1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@gmail.com : Masud Khan : Masud Khan
ইউপি চেয়ারম্যান থেকে নগর প্রশাসনের শীর্ষ দায়িত্বে শওকত হোসেন সরকার - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
বাহাদুরি করতে গিয়ে যেন শিক্ষকের ওপর আঘাত না আসে নালিতাবাড়ীতে ইয়াবাসহ দুই ছাত্রদল নেতা ও তাদের সহযোগী আটক পটুয়াখালীতে মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার ইউপি চেয়ারম্যান থেকে নগর প্রশাসনের শীর্ষ দায়িত্বে শওকত হোসেন সরকার সারিয়াকান্দির ফুলবাড়ীতে শহীদ জিয়া ফুটবল টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন জাগীর শহীদ মিনারে কিশোরের ঝুলন্ত লাশ, মায়ের সঙ্গে অভিমানের কথা জানাল পরিবার হবিগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা শাখার মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ৬০ (ষাট) কেজি গাঁজা মাদকদ্রব্য উদ্ধার নিসচার ১১তম জাতীয় মহাসমাবেশ কাফরুলে মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ সমিতিতে উলফার চরম মাফিয়াতন্ত্র জাহানাবাদে নারীদের উদ্যোগে সজিনা ও বস্তায় আদা চাষ: ‘খামারি’ অ্যাপসে সুষম সার ব্যবহারে উঠান বৈঠক

ইউপি চেয়ারম্যান থেকে নগর প্রশাসনের শীর্ষ দায়িত্বে শওকত হোসেন সরকার

– দীর্ঘ জনপ্রতিনিধি জীবনের অভিজ্ঞতায় গাজীপুরকে আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও পরিকল্পিত নগরী গড়ার প্রত্যয়

reporter সোহরাব উদ্দিন মন্ডল, গাজীপুর
calendar প্রকাশিত: ৯ আগস্ট, ২০২৬, ১১:১৩ পূর্বাহ্ণ

একটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব থেকে শুরু করে গাজীপুরের ৫৭ ওয়ার্ডের নগর প্রশাসনের দায়িত্ব—দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময়ের জনপ্রতিনিধিত্ব ও রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার পথ পেরিয়ে আজ গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. শওকত হোসেন সরকার। স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা, মাঠপর্যায়ের মানুষের সঙ্গে সম্পৃক্ততা এবং নগর উন্নয়ন নিয়ে পরিকল্পনার কারণে তাঁর দায়িত্ব গ্রহণকে ঘিরে গাজীপুরে নতুন প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

স্থানীয় সরকার বিভাগের প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের পূর্ণকালীন প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পান শওকত হোসেন সরকার। গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের সরকারি ওয়েবসাইটেও তাঁকে প্রশাসক হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

কাশিমপুরের মাটি থেকে উঠে আসা নেতৃত্বঃ১৯৬৮ সালের ১ মে গাজীপুর সদর উপজেলার কাশিমপুর এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন মো. শওকত হোসেন সরকার। স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার সঙ্গে তাঁর পরিবারেরও দীর্ঘ সম্পৃক্ততা রয়েছে। তাঁর বাবা গিয়াসউদ্দিন সরকারও কাশিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ফলে ছোটবেলা থেকেই স্থানীয় মানুষের জীবনযাপন, সমস্যা ও প্রত্যাশার সঙ্গে তাঁর পরিচয় তৈরি হয়।

পারিবারিক সেই অভিজ্ঞতাকে সঙ্গে নিয়ে স্থানীয় নেতৃত্বে তাঁর নিজস্ব পথচলা শুরু হয়। ২০০৩ সাল থেকে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন প্রতিষ্ঠার আগপর্যন্ত তিনি কাশিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।একাধিকবার নির্বাচিত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনের কথা বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমেও উল্লেখ করা হয়েছে।

ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় স্থানীয় সরকার পরিচালনার যে বাস্তব অভিজ্ঞতা তিনি অর্জন করেন, সেটিই পরবর্তী সময়ে বৃহত্তর নগর প্রশাসনের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি তৈরি করেছে বলে সংশ্লিষ্টদের অভিমত।

জনপ্রতিনিধিত্বের অভিজ্ঞতা থেকে নগর প্রশাসনেঃএকটি ইউনিয়নের সীমিত পরিসরের মানুষের সেবা থেকে আজ ৫৭ ওয়ার্ডের বিশাল নগর জনগোষ্ঠীর নাগরিক সেবা নিশ্চিত করার দায়িত্ব—শওকত হোসেন সরকারের রাজনৈতিক ও জনপ্রতিনিধি জীবনের পথচলায় এটিকে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে দেখছেন তাঁর অনুসারীরা।

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম কার্যদিবসেই তিনি নগর উন্নয়নে ১৮০ দিনের একটি কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেন।
ওই কর্মপরিকল্পনায় যানজট নিরসন, সড়ক যোগাযোগের উন্নয়ন, জলাবদ্ধতা দূরীকরণ, খাল পুনঃখনন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, ফুটপাত দখলমুক্ত করা, সড়কবাতি স্থাপন, নাগরিক অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তি এবং নগরকে পরিচ্ছন্ন ও সবুজ করার মতো বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া হয়।

জয়দেবপুর রেলক্রসিংয়ের ওপর ফ্লাইওভারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, কাশিমপুর এলাকায় দুটি সেতুর নির্মাণকাজ শুরু এবং ঢাকার সঙ্গে সংযোগকারী বিকল্প সড়ক উন্নয়নের পরিকল্পনার কথাও তিনি তুলে ধরেন।

১৯টি খাল পুনঃখননের পরিকল্পনাঃগাজীপুরের অন্যতম বড় নগর সমস্যা জলাবদ্ধতা। বর্ষা মৌসুমে বিভিন্ন এলাকায় পানি জমে নাগরিক দুর্ভোগ বাড়ে। এ সমস্যা মোকাবিলায় নগরীর ১৯টি খাল জরুরি ভিত্তিতে খননের পরিকল্পনা ঘোষণা করেন প্রশাসক শওকত হোসেন সরকার।

তাঁর ঘোষিত পরিকল্পনা অনুযায়ী খালগুলোর পানি প্রবাহ বাড়ানোর পাশাপাশি জলাবদ্ধতা ও মশার উপদ্রব কমানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়। একই সঙ্গে ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ওপরও গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানানো হয়।
পরবর্তীতে ২০২৬ সালের জুনে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ১ থেকে ৫৭ নম্বর ওয়ার্ডে একযোগে ড্রেন পরিষ্কার কার্যক্রম শুরু হয়। প্রশাসক শওকত হোসেন সরকার ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে এ কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয় বলে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।

পরিচ্ছন্ন ও আলোকিত গাজীপুরের উদ্যোগঃগাজীপুরকে পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও আধুনিক নগরীতে রূপান্তরের পরিকল্পনাও তাঁর কর্মসূচির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ফুটপাত অবৈধ দখলমুক্ত করা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নত করা, সড়কবাতি স্থাপন এবং নগরের বিভিন্ন উন্মুক্ত স্থান পরিচ্ছন্ন রাখার উদ্যোগের কথা তিনি দায়িত্ব নেওয়ার সময়ই জানিয়েছিলেন।

নগরীর সৌন্দর্য ও নিরাপত্তা বাড়াতে আলো স্থাপন এবং ময়লা-আবর্জনা অপসারণের উদ্যোগের মাধ্যমে গাজীপুরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানকে আরও দৃষ্টিনন্দন করার কাজও সামনে আসে। বিআরটি স্টেশন ও আশপাশের এলাকায় আলো, পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্যবর্ধনের উদ্যোগের প্রশংসাও সংবাদমাধ্যমে এসেছে।

নাগরিক সেবায় জবাবদিহিতার প্রতিশ্রুতিঃশুধু অবকাঠামোগত উন্নয়ন নয়, নাগরিক সেবাকে আরও সহজ ও জবাবদিহিমূলক করার ওপরও গুরুত্ব দিয়েছেন প্রশাসক শওকত হোসেন সরকার।
দায়িত্ব গ্রহণের সময় তিনি সিটি কর্পোরেশনের নামে একটি অ্যাপ চালুর পরিকল্পনার কথা জানান, যার মাধ্যমে নাগরিকরা নিজেদের সমস্যা ও অভিযোগ জানাতে পারবেন। একই সঙ্গে প্রতি মাসে সাংবাদিকদের সামনে সিটি কর্পোরেশনের কাজের অগ্রগতি তুলে ধরা এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার কথাও তিনি বলেন।দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স এবং নাগরিকদের জন্য সহজলভ্য সেবা নিশ্চিত করার ঘোষণাও তাঁর কর্মপরিকল্পনায় গুরুত্ব পেয়েছে।

তরুণদের জন্য মাঠ ও শিশুদের জন্য পার্কঃনগর উন্নয়নের পাশাপাশি সামাজিক ও মানবিক বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়েছেন শওকত হোসেন সরকার।
তরুণ প্রজন্মকে মাদক, অপরাধ ও কিশোর গ্যাং সংস্কৃতি থেকে দূরে রাখতে গাজীপুরের ৫৭টি ওয়ার্ডে একটি করে খেলার মাঠ এবং নগরীতে একটি শিশু পার্ক স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়ার ঘোষণা দেন তিনি। একই সঙ্গে খেলাধুলা, সংস্কৃতি ও সুস্থ বিনোদনের পরিবেশ তৈরির ওপর জোর দেওয়ার কথা জানান।

৫ হাজার ১০২ কোটি টাকার বাজেটঃপ্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময়ে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ৫ হাজার ১০২ কোটি ৩৫ লাখ ৮ হাজার টাকার প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করা হয়। ২৬ জুলাই ২০২৬ নগর ভবনে অনুষ্ঠিত বাজেট সভায় প্রশাসক মো. শওকত হোসেন সরকার বাজেটটি পেশ করেন।
প্রস্তাবিত বাজেটে রাজস্ব, পানি সরবরাহ, সরকারি উন্নয়ন এবং বৈদেশিক সহায়তাপুষ্ট ও ডিপিপিভিত্তিক প্রকল্পসহ বিভিন্ন খাতে আয় ও ব্যয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ বাজেট গাজীপুরের বৃহৎ পরিসরের নগর উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক কাঠামো হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

রাজনীতিতেও দীর্ঘ পথচলাঃস্থানীয় সরকার পরিচালনার পাশাপাশি দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডেও সক্রিয় শওকত হোসেন সরকার। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত এবং বর্তমানে গাজীপুর মহানগর বিএনপির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বিভিন্ন সংবাদ প্রতিবেদনে তাঁর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও সাংগঠনিক ভূমিকার কথা উঠে এসেছে।

তাঁর রাজনৈতিক জীবনের বড় একটি অংশ কেটেছে সংগঠনকে তৃণমূল পর্যায়ে শক্তিশালী করা এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেওয়ার মধ্য দিয়ে। ফলে জনপ্রতিনিধিত্ব ও দলীয় সাংগঠনিক অভিজ্ঞতার সমন্বয় তাঁর বর্তমান প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনে সহায়ক হচ্ছে বলে তাঁর সমর্থকদের দাবি।

কাশিমপুর থেকে গাজীপুর—এক দীর্ঘ যাত্রাঃশওকত হোসেন সরকারের জীবন ও কর্মের দিকে তাকালে দেখা যায়, তাঁর রাজনৈতিক ও জনপ্রতিনিধিত্বের ভিত্তি তৈরি হয়েছে কাশিমপুরের স্থানীয় পর্যায় থেকে। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে মানুষের কাছাকাছি থেকে কাজ করার পর আজ তিনি বৃহত্তর গাজীপুর নগরের প্রশাসনিক দায়িত্বে।

এই দীর্ঘ পথচলাকে তাঁর অনুসারীরা দেখছেন অভিজ্ঞতার ধারাবাহিকতা হিসেবে। তাঁদের মতে, একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে মাঠপর্যায়ের মানুষের সমস্যা সম্পর্কে প্রত্যক্ষ ধারণা থাকায় নগরের নাগরিক সমস্যাগুলোও তিনি বাস্তবতার আলোকে বিবেচনা করতে পারছেন। তবে একজন প্রশাসকের সাফল্য শেষ পর্যন্ত নির্ভর করে ঘোষিত পরিকল্পনার কতটা বাস্তবায়ন হয় এবং নাগরিকরা তার সুফল কতটা পান—এটাই হবে তাঁর দায়িত্বকালের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মূল্যায়নের জায়গা।

উন্নয়নের প্রত্যাশায় গাজীপুরবাসীঃগাজীপুর শিল্পনগরী হিসেবে দ্রুত বেড়ে ওঠার পাশাপাশি যানজট, জলাবদ্ধতা, অপরিকল্পিত নগরায়ণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, সড়ক অবকাঠামো ও নাগরিক সেবার নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। ফলে নগরবাসীর প্রত্যাশাও অনেক।
এ অবস্থায় দীর্ঘদিনের স্থানীয় সরকার অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একজন জনপ্রতিনিধির হাতে সিটি কর্পোরেশনের দায়িত্ব আসায় উন্নয়ন নিয়ে প্রত্যাশা তৈরি হওয়া স্বাভাবিক। শওকত হোসেন সরকারের ঘোষিত ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনায় যেসব বিষয় গুরুত্ব পেয়েছে, সেগুলোর বাস্তবায়ন হলে নগরের নাগরিক সেবায় দৃশ্যমান পরিবর্তন আসতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট মহলের প্রত্যাশা।

তাঁর সামনে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো—পরিকল্পনাগুলোকে বাস্তব প্রকল্পে রূপ দেওয়া, নাগরিক সেবায় গতি আনা এবং উন্নয়নের সুফল নগরীর ৫৭টি ওয়ার্ডের মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া।
কাশিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে যে পথচলা শুরু হয়েছিল, তা আজ গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসকের দায়িত্বে এসে নতুন মাত্রা পেয়েছে। স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা, রাজনৈতিক সাংগঠনিক দক্ষতা এবং নগর উন্নয়নের ঘোষিত পরিকল্পনাকে কাজে লাগিয়ে শওকত হোসেন সরকার গাজীপুরকে আরও পরিচ্ছন্ন, আধুনিক, নিরাপদ ও নাগরিকবান্ধব নগরীতে রূপ দিতে কতটা সফল হন—সেদিকেই এখন তাকিয়ে নগরবাসী।

তাঁর সমর্থকদের প্রত্যাশা, অভিজ্ঞতা ও পরিকল্পনার সমন্বয়ে গাজীপুর ভবিষ্যতে দেশের একটি আধুনিক ও পরিকল্পিত নগরীর দৃষ্টান্ত হয়ে উঠবে। আর সেই প্রত্যাশা পূরণ হলে কাশিমপুরের স্থানীয় জনপ্রতিনিধি থেকে গাজীপুরের নগর প্রশাসনের দায়িত্বে আসা শওকত হোসেন সরকারের দীর্ঘ রাজনৈতিক ও জনপ্রতিনিধি জীবনের পথচলাতেও যুক্ত হবে নতুন এক উল্লেখযোগ্য অধ্যায়।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com