1. masudkhan89@gmail.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@yahoo.com : Masud Khan : Masud Khan
ব্রেকিং নিউজ :
‘গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা আল-কুরআন বিরোধী’: প্রেসক্লাবে ইসলামী সমাজের মানববন্ধন থেকে ৩ দফা কর্মসূচি ঘোষণা নারীর হাতে মোবাইল: হালুয়াঘাটে বাড়ছে পরকীয়া ও সংসার ভাঙন, ঝুঁকিতে উঠতি বয়সের শিশুরা ডেঙ্গু প্রতিরোধে বেনাপোলে মশক নিধন অভিযান, সচেতনতার বার্তা পালংখালী ভুবনেশ্বরী গীতা মন্দিরের নতুন ভবন নির্মাণে প্রস্তুতি সভা  নড়াইলে মেম্বারকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ, বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী সীমান্তবর্তী এলাকা হালুয়াঘাটে শীতের আগমনী বার্তা: ঘরে ঘরে পিঠা উৎসব ও পৌষের আমেজ রাজশাহীতে ‘অপ-সাংবাদিকতা’ বন্ধে ব্যবস্থা চেয়ে ভূমিমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা সমাজকল্যান সচিবের খুলনায় প্রতিবন্ধীসেবা ও সাহায্য কেন্দ্র পরিদর্শন আদালতের আদেশ অমান্য করে ধামরাইয়ে জমি দখল ও সাইনবোর্ড টাঙানোর অভিযোগ গাজীপুরের কালীগঞ্জে প্রথম পর্যায়ে ১৪৫১ জন পেলেন কৃষক কার্ড

আশাশুনিতে লবণাক্ততা ও নদীভাঙনে সড়কের গাছ বিলীন

  • আপডেট সময় : শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬
  • ০ দেখেছেন

সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলার বিভিন্ন সড়কে এখন আর আগের মতো ছায়াঘেরা সবুজ পরিবেশ চোখে পড়ে না। যে দিকে চোখ যায় শুধু বিস্তীর্ণ লোনা পানির ঘের। লবণাক্ততা বৃদ্ধি, নদীভাঙন এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে উপজেলার অধিকাংশ সড়কের বড় বড় গাছ মারা গেছে সেই সাথে রাস্তার ও বেহাল দশা। ফলে খাঁ খাঁ রোদে দুর্ভোগে পড়ছেন পথচারীরা। একই সঙ্গে বাড়ছে পরিবেশগত ঝুঁকি ও তাপমাত্রা।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, গ্রামীণ সড়ক থেকে শুরু করে গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক সড়কের পাশেও এখন তেমন কোনো গাছ নেই। আগে যেসব সড়কে বড় বড় রেইনট্রি, কড়ই, মেহগনি কিংবা তালগাছ ছিল, সেগুলোর অধিকাংশই শুকিয়ে মারা গেছে অথবা নদীভাঙনে বিলীন হয়েছে। বিশেষ করে উপকূলীয় লবণাক্ত এলাকার গাছগুলো টিকে থাকতে পারছে না।
স্থানীয়রা জানান, অতিরিক্ত লবণাক্ত পানির প্রভাব এবং ঘূর্ণিঝড়-জলোচ্ছ্বাসের কারণে মাটির স্বাভাবিক উর্বরতা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এতে নতুন গাছ লাগালেও অনেক সময় তা বাঁচে না। অন্যদিকে নদীভাঙনে সড়কের পাশের গাছপালা দ্রুত হারিয়ে যাচ্ছে।
পথচারীরা জানান, তীব্র গরমে দীর্ঘ পথ চলাচলে কোথাও একটু বিশ্রাম নেওয়ার মতো ছায়া নেই। বিশেষ করে শ্রমজীবী মানুষ, শিক্ষার্থী ও বৃদ্ধদের কষ্ট সবচেয়ে বেশি। আগে সড়কের পাশে গাছ থাকায় মানুষ কিছুটা স্বস্তি পেত, এখন সেই পরিবেশ আর নেই।
পরিবেশ সচেতন মহলের মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় উপকূলীয় এলাকায় ব্যাপক বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই। রাস্তার পাশে লবণাক্ততা সহনশীল গাছ লাগানো গেলে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ এবং মানুষের দুর্ভোগ অনেকটাই কমানো সম্ভব হবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে আশাশুনির সড়কগুলোতে পরিকল্পিতভাবে বৃক্ষরোপণের দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেন, শুধু গাছ লাগালেই হবে না, সেগুলোর নিয়মিত পরিচর্যা ও সংরক্ষণের ব্যবস্থাও নিশ্চিত করতে হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By Rahat IT Ltd.