1. masudkhan89@gmail.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@yahoo.com : Masud Khan : Masud Khan
ব্রেকিং নিউজ :
‘গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা আল-কুরআন বিরোধী’: প্রেসক্লাবে ইসলামী সমাজের মানববন্ধন থেকে ৩ দফা কর্মসূচি ঘোষণা নারীর হাতে মোবাইল: হালুয়াঘাটে বাড়ছে পরকীয়া ও সংসার ভাঙন, ঝুঁকিতে উঠতি বয়সের শিশুরা ডেঙ্গু প্রতিরোধে বেনাপোলে মশক নিধন অভিযান, সচেতনতার বার্তা পালংখালী ভুবনেশ্বরী গীতা মন্দিরের নতুন ভবন নির্মাণে প্রস্তুতি সভা  নড়াইলে মেম্বারকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ, বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী সীমান্তবর্তী এলাকা হালুয়াঘাটে শীতের আগমনী বার্তা: ঘরে ঘরে পিঠা উৎসব ও পৌষের আমেজ রাজশাহীতে ‘অপ-সাংবাদিকতা’ বন্ধে ব্যবস্থা চেয়ে ভূমিমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা সমাজকল্যান সচিবের খুলনায় প্রতিবন্ধীসেবা ও সাহায্য কেন্দ্র পরিদর্শন আদালতের আদেশ অমান্য করে ধামরাইয়ে জমি দখল ও সাইনবোর্ড টাঙানোর অভিযোগ গাজীপুরের কালীগঞ্জে প্রথম পর্যায়ে ১৪৫১ জন পেলেন কৃষক কার্ড

ঢাকা ও গাজীপুরে ট্রাফিক পুলিশের বিরুদ্ধে রেকার বাণিজ্য ও ঘুষ বাণিজ্যের গুরুতর অভিযোগ

  • আপডেট সময় : রবিবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১ দেখেছেন

ঢাকা জেলা উত্তর ও গাজীপুর জেলা ট্রাফিক পুলিশের বিরুদ্ধে ঘুষ, রেকার বাণিজ্য ও বিভিন্ন অনৈতিক কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট এলাকার একাধিক ট্রাফিক ইন্সপেক্টর, সার্জেন্ট এবং পরিবহন মালিক ও চালকদের বক্তব্য অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরে এই অনিয়ম চলে আসছে, যা প্রশাসনিক দুর্নীতির একটি উদ্বেগজনক দৃষ্টান্ত।

বিশেষভাবে অভিযুক্ত হয়েছেন ঢাকা জেলা উত্তর ট্রাফিক পুলিশের টি আই (এডমিন) মোঃ গোলাম সারওয়ার (BP নম্বর 7803046642)। অভিযোগ রয়েছে, তিনি প্রতি মাসে গাবতলী টার্মিনাল এলাকা থেকে ছয় লক্ষাধিক টাকা ঘুষ গ্রহণ করছেন একটি সুপরিকল্পিত চক্রের মাধ্যমে। এই চক্রের মাধ্যমে ঘুষ আদায় ও বিতরণের কাজ করছেন এক ব্যক্তি রফিক, যিনি অভিযুক্ত টি আই জুলহাসের কাছ থেকে টাকা সংগ্রহ করে তা মোঃ গোলাম সারওয়ারের কাছে পৌঁছে দেন।

সূত্র মতে, টি আই গোলাম সারওয়ার রাজশাহী, নওগাঁ এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জে ট্রাফিক এডমিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং বর্তমানে তিনি দুইটি ব্যক্তিগত গাড়ির মালিক ও বিপুল পরিমাণ অর্থসম্পদের অধিকারী হয়েছেন বলে দাবি করা হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে যে, তার নেতৃত্বে গাবতলী টার্মিনাল এলাকায় দূরপাল্লার যানবাহনের চলাচলকে উন্মুক্ত রাখার নামে নিয়মিত ঘুষ আদায় করা হয়।

এছাড়াও, অভিযোগে উঠে এসেছে যে গাজীপুর জেলার ট্রাফিক টি আই এডমিন শাহাবুদ্দিনও একই ধরনের রেকার বাণিজ্যে জড়িত। এই কাজে জেলা পুলিশ সুপারের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সহযোগিতা রয়েছে বলে দাবি করেছেন অভিযোগকারীরা। গাজীপুরেও প্রতিদিন রুটিন মতো টাকা আদায়ের এই পন্থা গড়ে উঠেছে।

একাধিক ট্রাফিক ইন্সপেক্টর ও সার্জেন্ট জানিয়েছেন, এই অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে তারা অবগত থাকলেও চাকরি হারানোর ভয়ে প্রকাশ্যে কিছু বলতে সাহস পাচ্ছেন না। এর আগে একজন সাধারণ চালক, মোঃ মোখলেছ হোসেন, বিষয়টি বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শকের কাছে লিখিতভাবে অভিযোগ করলেও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
এবিষয়ে টি আই এডমিন ঢাকা জেলে উত্তর গোলাম সারোয়ার বলেন আমার বিরুদ্ধে সকল অভিযোগ মিথ্যা। আমি এসকল কর্মকান্ডে জরিত নই।

পরিবহন মালিক ও চালকরা বিষয়টি নিয়ে চরম হতাশায় ভুগছেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ড রোধে সরকারের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর বিশেষ নজরদারি ও আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By Rahat IT Ltd.