1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@gmail.com : Masud Khan : Masud Khan
  4. mstkfofa@gmail.com : Nx fhqt8p : Nx fhqt8p
  5. wpsvc_fkmdmu@gmail.com : wpsvc_fkmdmu :
  6. xtw18387+1aaa@outlook.com : xtw183871aaa :
চৌদ্দগ্রামে গাঁজা উদ্ধারে ‘তিন হিসাব’: এজাহারে ২০ কেজি, সাক্ষীর দাবিতে ১০০, সূত্রে ১৭০ - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
নলডাঙ্গায় অবৈধ যৌন উত্তেজক সিরাপ ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বিক্রি, ১৫ হাজার টাকা জরিমানা বিরলে ‘নরমাল ডেলিভারি’ মা ও শিশুর জন্য উপহার সামগ্রী বিতরণ ঋণখেলাপিদের পুনঃতফসিল: পুনর্বাসন, নাকি দায়মুক্তির পথ? সাতক্ষীরায় পাটকেলঘাটা ওভারব্রিজে অনিয়ন্ত্রিত যানবাহনে তীব্র যানজট, ভোগান্তি জনগণের আশীর্বাদ চেয়ে রাণীপুকুরে আফছার আলীর চেয়ারম্যান প্রার্থিতা ঘোষণা চৌদ্দগ্রামে গাঁজা উদ্ধারে ‘তিন হিসাব’: এজাহারে ২০ কেজি, সাক্ষীর দাবিতে ১০০, সূত্রে ১৭০ ঘোড়াঘাট- হিলি মহাসড়কে কাজের ধীরগতিতে, ভোগান্তি জনসাধারণ ২৮ বছর বয়সেই বিলাসবহুল বাড়ি ও কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি এক মসজিদেই কেটে গেল জীবনের ৩৬টি বছর জামালপুরে জালিয়াতি করে প্রতিবন্ধী আদিবাসী নারীর জমি জবরদখলের অভিযোগ

চৌদ্দগ্রামে গাঁজা উদ্ধারে ‘তিন হিসাব’: এজাহারে ২০ কেজি, সাক্ষীর দাবিতে ১০০, সূত্রে ১৭০

– জব্দ তালিকায় ৪ পোটলা, সাক্ষীর দাবি ১৫–২০ পোটলা; ১৭০ কেজির তথ্য নিয়েও উঠছে প্রশ্ন

reporter কুমিল্লা প্রতিনিধি
calendar প্রকাশিত: ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:২৪ অপরাহ্ণ

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে মাদকবিরোধী অভিযানে গাঁজা উদ্ধারের ঘটনায় পুলিশের এজাহার, জব্দ তালিকা ও মামলার সাক্ষীদের বক্তব্যের মধ্যে অসঙ্গতির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় চৌদ্দগ্রাম থানার এসআই (নিঃ) মোঃ রায়হান হোসেনের করা এজাহার ঘিরে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

মামলার এজাহারের কপি পর্যালোচনায় দেখা যায়, ৩১ আগস্ট ২০২৬ চৌদ্দগ্রাম থানার কালিকাপুর ইউনিয়নের বদরপুর এলাকার একটি কাঁচা রাস্তায় অভিযান চালানোর কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এজাহার অনুযায়ী, অভিযানের সময় দুই ব্যক্তি পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে ফেলে যাওয়া দুটি সাদা প্লাস্টিকের বস্তার ভেতর থেকে কালো স্কচটেপে মোড়ানো চার পোটলা গাঁজা উদ্ধার করা হয়। প্রতিটি পোটলার ওজন ৫ কেজি হিসেবে উল্লেখ থাকায় নথি অনুযায়ী মোট গাঁজার পরিমাণ ২০ কেজি।

তবে মামলার ১ নম্বর সাক্ষীর বক্তব্য নিয়ে ভিন্ন তথ্য সামনে এসেছে। তার দাবি, পুলিশ ঘটনাস্থলে তাকে ১৫ থেকে ২০ পোটলা গাঁজা দেখিয়েছে। প্রতিটি পোটলা ৫ কেজি হলে ২০ পোটলার পরিমাণ দাঁড়ায় ১০০ কেজি। ফলে পুলিশের নথিতে উল্লেখ করা ২০ কেজির সঙ্গে সাক্ষীর দাবির পার্থক্য দাঁড়ায় ৮০ কেজি।এদিকে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের দাবি, ওই অভিযানে প্রকৃতপক্ষে প্রায় ১৭০ কেজি গাঁজা ছিল। সূত্রটির অভিযোগ, এর একটি অংশ পুলিশের সোর্সকে দেওয়ার পর অবশিষ্ট অংশ থেকে মাত্র ২০ কেজি জব্দ তালিকায় দেখানো হয়েছে।

তবে ১৭০ কেজি গাঁজা উদ্ধারের দাবি এবং গাঁজার একটি অংশ সোর্সকে দেওয়ার অভিযোগের স্বাধীন ও আনুষ্ঠানিক প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি। ফলে এসব অভিযোগের সত্যতা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন।ঘটনাটি নিয়ে মামলার দুই সাক্ষীর বক্তব্যও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, দুই সাক্ষীর সঙ্গে কথোপকথনের কল রেকর্ড সংরক্ষিত রয়েছে। এসব রেকর্ডে গাঁজার পরিমাণ, পোটলার সংখ্যা কিংবা অভিযানের বিষয়ে কোনো বক্তব্য থাকলে তা মামলার নথির সঙ্গে মিলিয়ে দেখার সুযোগ রয়েছে।

সব মিলিয়ে প্রশ্ন উঠেছে—পুলিশের নথিতে চার পোটলা বা ২০ কেজি গাঁজা দেখানো হলেও সাক্ষীর বক্তব্যে ১৫ থেকে ২০ পোটলার তথ্য কেন এসেছে? আর সূত্রের দাবি অনুযায়ী যদি গাঁজার পরিমাণ আরও বেশি হয়ে থাকে, তাহলে প্রকৃত উদ্ধারকৃত মাদকের পরিমাণ কত ছিল?

এ বিষয়ে জব্দ তালিকা, এজাহার, সাক্ষীদের বক্তব্য এবং সংরক্ষিত কল রেকর্ড যাচাই করে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। একই সঙ্গে অভিযানে প্রকৃতপক্ষে কত পরিমাণ গাঁজা উদ্ধার হয়েছিল এবং তা যথাযথভাবে জব্দ তালিকায় নথিভুক্ত করা হয়েছিল কি না—তা তদন্তের মাধ্যমে স্পষ্ট করার দাবি উঠেছে। অভিযোগের বিষয়ে এসআই মোঃ রায়হান হোসেনের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হবে।

 

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com