বরিশাল জেলার কাজিরহাট থানার ৬ নং বিদ্যানন্দপুর ইউনিয়নে ৫ নং ওয়ার্ডেজমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ২দুইজনকে কুপিয়ে রক্তাক্ত যখম।মামলার সূত্রে জানা যায়। ১আগস্ট হনুমান বেলা ১২:৩০ মিনিটে হানিফ গাজী তাহার বাড়ির সামনে ভোগ দখলিও, জমিতে কাজ করতে গেলে সকল আসামীরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে লোহার হাতুড়ি লোহার রড লাঠি সোটা বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে অর্থ জমিতে অনধিকার ভাবে প্রবেশ করিয়া হানিফ গাজী কে কাজ করতে বাধা দেন। এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। হানিফ তাহার প্রতিবাদ করিলে সকলআসামিরা হানিফকে এলোপতালি ভাবে চর থাপ্পর মারিয়া হানিফের শরীরে লীলা ফুলা জখম করেন। অতঃপর , হানিফ ডাক চিৎকার দিলে হানিফের পুত্রবধূ পলি নুপুর বেগম হানিফের ছেলে সোহেল গাজী আগাইয়া আসিলে। বসার খা, জুয়েল খাঁ রেক্সোনা বেগম হাবিব খা তাদের হাতে থাকা ৃধারালো অস্ত্র দিয়ে সন্ত্রাসী বসারখান পলি বেগমকে তাহার হাতে থাকা ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে পলির মাথায় আঘাত করে। উক্তআঘাত পলি ফিরাইতে গেলে তাহার বাম হাতের কজির নিচে গুরুতর হাড় ভাঙ্গা কি রকম হয়। ২ নং আসামী সন্ত্রাসী জুয়েল খাঁ তার হাতে থাকা লোহার হাতুড়ি দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে সোহেল গাজীর মাথায় আঘাত করিলে তাহার বাম কাঁধেরহাড় ফাটিয়ে যায়। সে গুরুতর জকম হয়। তখন তাহার তাহার ভাবি নুপুর বেগমডাকচিৎকার শুনে ঘটনাস্থলে গেলে সকল আসামিরা নুপুরকে পিটিয়ে রক্তাক্ত যখম করেন। অতঃপরডাক চিৎকার শুনে এলাকার লোকজন দৌড়ায় আসিলে আসামিরা হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। অবশেষে পলি নুপুর তাদেরকে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এই ঘটনায় পরেরদিন হানিফ গাজী বাদি হয়ে বর্ষার খা জুয়েল খাসহ ৫জন সহ অজ্ঞাতনামা আরো ২/৩জনের নামে কাজিরহাট থানায় একটি মামলা দায়ের করে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই কামাল দ্রুত মামলার দুই নং আসামি সন্ত্রাসী জুয়েল খাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হন। অবশেষে জুয়েল কেআদালতে প্রেরণ করেন। এই ব্যাপারে কথা হয়। কাজির হাট থানার অফিসার ইনচার্জ সিদ্দিকুর রহমান এর সাথে তিনি জানান উভয়পক্ষেই মামলার দায়ের হয়েছে। তবে সঠিক তদন্ত চলছে।