কক্সবাজারে শীতের আগমনী হাওয়া বইতে শুরু করেছে। আর সেই সঙ্গে দেশের পর্যটনপ্রেমীরা ছুটে যাচ্ছেন বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত উপভোগ করতে। গত শুক্রবার সকাল থেকেই লাবণী, সুগন্ধা ও কলাতলী পয়েন্টে ছিল উপচেপড়া ভিড়। হোটেল-মোটেলে আগাম বুকিংয়ের চাপ বাড়ায় অনেক পর্যটককে বিকল্প আবাসন খুঁজতে দেখা গেছে।
পর্যটন ব্যবসায়ীরা জানান, গত এক সপ্তাহে কক্সবাজারে আগত পর্যটকের সংখ্যা স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। আবহাওয়া শীতল হলেও রোদ মিষ্টি থাকায় সমুদ্রস্নান, বিচ বাইক রাইড, প্যারাসেইলিংসহ বিভিন্ন বিনোদন কার্যক্রমে উপচেপড়া ভিড় দেখা যাচ্ছে।
চট্টগ্রাম থেকে আসা পর্যটক দম্পতি তানভীরুল ও সাদিয়া বলেন, “অনেক দিন পর পুরো পরিবার নিয়ে বাইরে ঘুরতে এলাম। শীতের হালকা ঠান্ডা আর ঢেউয়ের শব্দ—সব মিলিয়ে কক্সবাজার এখন দারুণ লাগছে।” এদিকে স্থানীয় হোটেল-মোটেল মালিক সমিতির নেতারা বলছেন, শীত মৌসুমে পর্যটকদের চাপ স্বাভাবিক হলেও বছরের শুরুতে বিভিন্ন কারণে যে মন্দা দেখা দিয়েছিল, শীতের আভাসেই তা কাটিয়ে ওঠা যাচ্ছে। ফলে পর্যটন ব্যবসায় প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে।
পর্যটন পুলিশ জানায়, পর্যটকদের নিরাপত্তায় সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্টে অতিরিক্ত টহল দেওয়া হচ্ছে। লাইফগার্ড সদস্যরাও সর্বক্ষণ নজরদারিতে রয়েছেন। সপ্তাহজুড়ে আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে কক্সবাজারের পর্যটন এলাকায় আরও ভিড় বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।