1. masudkhan89@gmail.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@yahoo.com : Masud Khan : Masud Khan
ব্রেকিং নিউজ :
‘গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা আল-কুরআন বিরোধী’: প্রেসক্লাবে ইসলামী সমাজের মানববন্ধন থেকে ৩ দফা কর্মসূচি ঘোষণা নারীর হাতে মোবাইল: হালুয়াঘাটে বাড়ছে পরকীয়া ও সংসার ভাঙন, ঝুঁকিতে উঠতি বয়সের শিশুরা ডেঙ্গু প্রতিরোধে বেনাপোলে মশক নিধন অভিযান, সচেতনতার বার্তা পালংখালী ভুবনেশ্বরী গীতা মন্দিরের নতুন ভবন নির্মাণে প্রস্তুতি সভা  নড়াইলে মেম্বারকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ, বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী সীমান্তবর্তী এলাকা হালুয়াঘাটে শীতের আগমনী বার্তা: ঘরে ঘরে পিঠা উৎসব ও পৌষের আমেজ রাজশাহীতে ‘অপ-সাংবাদিকতা’ বন্ধে ব্যবস্থা চেয়ে ভূমিমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা সমাজকল্যান সচিবের খুলনায় প্রতিবন্ধীসেবা ও সাহায্য কেন্দ্র পরিদর্শন আদালতের আদেশ অমান্য করে ধামরাইয়ে জমি দখল ও সাইনবোর্ড টাঙানোর অভিযোগ গাজীপুরের কালীগঞ্জে প্রথম পর্যায়ে ১৪৫১ জন পেলেন কৃষক কার্ড

লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত জনজীন, বিদ্যুৎ ও ডিজেলের অভাবে ফসলি জমিতে সেচ ব্যাহত

  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১ দেখেছেন

সারাদেশে লোডশেডিং চলছে। গ্যাস, তেল সংকটের কারনে জালানী নির্ভর অনেক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ রয়েছে। এতে বিদ্যুতের উৎপাদন অর্ধেকেরও কমে গেছে। ফলে লোডশেডিং অনিবার্য হয়ে পড়েছে। রাতে দিনে ঘন্টার পর ঘন্টা লোডশেডিংয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। গ্রামাঞ্চলে ২৪ ঘন্টার মধ্যে ১৬ ঘন্টা বিদ্যুৎ থাকে না। গরমে চরম ভোগান্তির পাশাপাশি গৃহিণীররা তাদের ফ্রিজে রাখা মাছ, মাংস নিয়েও বিপাকে রয়েছেন। পরিক্ষায় ঘন ঘন লোড শেডিংয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে এসএসসি পরিক্ষার্থীরা। অন্যদিকে কলকারখানার উৎপাদন মারাত্মক ব্যাহত হচ্ছে। স্থবির হয়ে পড়েছে ব্যবসা বানিজ্য সহ আমদানি – রপ্তানি কার্যক্রম। ডিজেল ও বিদুৎ সংকটে মারাত্মক হুমকিতে রয়েছে বেরো উৎপাদন। দেশের মোট উৎপাদিত চালের ৬০ শতাংশ আসে বর্তমানে মাঠে থাকা বেরো ধান থেকে। বোরো ধানের শীষ এখন বের হচ্ছে। এ অবস্থায় জমিতে সেচ দিতে না পারলে শীষ পুষ্ঠ হয়ে বের হবে না। অর্ধেক চিটা হয়ে যাবে। ফলে উৎপাদন অনেক কমে যাবে তাই সম্পুর্ন সেচ নির্ভর এই ফসল টিকিয়ে রাখার জন্য কৃষকরা এখন রীতিমতো যুদ্ধ করছেন। বিদ্যুৎ ও ডিজেল সংকটের কারনে জমিতে সেচ দিয়ে কৃষক এখন দিশেহারা। দেশে এখন ডিজেলের চাহিদা প্রায় ৪৩ লাখ ৫০ হাজার টন। এর প্রায় ২৪ শতাংশ, অথ্যাৎ ১০ লাখ ৪৪ হাজার টন ব্যবহার কৃষি কাজে। দেশের ৮০ শতাংশ সেচ কার্যক্রমও ডিজেল নির্ভর। পাশাপাশি ক্ষেত প্রস্তুত থেকে শুরু করে ফসল ঘরে তোলা পর্যন্ত ডিজেল লাগে। সরকারের ডিজেলে ১৫ টাকা বাড়ানোয় কৃষকের খরচ বাড়বে প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা। গত ১৮ এপ্রিল প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ১০০ টাকা থেকে ১১৫ টাকা দাম নির্ধারন করেছে সরকার হিসাব বলছে। এতে কৃষকের ব্যায় আগের চেয়ে বাড়বে প্রায় ১ হাজার ৫৬৬ কোটি টাকা। আগের দামে কৃষকে বছরে ডিজেল খরচ হতো ১০ হাজার ৪৪০ টাকা। নতুন করে লিটার প্রতি ১৫ টাকা বাড়ায় এখন ব্যায় হবে ১২ হাজার ৬ কোটি টাকা। কৃষি মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে ৭৫৪ টি গভীর নলকুপ ও ১০ লাখ ৩৯ হাজার অগভীর নলকুপ এবং ১ লাখ ৮৪ হাজার ৩৮৪ টি লো- লিফট পাম্প আছে। এসবের বড় অংশই ডিজেল চালিত। এছাড়া ১০ হাজার কম্বাইন হারভেস্টার, কয়েক লাখ রিপারসহ মাড়াই- ঝাড়াই ও অন্য যন্ত্রে রয়েছে ৪ লাখ ৯৬ হাজার ৮০৫ টি। সব মিলে ১৯ লাখ কৃষি যন্ত্রপাতি আছে। যার ৭৫ শতাংশ ডিজেল চালিত। কৃষি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ মুল্যে বৃদ্ধির ফলে কৃষি অর্থনীতিতে দুই ধরনের চাপ সৃষ্টি হতে পারে। উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় কৃষকের ফসলের ন্যায্য মুল্যে পাওয়া আরো কঠিন হবে। এতে করে কৃষক ধান উৎপাদনে আগ্রহ হারাতে পারে। আবার বাজারে খাদ্যের দাম বাড়ায় গরিব ও সীমিত আয়ের মানুষের খরচ বাড়বে। বিশেষ করে চালের দাম বেড়ে গেলে গরিব মানিষের কষ্ট যেমন বাড়বে তেমনি অন্য খরচও এর প্রভাব পড়বে। এতে সরকারের প্রতি সাধারণ মানুষের ক্ষোভ বাড়বে যার প্রভাব পড়তে পারে আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কমকর্তারা বলছেন সংকটের মধ্যেও পর্যাপ্ত ডিজেল মিলছে। দিনের বেলায় না হলেও রাতে কিছু সময় বিদ্যুতের সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে। তবে পাঠ পর্যায়ে খোজ নিয়ে জানাগেছে, ডিজেল সংকটের কারনে সেচ যন্ত্র সচল রাখা যাচ্ছেনা। আবার লোডশেডিংয়ের কারনে ব্যাহত হচ্ছে সেচ কার্যক্রম। জালানী তেল ও বিদ্যুৎ সংকটের কারনে খুলনা সহ দক্ষিন পশ্চিমাঞ্চলের কৃষি সেচ ব্যবস্থায় চরম বিপর্যয় নেমে এসেছে। জালানী ঘাটতির কারনে খুলনা অঞ্চলের বিদ্যুৎ উৎপাদন অর্ধেকের নিচে নেমে এসেছে। যার ফলে গ্রামাঞ্চলে দিনে ১০-১২ ঘন্টা পর্যন্ত লোডশেডিং হচ্ছে। খুলনায় জালানী সংকট ও লোডশেডিংয়ের ফলে কৃষিতে সেচ সমস্যা দেখা দিয়েছে। স্থানীয় কৃষকরা বলছে বিদ্যুৎ না থাকায় সেচ পাম্প গুলো চালানো যাচ্ছে না। ধানের ফুল আসার সময় বা পানি দেওয়ার গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সেচ দিতে না পারায় ধানের ফলন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশংকা তৈরি হয়েছে। খুলনা দাকোপ, বটিয়াঘাটা, ডুমুরিয়া, পাইকগাছা, কয়রা ও আশপাশের এলাকায় লোডশেডিংয়ের কারনে সেচ কাজ ব্যাহত হওয়ায় কৃষকরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। খুলনা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ- পরিচালক নজরুল ইসলাম জানান, আমাদের আজকে পর্যন্ত ৬০ শতাংশ ধান থেকে চাল হয়েছে। বাকি ৪০ শতাংশ ফুল অবস্থা, দুধ অবস্থা ও কিছু নরম স্তর বা নরম দানা অবস্থায় আছে। কৃষকদের সুবিধারর্থে গতকালও আমরা ডিসি মহোদয়ের সাথে বৈঠক করেছি। কৃষকদের ডিজেল সংকটের কথা মাথায় রেখে বিভিন্ন পাম্পে ট্যাগ অপিসাররা কাজ করছে। আর এই মৌসুমে বৃষ্টি হওয়ায় কৃষকের সেচের উপর অনেকটা চাহিদা কমে গেছে।তিনি বলেন উওর ডুমুরিয়া এলাকার কিছু জমিতে বাধ থাকায় পানি সরবরাহ না হওয়ায় কিছু জমিতে সেচের সমস্যা হয়েছে। আমরা কৃষকদের সহায়তায় সর্বদা মাঠে কাজ করছি।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By Rahat IT Ltd.