দীর্ঘ ৯ বছর পর অনুষ্ঠিত হচ্ছে কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির ত্রি- বার্ষিক সম্মেলন। শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিখে কোরআন তেলাওয়াত ও জাতীয় সংগীত এর মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয় কিশোরগঞ্জ জেলা শহরের পুরাতন স্টেডিয়ামে। সম্মেলন উদ্বোধন করেন কেন্দ্রীয় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সুহেল। সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জের কৃতি সন্তান উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম। সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব জনাব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং ভার্চুয়ালি সংযুক্ত ছিলেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান। মহাসচিব জনাব ফখরুল ইসলাম আলমগীর তার বক্তব্যে বলেন কিশোরগঞ্জের অসংখ্য শহীদের রক্তের বিনিময়ে আজকের এই পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে আমি তাদের শ্রদ্ধা ভরে স্মরণ করছি। তিনি বলেন ৪৭ বছর আগে বাংলাদেশ জাতীয়তা বাদী দল বিএনপি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হাত ধরে এবং তিনি ১৯ দফার মাধ্যমে বাংলাদেশকে সংস্কার করতে চেয়েছিলেন যা বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদের দর্শন তিনি এই জাতীয়তাবাদী দর্শনের মাধ্যমে বাংলাদেশকে স্বতন্ত্র রাষ্ট্র এবং স্বতন্ত্র জাতি হিসেবে গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন। আর এই জাতীয়তাবাদ কে এত সহজে ধ্বংস করা যাবে না। আজকে একটি একটি বিশেষ মহল থেকে বিএনপি কে ধ্বংস করার যন্ত্র চলছে। সম্মেলনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান বক্তব্য রাখেন বক্তব্যে জনাব তারেক রহমান যাদের আত্মত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি তাদের কে শ্রদ্ধা ভরে স্মরণ করেন।
তিনি কিশোরগঞ্জ সকল নেতা কর্মিকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন তিনি বলেন বাংলাদেশের মানুষ স্বৈরাচার ফাসিস্ট সরকারকে এই দেশ থেকে বিতারিত করেছেন একটি নতুন বাংলাদেশ উপহার দেয়ার জন্য বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যে পদক্ষেপ গ্রহন করেছে বিএনপি তা আরো আড়াই বছর আগে বাংলাদেশের মানুষের সামনে উপস্থাপন করেছে বাংলাদেশের মানুষের নিরাপত্তা ও কর্মসংস্থানের অধিকারের প্রশ্নে বিএনপি কারো সাথে কোন আপোষ করেনি। তিনি বিএনপির সকল নেতা কর্মিকে যে কোন মূল্যে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে এবং দলের যে কোন সিদ্ধান্তে ঐক্যমত গ্রহণ করতে হবে এবং কিশোরগঞ্জ এর সম্মেলনে যে সিদ্ধান্ত হবে তা সবাই কে মেনে নেওয়ার আহ্বান করেন। কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির ত্রি- বার্ষিক সম্মেলনে এবার সভাপতি পদে প্রার্থী হয়েছেন বর্তমান কমিটির সভাপতি মোঃ শরিফুল আলম আনারস প্রতীকে তিনি কেন্দ্রীয় বিএনপির ময়মনসিংহ অঞ্চলের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্বে আছেন। তার সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বর্তমান জেলা কমিটির সহ-সভাপতি রুহুল হুসাইন ছাতা প্রতীকে। সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হয়েছেন বর্তমান কমিটির সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম (রিকশা প্রতীকে).কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ভিপি খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল (ফুটবল প্রতীকে).,বিএনপি নেতা শফিকুল আলম রাজন মাছ, বিএনপি নেতা সাজ্জাদুল হক গোলাপ ফুল প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।