খুলনায় হোটেল ওয়েস্টার্ন থেকে উদ্ধার হওয়া নারীর কোন পরিচয় শনাক্ত করতে পারেনি। পুলিশ বিভিন্ন স্থানে পুলিশ বার্তা প্রেরন করে তার পরিবারের কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি। ২৫ দিন পার হলেও মৃত দেহের পরিচয় শনাক্ত না হওয়ায় পুলিশের তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বিভিন্ন মহলে। খুলনা থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি হাওলাদার সানোয়ার হুসাইন মাসুম জানান, অন্যত্র বদলি হওয়ায় মামলার একজন তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন হয়েছে। মৃত ঔই নারীর কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া জন্ম সনদের ঠিকানা অনুযায়ী সেখানে তদন্তে পুলিশকে পাঠানো হয়েছিল। ঔই নারীর ছবি দেখানো হলেও কেউ তাকে চিনে না বলে জানানো হয় সেখান থেকে। তার তথ্য সারা বাংলাদেশের বিভিন্ন থানায় প্রেরণ করা হয়েছে। কিন্তু সেখান থেকে কোন উওর পাওয়া যায়নি। খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ পুলিশ কমিশনার ( দক্ষিন) মো: আবু তারেক বলেন, সিআইডি তার ফিঙ্গার প্রিন্ট সংগ্রহ করে তার পরিচয় শনাক্ত করতে পারেনি। তার ডিএনএ স্যাম্পল সংগ্রহ করে রাখা হয়েছে। ছবি বিভিন্ন থানায় প্রেরণ করা হয়েছে। সেখান থেকে কোন সুনির্দিষ্ট তথ্য আমরা পাইনি। ঔই নারী ধর্ষনের শিকার হয়েছে কিনা তাও ময়না তদন্তের সময় পরিক্ষা করা হয়েছে। কিন্তু ময়না তদন্তের রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত কোন কিছু বলা সম্ভব নয়। থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। রিপোর্টে হত্যার কোন সিনটম পাওয়া গেলেই সেটি মার্ডার কেস হিসেবে বিবেচিত হবে। পুলিশ জানায়, গত ৪ জুলাই শুক্রবার বিকেলে সাড়ে ৪ টার দিকে খুলনার ওয়েস্টার্ন ইন হোটেলের তৃতীয় তলায় ২০৮ নমর কক্ষ থেকে অজ্ঞাত নামা এক নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সাথে পাওয়া যায় ঔই নারীর একাধিক জন্ম নিবন্ধনের ফটোকপি। এর মধ্য একটি নিবন্ধন অনুযায়ী নারীর নাম পাওয়া যায় শান্তা ইসলাম। সেখানে বর্নিত ঠিকানা সন্ধানে নামলেও পুলিশ তার ঠিকানা পায়নি। এছাড়া রহস্য জনক মৃত্যুর পর ঔই কক্ষ থেকে ৬ টি মোবাইল র্সিমকার্ড ও দুই পাতা ঘুমের ওষুধ উদ্ধার করে। পরে ঔই নারীর সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে ময়না তদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে। ময়না তদন্ত শেষে পরের দিন আঞ্জুমান মুফিদুলের মাধ্যমে লাশের দাফন করা হয়। হোটেল থেকে লাশ উদ্ধারের ঘটনা নিয়ে শহরে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়।