নিকাহ রেজিস্ট্রার লাইসেন্স বাতিলের পরও সরকারের আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে পড়াচ্ছেন বিয়ে। একই বিবাহ অনুষ্ঠানে নিয়োগপ্রাপ্ত ও লাইসেন্স বাতিল হওয়া ব্যাক্তি উপস্থিতি হয়। দুজনেই পড়াতে চায় বিয়ে। এ নিয়ে সৃষ্টি হয় জটিলতা। বর-কনে পক্ষও পরেন ভোগান্তিতে। এমনই ঘটনা ঘটেছে চাঁদপুরের মতলব উত্তরের দূর্গাপুর ইউনিয়নে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আইন ও বিচার বিভাগ শাখা -৭ কর্তৃক গত ১৩ সেপ্টম্বর ২০২৩ সালে চাঁদপুরের মতলব উত্তরের দূ্গাপুর ইউনিয়নের মুসলিম নিকাহ্ ও তালাক রেজিস্ট্রার ওয়াছে কুরুনি সরকারের লাইসেন্স বাতিল করে পদটি শূন্য করে। গত ৩ জুন ২০২৪ ইং তারিখে ঐ পদে নিয়োগ দেওয়া হয় দূর্গাপুর ইউনিয়নে নিশ্চিন্তপুর গ্রামের রফিকের ছেলে মো. মাসুম বিল্লাহকে। পরদিন মাসুম বিল্লাহকে কার্যক্রম চালানোর অনুমতি দেয় চাঁদপুর জেলা রেজিস্ট্রার অফিস। অনয়দিকে ১০ কার্যদিবসের মধ্যে ওয়াছে কুরুনির কাছে থাকা রেকর্ড, নিকা্হ ও তালক রেজিস্ট্রার, বালাম বই মাসুম বিল্লাহকে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেয়।
জেলা রেজিস্ট্রারের নির্দেশ না মানায় গত ১৬ জুলাই ২০২৪ ইং তারিখে কাগজপত্র বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য ৩ দিন সময় বেধে আরেকটি নির্দেশ দেয়। তা না মানায় গত ২৮ অক্টোবর ২০২৪ ইং তারিখে ৫ দিন সময় বেধে আরেকটি নির্দেশ দেয় জেলা রেজিস্ট্রার অফিস।
এদিকে দূর্গাপুর ইউনিয়নের একই বিবাহ অনুষ্ঠানে কাজী হিসেবে উপস্থিত হয় কাজী মাসুম বিল্লাহ ও লাইসেন্স বাতিল হওয়া ওয়াছে কুরুনি। দুজনই কাজী দাবি করে। এতে ভোগান্তিতে বর-কনে পক্ষদ্বয়। এ নিয়ে দুই কাজীর মধো হই-চই,হুটগোল, গালমন্দ ও ভাগ বিতন্ডার খবর পাওয়া গেছে।
এ বিষয় রেজিস্ট্রারকৃত কাজী মাসুম বিল্লাহ বলেন, আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ওয়াছে কুরুনি সরকার কিভাবে এখনো নিকাহ রেজিস্ট্রার করাচ্ছে। তার লাইসেন্স বাতিলের ও প্রয়োজননীয় কাগজপত্র আমাকে বুঝিয়ে দেওয়ার আদেশর কপি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও অফিসার ইনচার্জকে অনুলিপি দেওয়া হয়েছে। তাই প্রশাসন এ বিষয়ে ব্যবস্তা গ্রহনের অনুরোধ করছি। এ বিষয়ে অভিযুক্ত ওয়াছে কুরুনির বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
ক্যাপশন: অভিযুক্ত কাজী ওয়াছে কুরুনি সরকারের ছবি।