মুলাদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১৬ সেপ্টেম্বর সকাল ৮ঃ২১ ঘটিকায় মোঃ মফসের খন্দকার (৫০) পিতা মোঃ হাশেম খন্দকার। অসুস্থ অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্মরত ডাঃ শাহারাজ হায়াত সাথে সাথে চিকিৎসা দিতে থাকেন।ডাক্তারের ভাষ্যমতে প্রথমে পালস মাপা,প্রেসার মাপা,অক্সিজেন দিয়ে চেষ্টা করেন,কোনভাবেই তাকে জীবিত না পেয়ে ইসিজির মাধ্যমে শতভাগ নিশ্চিত হওয়ার জন্য ইসিজি করে রোগীর মৃত্যু ঘোষণা করেন। মৃত্যু ঘোষনার পরপর সাথে থাকা হানিফ ও ইব্রাহিম পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার মেশিন পত্র,অক্সিজেন দেয়া মেশিন,ইজি মেশিন, পালস নির্ণয় করার মেশিন,ভাঙচুর করে।তাদের প্রতিহত করার চেষ্টা করলে ইমারজেন্সি রুমে কর্মরত অফিস স্টাফ নুরুজ্জামান এর উপরে হামলা করে।একপর্যায়ে ডাক্তার শাহানাজ হায়াতের উপরেও ক্ষিপ্ত হয়ে হামলা করার চেষ্টা করে। পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ওষধ কোম্পানি প্রতিনিধিদের উপর ও হামলা করে। ইমার্জেন্সি রুমের জানালা কপার ভাঙচুর করে।পপুলার ফার্মাসিউটিক্যাল মুলাদী উপজেলা প্রতিনিধি মোঃ পারভেজ ও মোঃ আরমান আহত হয়।আহত পারভেজ এক ব্যক্তির হিংস্র পশুর মত বুকে কামড়ের শিকার হতে হয়।তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিতে হয়েছে। এই ঘটনার তদন্তের জন্য সাথে সাথে মুলাদী থানা ইনচার্জ তার প্রতিনিধি সাব ইন্সপেক্টর সালেহ ভাঙচুরের ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেন। খানিকটা পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ নিজাম উদ্দিন ভাঙচুরের ঘটনা স্থান পরিদর্শন করেন। উপজেলা পঃ পঃ কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ সাইয়েদুর রহমান সিসি ক্যামেরা দেখে ঘটনার বিবরণ উপস্থিত সাংবাদিক,তদন্ত কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করেন। দোষী ব্যক্তিদের আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য ডাঃ মোঃ সাইয়েদুর রহমান থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। মৃত ব্যক্তি মোঃ মফসের খন্দকারের ঠিকানা তেরচর ৩ নং ওয়ার্ড মুলাদী পৌরসভা,বেইলি ব্রিজ এলাকা বাংলালিংক টাওয়ার সংলগ্ন খন্দকার বাড়ি।