1. masudkhan89@gmail.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@yahoo.com : Masud Khan : Masud Khan
ব্রেকিং নিউজ :
‘গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা আল-কুরআন বিরোধী’: প্রেসক্লাবে ইসলামী সমাজের মানববন্ধন থেকে ৩ দফা কর্মসূচি ঘোষণা নারীর হাতে মোবাইল: হালুয়াঘাটে বাড়ছে পরকীয়া ও সংসার ভাঙন, ঝুঁকিতে উঠতি বয়সের শিশুরা ডেঙ্গু প্রতিরোধে বেনাপোলে মশক নিধন অভিযান, সচেতনতার বার্তা পালংখালী ভুবনেশ্বরী গীতা মন্দিরের নতুন ভবন নির্মাণে প্রস্তুতি সভা  নড়াইলে মেম্বারকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ, বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী সীমান্তবর্তী এলাকা হালুয়াঘাটে শীতের আগমনী বার্তা: ঘরে ঘরে পিঠা উৎসব ও পৌষের আমেজ রাজশাহীতে ‘অপ-সাংবাদিকতা’ বন্ধে ব্যবস্থা চেয়ে ভূমিমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা সমাজকল্যান সচিবের খুলনায় প্রতিবন্ধীসেবা ও সাহায্য কেন্দ্র পরিদর্শন আদালতের আদেশ অমান্য করে ধামরাইয়ে জমি দখল ও সাইনবোর্ড টাঙানোর অভিযোগ গাজীপুরের কালীগঞ্জে প্রথম পর্যায়ে ১৪৫১ জন পেলেন কৃষক কার্ড

খুলনায় সরকারি খাদ্য গুদামের চাল বাঁচাতে রাস্ট্রের ব্যয় বছরে ১২ লাখ টাকা

  • আপডেট সময় : শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ০ দেখেছেন

খুলনার দুটি কেন্দ্রীয় ও ৮ টি উপজেলা পর্যায়ের গুদামে মজুদকৃত দেশি চালের পোকার আক্রমন করেছে। বস্তায় আক্রমণ করা সহজ হওয়ায় গুড়ো ও পদ্ম পোকার বিস্তার বেড়েছে। এসব গুদামে রাখা চাল আক্রমন থেকে রক্ষা পেতে বছরে রাস্ট্রের ব্যয় হচ্ছে ১২ লাখ টাকা। ফেনিট্রিথ্রিয়ন – ৫০ নামক তরল কীটনাশক সরবরাহ করতে যেয়ে প্রতি বছর ঠিকাদার নিয়োগ করতে হয়। গুদাম গুলোর ধারন ক্ষমতা ১ লাখ ৩১ হাজার মেট্রিকটন, মজুদ ৬৬ হাজার মেট্রিকটন। প্রতিবছরই বোরো এবং আমন মৌসুমে ধান ও চাল সংগ্রহ হয়। এ বছরের মাঝামাঝি সময় সংগ্রহকৃত চালের পরিমান অন্যান্য বছরের তুলনায় বেড়েছে। গুদাম গুলোতে বোরো ( সিদ্ধ) চালের মজুদ ৪৫ হাজার মেট্রিকটন। বোরো চাল চটের বস্তায় করে মজুদ করা হয়। ভারত থেকে আমদানিকৃত চালের পরিমান ২ হাজার ৮০০ মেট্রিকটন। প্রতি বছরই সিদ্ধ চালে পোকার আক্রমণ হয়। কতৃপক্ষ এজন্য বড় অংকের টাকা বরাদ্দ রাখে। গ্রীস্ম মৌসুমে আক্রমণটা বাড়ে। শীত মৌসুমে কুয়াশায় বৈরী আবহাওয়ার কারনে ফেনিট্রিথ্রিয়ন নামক তরল কীটনাশক স্প্রে করা সম্ভব হয় না। জেলা খাদ্য কর্মকর্তা মোঃ তানভীর হোসেন জানান, ” সরকারি চাল বাচাতে কীটনাশক বাবদ গুদাম গুলোতে মাসে এক লাখ টাকা করে ব্যয় হয়। চাল ও গম মজুদ থাকলে সেখানে আক্রমণ হয়। এটার বিকল্প ব্যবস্থা এখনোও হয়নি। তারপরও সরকারি সিদ্ধান্ত আলোকে পাটের বস্তা ব্যবহার করতে হচ্ছে। এ প্রসঙ্গ নিয়ে তিনি বলেন, ” বাজারে চালের মুল্য স্বাভাবিক রাখতে মোংলা বন্দরে বিদেশি জাহাজ নোঙর করেছে,খালাস হচ্ছে। মজুূতকৃত চাল থেকে নিন্ম আয়ের মানুষদের জন্য ৩০ টাকা কেজি চাল বিক্রি অব্যাহত রয়েছে। জেলা খাদ্য কর্মকর্তা তথ্য দিয়েছেন, নিন্ম আয়ের মানুষদের স্বার্থে খাদ্য বান্ধব কর্মসুচি অব্যাহত রয়েছে। আগামী ফেব্রুযারী ও মার্চ মাসে জেলার ৮৩ হাজার ১২০ টি পরিবারকে এ কর্মসুচির আওতায় আনা হয়েছে। প্রত্যেক
পরিবার ১৫ টাকা কেজিতে চাল কেনার সুযোগ পাবে। এক একটি পরিবারের জন্য ৩০ কেজি করে চাল বরাদ্দ। আগষ্ট – নভেম্বর পর্যন্ত এ কর্মসুচি অব্যাহত থাকবে।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By Rahat IT Ltd.