গাজীপুরের চন্দ্রা বাসস্ট্যান্ড থেকে মাত্র ৫০০ গজ সামনে চন্দ্রা–নবীনগর মহাসড়কের বাম পাশে গড়ে উঠেছে অবৈধ তেল চুরির একটি কারখানা। সেখানে প্রতিদিনই মহাসড়কে চলাচলকারী বাস, ট্রাক ও তেল ইঞ্জিনচালিত যানবাহনের কিছু লোভী চালক নিজেদের গাড়ি থেকে তেল চুরি করে বিক্রি করছেন খোলামেলা ভাবে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, লির্বাটি কিন্টওয়্যার লিমিটেড নামের একটি প্রতিষ্ঠানের একটি গাড়ি থেকে প্রকাশ্যে তেল বের করা হচ্ছে। সাংবাদিকরা ছবি ও ভিডিও ধারণ করতে গেলে ওই গাড়ির চালক দ্রুত পালিয়ে যায়।
কারখানার এক কর্মচারী, যিনি নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, জানান—“প্রতিদিনই কয়েকটি গাড়ি এখানে আসে। এরা বলে গাড়িতে সমস্যা, সারাতে এসেছে। কিন্তু আসলে তেল বিক্রিই এদের মূল কাজ।”
এ বিষয়ে লির্বাটি কিন্টওয়্যার লিমিটেডে কর্মরত কর্মকর্তা মো. সুজন–এর সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার হিসেবে পরিচয় দেন। তিনি বলেন, “আমি বিষয়টি জেনেছি। মালিকের সঙ্গে কথা বলে ওই গাড়ির চালকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে মহাসড়কের পাশে এ ধরনের অবৈধ তেল চুরির কারখানাগুলো সক্রিয় থাকলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপের অভাবে এদের দৌরাত্ম্য বাড়ছে। এতে একদিকে সরকারের রাজস্ব হারাচ্ছে, অন্যদিকে সড়কে বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি।
বিশ্লেষকদের মতে, মহাসড়কের পাশে এসব অবৈধ তেল চুরির কেন্দ্র বন্ধে প্রশাসনের নিয়মিত নজরদারি ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি।