1. masudkhan89@gmail.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@yahoo.com : Masud Khan : Masud Khan
ব্রেকিং নিউজ :
বিনিয়োগ আকর্ষণে ২০ উদ্যোগের ৭টি বাস্তবায়ন, পাইপলাইনে ১৩০ কোটি ডলার মতপার্থক্য ও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য: রাষ্ট্রপতি শিশুদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: মঈন খান ইন্দোনেশিয়ায় ওষুধ-তৈরি পোশাকের বাজার বাড়াতে চায় বাংলাদেশ মিরপুরে দখলমুক্ত ফুটপাতে ফিরেছে পথচারীর স্বস্তি বিজেএমসির বন্ধ পাটকল চালু, বাড়ছে কর্মসংস্থান ঘোড়াঘাট নজরুল বর্ষে উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান বকেয়া বেতন না দিয়ে শ্রমিক ছাঁটাইয়ের অভিযোগে শাহিনপুকুর সিরামিকে উত্তেজনা পার্বত্য মন্ত্রী সাচিং প্রু’র সাথে সৌজন্য সাক্ষাত করলেন ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জাঁ-মার্ক সেরে-শার্লে কজনকে বাঁচাতে ১০ জনের গলা চেপে ধরছে সরকার তেল-গ্যাসের দাম , ফ্যামিলি কার্ডের প্রতিশ্রুতি

তহবিল না পেলে রোহিঙ্গাদের রেশন অর্ধেক করতে হবে: ডব্লিউএফপি

  • আপডেট সময় : শনিবার, ৮ মার্চ, ২০২৫
  • ৫২ দেখেছেন

নিউজ ডেক্স: জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) সতর্ক করে দিয়েছে যে, দ্রুত তহবিল না পেলে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের মাসিক রেশন অর্ধেক করতে হবে। শুক্রবার (৭ মার্চ) প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংস্থাটি জানিয়েছে, বর্তমান অর্থায়নের অভাবে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীর খাদ্য সহায়তা বিপদাপন্ন হয়ে পড়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জরুরি নতুন তহবিল না পেলে শরণার্থীদের রেশন প্রতি মাসে ১২.৫০ ডলার থেকে কমিয়ে ৬ ডলার করা হবে। বিশেষ করে, এই সংকট এমন এক সময়ে দেখা দিয়েছে যখন রোহিঙ্গারা রমজান শেষে ঈদ উদযাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

ডব্লিউএফপির রেশন ব্যবস্থা অনুযায়ী, বর্তমানে রোহিঙ্গারা নির্ধারিত দোকান থেকে ভাউচারের মাধ্যমে নিজেদের প্রয়োজনীয় খাবার কিনতে পারে। তবে সংস্থাটি জানিয়েছে, পূর্ণ রেশন চালিয়ে যেতে এপ্রিলের মধ্যে জরুরিভাবে ১৫ মিলিয়ন ডলার এবং ২০২৫ সালের শেষ পর্যন্ত মোট ৮১ মিলিয়ন ডলার প্রয়োজন।

বাংলাদেশে ডব্লিউএফপির কান্ট্রি ডিরেক্টর ডম স্ক্যালপেলি বলেন, “রোহিঙ্গা শরণার্থী সংকট বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ও দীর্ঘস্থায়ী মানবিক সংকট। বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গারা সম্পূর্ণভাবে মানবিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল। খাদ্য সহায়তা কমানো হলে তারা গভীর সংকটে পড়বে এবং বেঁচে থাকার জন্য কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হবে।”

তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি মিয়ানমারের সংঘাত থেকে পালিয়ে আরও নতুন রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে, যার সংখ্যা ১ লাখ ছাড়িয়ে যেতে পারে। এই নতুন শরণার্থীদের আগমনে, ইতোমধ্যে সংকটে থাকা শরণার্থী শিবিরগুলোতে আরও চাপ সৃষ্টি হয়েছে।

ডম স্ক্যালপেলি বলেন, “এখন আগের চেয়ে আরও বেশি রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়ানো জরুরি। এই পরিবারগুলোর আর কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই। ডব্লিউএফপির খাদ্য সহায়তাই তাদের বেঁচে থাকার শেষ অবলম্বন। সংকট আরও গভীর হওয়ার আগেই জরুরি সহায়তা প্রয়োজন।”

ডব্লিউএফপির পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের খাদ্য সহায়তা সংকট সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের তহবিলের প্রয়োজনীয়তা ক্রমশ বেড়ে চলেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By Rahat IT Ltd.