উপজেলায় একমাত্র এই ফায়ার সার্ভিস ভবনটি আজ অবহেলা ও অযত্নে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় একটি পরিত্যক্ত বাড়ির মতো।
স্থানীয়দের অভিযোগ, উপজেলা ভিত্তিক এই ফায়ার সার্ভিস ভবনের ন্যূনতম অবকাঠামোগত সৌন্দর্যও নেই। ভবনের গায়ে নেই কোনো স্থায়ী রং, নেই ফায়ার সার্ভিসের স্পষ্ট কোনো নামফলক বা চিহ্ন। দূর থেকে দেখলে বোঝারই উপায় নেই এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ জরুরি সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের ভবন। ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যেও প্রশ্ন উঠছে—একটি উপজেলার একমাত্র ফায়ার সার্ভিস ভবনের অন্তত বাহ্যিক কাঠামো ও পরিচিতি কি স্পষ্ট থাকা উচিত নয়?
এলাকাবাসীর মতে, ফায়ার সার্ভিস একটি আস্থার নাম। দুর্ঘটনা বা অগ্নিকাণ্ডের সময় মানুষের প্রথম ভরসা এই প্রতিষ্ঠান। অথচ সেই প্রতিষ্ঠানের ভবন যদি পরিচয়হীন ও অবহেলিত অবস্থায় থাকে, তবে তা এলাকাবাসীর জন্য হ’তা’শা’জ’ন’ক।
স্থানীয়দের দাবি, আসন্ন ঈদের আগেই ভবনটির জরুরি সংস্কার করা হোক। ভবনের গায়ে নতুন রং করা, স্পষ্টভাবে ফায়ার সার্ভিসের নাম ও চিহ্ন স্থাপন করা এবং ভবনটির সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনা অত্যন্ত জরুরি। তাদের মতে, ঈদের সময় নাড়ির টানে বহু মানুষ বাড়ি ফেরেন। তখন যদি তারা নিজেদের উপজেলার এই গুরুত্বপূর্ণ সেবাপ্রতিষ্ঠানটিকে সুন্দর ও সুশৃঙ্খল অবস্থায় দেখতে পান, সেটি তাদের জন্য গর্ব ও আনন্দের বিষয় হবে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত দৃষ্টি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সচেতন এলাকাবাসী।