1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@gmail.com : Masud Khan : Masud Khan
  4. mstkfofa@gmail.com : Nx fhqt8p : Nx fhqt8p
  5. wpsvc_fkmdmu@gmail.com : wpsvc_fkmdmu :
  6. xtw18387+1aaa@outlook.com : xtw183871aaa :
২৮ বছর বয়সেই বিলাসবহুল বাড়ি ও কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
নলডাঙ্গায় অবৈধ যৌন উত্তেজক সিরাপ ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বিক্রি, ১৫ হাজার টাকা জরিমানা বিরলে ‘নরমাল ডেলিভারি’ মা ও শিশুর জন্য উপহার সামগ্রী বিতরণ ঋণখেলাপিদের পুনঃতফসিল: পুনর্বাসন, নাকি দায়মুক্তির পথ? সাতক্ষীরায় পাটকেলঘাটা ওভারব্রিজে অনিয়ন্ত্রিত যানবাহনে তীব্র যানজট, ভোগান্তি জনগণের আশীর্বাদ চেয়ে রাণীপুকুরে আফছার আলীর চেয়ারম্যান প্রার্থিতা ঘোষণা চৌদ্দগ্রামে গাঁজা উদ্ধারে ‘তিন হিসাব’: এজাহারে ২০ কেজি, সাক্ষীর দাবিতে ১০০, সূত্রে ১৭০ ঘোড়াঘাট- হিলি মহাসড়কে কাজের ধীরগতিতে, ভোগান্তি জনসাধারণ ২৮ বছর বয়সেই বিলাসবহুল বাড়ি ও কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি এক মসজিদেই কেটে গেল জীবনের ৩৬টি বছর জামালপুরে জালিয়াতি করে প্রতিবন্ধী আদিবাসী নারীর জমি জবরদখলের অভিযোগ

২৮ বছর বয়সেই বিলাসবহুল বাড়ি ও কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি

– বারখাইন ইউনিয়নে প্রশ্নবিদ্ধ সাদ্দাম হোসেনের সম্পদের উৎস, ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী

reporter নিজস্ব প্রতিবেদক
calendar প্রকাশিত: ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:১৭ অপরাহ্ণ

মাত্র ২৮ বছর বয়সেই বিলাসবহুল বাড়ি, বিঘার পর বিঘা জমি এবং অঢেল সম্পত্তি। তিনি বারখাইন ইউনিয়ন পরিষদের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সভাপতি সাদ্দাম হোসেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, পুরো ইউনিয়নে তার ক্ষমতার দাপটে একচ্ছত্র আধিপত্য তৈরি হয়েছে, তার ইশারা ও অনুমতি ছাড়া এই ইউনিয়নের কোনো জায়গা-জমি ক্রয়-বিক্রয় করা প্রায় অসম্ভব। সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে জমি জোরপূর্বক ক্রয়-বিক্রয়ে বাধ্য করার অভিযোগে এলাকায় এখন তিনি ভূমিদস্যু হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন। সাদ্দামের এই রূপকথার মতো রাতারাতি আঙুল ফুলে কলাগাছ হওয়ার নেপথ্যে আয়ের প্রকৃত উৎস কী, তা নিয়ে চরম প্রশ্ন ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে এলাকাবাসীর মনে।

​স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, গত কয়েক বছরে সাদ্দাম হোসেনের জীবনযাত্রায় অলৌকিক পরিবর্তন এসেছে। সাধারণ ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে উঠে আসা সাদ্দাম রাজনৈতিক পরিচয় ও প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে ইউনিয়নের জমি কেনাবেচার বাজার সম্পূর্ণ নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেন। অভিযোগ রয়েছে, যেকোনো জমির মালিক ও ক্রেতার কাছ থেকে মোটা অঙ্কের কমিশন আদায়, জোরপূর্বক নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে কম দামে জমি লিখে নেওয়া এবং ভুক্তভোগীদের ভয়ভীতি দেখিয়ে জমি হস্তান্তরে বাধ্য করাই তার প্রধান হাতিয়ার। তার সহযোগী হিসেবে কাজ করেন আনোয়ারা থানার ওসি সহ ফ্যাসিবাদ নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সিলভার শাকিল ও অন্যান্য দলের নেতাকর্মীরা। এরা সাদ্দাম হোসেনের হাতিয়ার হিসেবে বিভিন্ন অপকর্মে ব্যবহার করে থাকেন। সাদ্দামের কথা অমান্য করে এলাকায় কোনো জমি বেচা-কেনা করা সাধারণ মানুষের পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়েছে। সাদ্দাম হোসেনের কথা না শুনলে পায়ের রগ কেটে দেবেন বলে হুমকি প্রদান করেন এই সিলভার শাকিল।

​ভুক্তভোগীদের একাংশের অভিযোগ, কোনো জমি বিক্রি করতে গেলে সাদ্দামকে মোটা অঙ্কের চাঁদা বা শেয়ার না দিলে সেই জমিতে ঝামেলার সৃষ্টি করা হয়। এভাবে সাধারণ মানুষের অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে তিনি শত শত শতাংশ জমি নিজের নামে বা বেনামে কুক্ষিগত করেছেন। একই সাথে গড়ে তুলেছেন এক বিলাসবহুল রাজপ্রাসাদতুল্য বাড়ি। মাত্র ২৮ বছর বয়সে পেশাগত বড় কোনো দৃশ্যমান সফলতা ছাড়া কীভাবে তিনি এত বিপুল অর্থ-সম্পদের মালিক হলেন, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

​এলাকাবাসী ও সাধারণ জনগণ এখন প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করছেন। তারা চান কোনো রাজনৈতিক প্রভাবের কাছে নতিস্বীকার না করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও স্থানীয় প্রশাসন যেন সাদ্দাম হোসেনের অবৈধ সম্পদের উৎস অনুসন্ধানে নিরপেক্ষ তদন্ত নামায়। একই সাথে ইউনিয়নের সাধারণ মানুষকে ভূমিদস্যুতার হাত থেকে রক্ষা করে স্বাভাবিক ও ভয়হীন পরিবেশে জমি কেনাবেচার অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার আকুল আবেদন জানিয়েছেন তারা।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com