বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, নির্বাচন কমিশন চট্টগ্রাম-৫ আসনের প্রার্থী ও জাতীয় পার্টির একাংশের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদের প্রার্থিতা বাতিলের সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছে। দলের মনোনয়নের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনে পাঠানো নথির স্বাক্ষরের অমিলের কারণে এটি হয়েছে। এর আগে, ৩ জানুয়ারি রিটার্নিং কর্মকর্তা তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল করেছিলেন, যা তিনি চ্যালেঞ্জ করেছিলেন।
আনিসুল ইসলাম মাহমুদ নির্বাচন কমিশনে আগের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করলেও বৃহস্পতিবার সেটি নামঞ্জুর করা হয়েছে। মনোনয়নপত্র বাতিলের পর তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের সম্ভাবনা সম্পর্কে প্রশ্ন তুলেছিলেন। এছাড়া, তিনি অভিযোগ করেছিলেন যে, তাঁর প্রস্তাবক ও সমর্থকদের অপহরণ করা হয়েছে। এই বক্তব্যে বিএনপির নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মন্তব্য করায় বিতর্ক সৃষ্টি হয় এবং স্থানীয় বিএনপি নেতারা প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
রাজনৈতিক মেরুকরণ ও মামলার বেড়াজালে জড়িত থাকা ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ঘটে যাওয়া একটি হত্যাকাণ্ডের মামলায় অভিযুক্ত। জাতীয় পার্টির ভাঙনের পর তিনি নেতৃত্ব দিয়ে নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট গঠন করেছেন।
এদিকে, আনিসুল ইসলাম মাহমুদের হতাশার মাঝে চট্টগ্রামের অন্য তিন প্রার্থীর জন্য সুখবর এসেছে। একই দিনে আপিল শুনানিতে চট্টগ্রাম-৩, চট্টগ্রাম-১৪ এবং চট্টগ্রাম-২ আসনের তিন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।