২৮শে অক্টোবরের ঘটনায় নাশকতার মামলা হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com